সাইবার হামলার বিষয়ে ফেডারেল সরকারকে অবহিত করতে গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো নির্মাণে জড়িত প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য সম্প্রতি নতুন আইন করেছে কানাডা। তথ্য সরবরাহের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠাগুলোকে তাদের সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থাও উন্নত করতে হবে। খবর ইটিটেলিকম।

আইন প্রণয়নকারীরা জাতীয় নিরাপত্তা ও জননিরাপত্তার জন্য ফাইন্যান্স, টেলিযোগাযোগ, জ্বালানি শক্তি ও পরিবহন খাতকে চিহ্নিত করেছে। তবে নির্দিষ্ট কোনো প্রতিষ্ঠানের নাম প্রকাশ করেনি। দেশটির জননিরাপত্তাবিষয়ক মন্ত্রী মার্কো মেনডিসিনো সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বলেন, জাতীয় নিরাপত্তা ও জননিরাপত্তার জন্য কোন খাতগুলো গুরুত্বপূর্ণ তা নির্ধারণে বেশ সময়ের প্রয়োজন। বিভিন্ন খাতের সঙ্গে যোগাযোগ শেষে গুরুত্বপূর্ণ শিল্পসংশ্লিষ্টদের চিহ্নিত করা হবে।

নতুন আইনটি লিবারেল প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর সরকারকে সাইবার নিরাপত্তা হুমকির বিরুদ্ধে দেশের টেলিযোগাযোগ খাতকে সুরক্ষিত রাখতে অধিক ক্ষমতা দেবে। মার্কো মেনডিসিনো বলেন, নতুন আইনের মাধ্যমে পাবলিক ও প্রাইভেট দুই খাতসংশ্লিষ্টরাই সাইবার হামলা থেকে সুরক্ষিত থাকতে পারবে।

ফাইভজির মতো গতিশীল নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা কানাডার গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো সম্পর্কিত খাতগুলোকে আরো বেশি সংযুক্ত ও সমন্বিত থাকার সুযোগ করে দিয়েছে। তবে এগুলো সাইবার হামলার জন্য আরো ঝুঁকিপূর্ণ বলে জানিয়েছে দেশটির সরকার। বিশ্বে সাইবার হামলা ও হ্যাকিংয়ের ঘটনা বাড়ছে। তবে এসব হামলার তথ্য অজানাই রয়ে যাচ্ছে। কেননা বর্তমান সময়ের আইনে কোনো সাইবার দুর্ঘটনা ঘটলে সে বিষয়ে প্রতিবেদন জমা দেয়ার কোনো বাধ্যবাধকতা নেই।

সরকারি এক বিবৃতির তথ্যানুযায়ী, বিল সি-২৬ নামে উত্থাপিত এ আইন টেলিকম কোম্পানিগুলোকে ঝুঁকিপূর্ণ সরবরাহকারীদের পণ্য ও পরিষেবা ব্যবহারে বাধা দেবে। গত মাসে কানাডা সরকার চীনের হুয়াওয়ে টেকনোলজিস ও জিটিই করপোরেশন নির্মিত ফাইভজি গিয়ার ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।