গ্রেগরি পেকের মেয়ে সিসিলিয়া পেকের সাক্ষাত্কার
গত ১৫ এপ্রিল ছিল কিংবদন্তি আমেরিকান অভিনেতা গ্রেগরি পেকের জন্মশতবার্ষিকী। রোমান হলিডে, টু কিল আ মকিংবার্ড, দ্য গানস অব নাভারনসহ আরো অনেক সিনেমার জন্য তিনি স্মরণীয় হয়ে আছেন। তবে শুধু অভিনয় নয়, বরং বিভিন্ন সামাজিক-রাজনৈতিক ইস্যুতেও পেক সোচ্চার ছিলেন। টু কিল আ মকিংবার্ডে অভিনয় করেছিলেন একজন কৃষ্ণাঙ্গের পক্ষে লড়া আইনজীবী হিসেবে। দ্য ট্রায়াল অব দ্য ক্যটনসভিল নাইন সিনেমা প্রযোজনা করে যুক্তরাষ্ট্রের তত্কালীন প্রেসিডেন্ট নিক্সনের শত্রু তালিকায় নাম উঠিয়েছিলেন। গ্রেগরি পেকের জীবনের এসব দিক নিয়ে আমেরিকান সাংবাদিক, কলামিস্ট অ্যামি গুডম্যান কথা বলেছেন তার মেয়ে সিসিলিয়া পেকের সঙ্গে। সিসিলিয়া নিজেও অভিনেত্রী ও পরিচালক হিসেবে কাজ করছেন। অ্যামি গুডম্যান ও সিসিলিয়া পেকের কথোপকথনটি ভাষান্তর করেছেন শানজিদ অর্ণব
অ্যামি গুডম্যান: আমি আপনার বাবা গ্রেগরি পেককে নিয়ে কথা বলতে চাই। আপনার ও আপনার নেয়া সিদ্ধান্তের ওপর তার প্রভাব, তার স্মরণীয় জীবনের কর্মযজ্ঞ, টু কিল আ মকিংবার্ড সিনেমায় অ্যাটিকাস ফিঞ্চের চরিত্রে তার অভিনয় (যেজন্য তিনি অস্কার পেয়েছেন), আপনার জীবনে সিনেমাটির প্রভাব প্রভৃতি নিয়ে কথা বলব।
সিসিলিয়া পেক: আমার বাবা একদিকে ছিলেন বিরাট ফিল্মস্টার, অন্যদিকে তিনি সমাজের বিভিন্ন বিতর্কিত বিষয়েও মাথা ঘামিয়েছেন। যেমন টু কিল আ মকিংবার্ডে বর্ণবাদ ও জেন্টলম্যান’স এগ্রিমেন্টে অ্যান্টি-সেমেটিজম। এসব বিষয় বাবা কীভাবে একসঙ্গে সামলাতেন, সেটা নিয়ে আমি সবসময়ই কৌতূহল অনুভব করেছি। আমার মনে হয়, বাবা এতটা সৌজন্যতা-শিষ্টাচার বজায় রেখেছেন এবং সততা দেখিয়েছেন যে, তিনি রাজনৈতিক বিতর্ককে এড়িয়ে যেতে পেরেছেন। রাজনৈতিক মতাদর্শ নির্বিশেষে সবাই তার সিনেমাকে ভালোবেসেছে। তাই সবসময়ই আশা করেছি যে, আমিও স্বল্পমাত্রায় হলেও বাবার মতো কিছু করতে পারব। আমার মনে হয়, তার কন্যা হিসেবে আমি বিভিন্ন সামাজিক ইস্যুতে কাজ করার উত্তরাধিকার হিসেবে বড় হয়েছি।
অ্যামি গুডম্যান: টু কিল আ মকিংবার্ড সিনেমাটি সবারই দেখা উচিত। অবশ্য এখনকার প্রজন্মের অনেকেই সিনেমাটি সম্পর্কে ভালো জানে না। এ সিনেমা এবং সেখানে আপনার বাবার চরিত্র সম্পর্কে বলুন।
সিসিলিয়া পেক: সিনেমাটিতে তিনি ১৯৩০-এর দশকে দক্ষিণের একজন আইনজীবীর (অ্যাটিকাস ফিঞ্চ) চরিত্রে অভিনয় করেছেন। স্থানীয় শেরিফ তাকে একজন কৃষ্ণাঙ্গের পক্ষে আইনি লড়াইয়ের জন্য আনুরোধ করেন। কৃষ্ণাঙ্গ মানুষটির বিরুদ্ধে একজন শ্বেতাঙ্গ তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ ছিল। অ্যাটিকাস ফিঞ্চ দুই সন্তানের একাকী পিতা। তিনি বুঝতে পেরেছিলেন যে, সেই ছোট্ট শহরে বিতর্কিত কেসটি হাতে নিলে তিনি এবং তার পরিবারের প্রতি প্রচুর মানুষের দৃষ্টি আকর্ষিত হবে। সিনেমায় দেখা যায়, তিনি শেরিফের অনুরোধ বিবেচনা করে সায় দেন এবং বলেন, ‘আমি কেসটা লড়ব।’ এর পর আপনারা দেখবেন, একজন কৃষ্ণাঙ্গের পক্ষে কেস লড়ায় তার প্রতি শহরবাসীর ক্রোধ কীভাবে সেই আইনজীবীর পরিবারটির জীবন বদলে দিয়েছিল। আমার মনে হয়, বাবা যদি বাস্তব জীবনেও ওই শহরে থাকতেন, তাহলেও তিনি সিনেমার মতোই ভূমিকা রাখতেন।
অ্যামি গুডম্যান: আপনার বাবার সেই সিনেমাটি তৈরি হয়েছিল হারপার লির উপন্যাস অবলম্বনে এবং আপনার ছেলের নাম রেখেছেন হারপার!
সিসিলিয়া পেক: হ্যাঁ, সেটাই। টু কিল আ মকিংবার্ড নির্মাণ হওয়ার সময় আমি খুবই ছোট ছিলাম। হারপারের সঙ্গে আমার পরিচয় সেই ছোটবেলা থেকেই। তাই আমার প্রথম সন্তানের নাম হারপারের নামেই রেখেছি। আমার ছেলের জন্ম হয়েছিল নিউইয়র্কে। হারপার মাঝে মাঝেই আমাদের বাসায় এসে ছেলেকে ঘুম পাড়ানোর গল্প শোনাত। তার লেখাও পড়ে শোনাত। তিনি সবসময়ই আমার পরিবারের অংশ ছিলেন এবং থাকবেন।
অ্যামি গুডম্যান: আপনার বাবা ১৯৪০, ’৫০ ও ’৬০-এর দশকের একজন বিখ্যাত ফিল্মস্টার। সেটা ছিল ম্যাককার্থির যুগ। সে সময় কালো তালিকা ছিল। আপনার বাবাও ছিলেন সেই কালো তালিকায়। তিনি কীভাবে এ পরিস্থিতি মোকাবেলা করেছেন?
সিসিলিয়া পেক: আমার বাবা তালিকার কেন্দ্রে ছিলেন না। কিন্তু তিনি নিক্সনের শত্রু তালিকায় ছিলেন। ভিয়েতনাম যুদ্ধের প্রতিবাদ জানাতে তিনি দ্য ট্রায়াল অব দ্য ক্যটনসভিল নাইন সিনেমা তৈরি করেছিলেন। তিনি ভিয়েতনামে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হস্তক্ষেপকে সমর্থন করতেন না এবং সেটা নিয়ে সিনেমাও বানিয়েছেন। সিনেমাটা ছিল বেরিগান ও তার সহকারীদের যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীতে যোগ দেয়ার ড্রাফট কার্ড পুড়িয়ে দেয়া নিয়ে (ভিয়েতনাম যুদ্ধের প্রতিবাদ জানাতে নয়জন ক্যাথলিক অ্যাক্টিভিস্ট যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীতে বাধ্যতামূলকভাবে যোগ দেয়ার ড্রাফট ফর্ম পুড়িয়ে দিয়েছিলেন। এ নয়জনই ক্যাটনসভিল নাইন নামে পরিচিত।) আর এ সিনেমা বানিয়ে বাবা নিক্সনের শত্রু তালিকায় জায়গা করে নেন।
অ্যামি গুডম্যান: এ ব্যাপারে আপনার বাবা কী বলতেন?
সিসিলিয়া পেক: আমার মনে আছে, দাদি প্রায়ই বাবাকে জিজ্ঞেস করতেন, ‘গ্রেগরি, তুমি এখন প্রেসিডেন্টের শত্রুদের একজন?’ জবাবে বাবা বলতেন, ‘এটা তেমন কোনো সমস্যা নয় মা। সব ঠিক হয়ে যাবে।’ কিন্তু আমার মনে হয়, এটা তার ক্যারিয়ারে হয়তো নেতিবাচক প্রভাব রেখেছিল। আমি জানি নিক্সন কী করতেন, তার নীতির বিরোধিতাকারীদের জীবন তিনি ধ্বংস করে দিতেন। কিন্তু তার পরও সে রকম কিছু অতিক্রম করার সামর্থ্য আমার বাবার ছিল। বাবা যা করেছিলেন, তা করার জন্য অনেক সাহস প্রয়োজন। আমার ধারণা, টু কিল আ মকিংবার্ড করার সময় তাকে অনেকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, ‘তুমি কেন এমন ধরনের কাহিনী নিয়ে কাজ করতে চাইছ? তুমি এত বড় একজন চিত্রতারকা, তোমার তো এ ধরনের ইস্যু নিয়ে মাথা ঘামানো উচিত নয়।’ কিন্তু বাবা তো আর সবার মতো ছিলেন না।
অ্যামি গুডম্যান: বারবারা কোপলের সঙ্গে আপনার বাবাকে নিয়ে যে সিনেমাটা তৈরি করেছেন, সেটা সম্পর্কে বলুন।
সিসিলিয়া পেক: বাবার বয়স যখন আশির ঘরে। তখন দেশব্যাপী তিনি একটি স্টেজ শো করছিলেন। স্টেজ শোয় তার জীবন ও ক্যারিয়ার নিয়ে ক্লিপস দেখানো হতো এবং তিনি সেসব নিয়ে গল্প শোনাতেন। বারবারা ও আমি এমন একটা শো দেখতে গিয়েছিলাম। অনুষ্ঠানগুলোয় বাবা দর্শকদের মুগ্ধ করে রাখতেন, অনেক রসিকতা করতেন। প্রচুর তরুণ তার এ অনুষ্ঠান দেখতে আসত। অনেকে তাদের ছেলের নাম রেখেছেন গ্রেগরি বা অ্যাটিকাস, কেউ আবার বাবার সেই চরিত্রের মতো করে সন্তানকে আইনজীবী বানাতে চেয়েছেন। বারবারা ও আমি একে অন্যের দিকে তাকিয়ে বললাম, ‘একটা সিনেমা বানানোর আইডিয়া পাওয়া গেল।’ সে রাতে আমরা বেশ কয়েক জায়গায় ফোনে যোগাযোগ করলাম সিনেমা বানানোর অর্থ জোগাড় করার জন্য। অর্থের ব্যবস্থা হয়ে যাওয়ার পর এক বছর আমরা বাবার শোগুলোকে অনুসরণ করলাম। শেষমেশ এটা তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে ফিল্ম হলো। ফিল্মে আমার মা, বাবার অনেক বন্ধু ও তার সিনেমার অনেক ক্লিপস ছিল। সিনেমাটার নাম হলো আ কনভারসেশন উইথ গ্রেগরি পেক।
অ্যামি গুডম্যান: টু কিল আ মকিংবার্ড শুটিংয়ের সময় আপনি একেবারে শিশু। তখন ছিলেন ক্যামেরার পেছনে। এর পর একসময় অভিনেত্রী হিসেবে ক্যামেরার সামনে দাঁড়ালেন। তার পর পরিচালক, প্রযোজক হিসেবে আবার ক্যামেরার পেছনে। ব্যাপারগুলো কেমন ছিল?
সিসিলিয়া পেক: আমি ইসরায়েলেও একটা সিনেমা করেছি। সেটা ছিল আমার প্রথম দিককার একটা সিনেমা টর্ন অ্যাপার্ট। সেখানে আমি এক ফিলিস্তিনি নারীর চরিত্রে অভিনয় করেছিলাম, যে এক ইসরায়েলি সেনার প্রেমে পড়ে। অভিনেত্রী হিসেবে এমন কিছু কাজ করতে পেরেছি, যার জন্য আমি গর্বিত। কিন্তু সবসময়ই চেয়েছি ক্যামেরার পেছনে দাঁড়িয়ে সিনেমা তৈরি করতে। আমার মনে হয়, বাবাও এভাবেই ভাবতেন। একসময় বারবারা কোপলের সঙ্গে কাজ শুরু করি এবং সিনেমা নির্মাণ শিখি। তিনি আমাকে আত্মবিশ্বাস জোগান যে, একজন পরিচালক হিসেবে আমার কথা বলার সুযোগ আছে। এবং আমিও আমার পছন্দমতো কাজ খুঁজে পেলাম।
গ্রেগরি পেকের কথা থেকে
টেলিভিশনের কাজ
আমি টেলিভিশনে কাজ করি না। কারণ সিনেমা নিয়ে ব্যস্ত থাকি। আমি সিনেমাই করতে চাই। সিনেমা থেকেই আমার সব উপার্জন হয়। টেলিভিশনে কোনো কাজ করার জন্য সময় পাওয়া যায় কম এবং সেখানে সেন্সরশিপও অনেক বেশি।
আমি কখনো কোনো টেলিভিশন সিরিজ করব না। কারণ এখানে কোনো অভিনেতার চরিত্র নির্দিষ্ট করে দেয়া হয় এবং প্রতি সপ্তাহে তাকে ওই একই ধরনের অভিনয় করতে হয়। এ ধরনের কাজের প্রতি আমার কোনো আকর্ষণ নেই। (১৯৬০)
জীবন
পরিস্থিতি প্রতিকূল হলে আমি কঠিন ও সংগ্রামী হয়ে উঠতে পারি। আমি উচ্চাকাঙ্ক্ষী। আমার নিজের গৌরব আছে। জেদি ও দরকারমতো শক্ত হতে না পারলে দারুণ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ সিনেমার ব্যবসায় ৩০ বছর টিকতে পারব না। এ মনোভাব আমি হাটে-বাজারে সবসময় দেখিয়ে বেড়াই না। কিন্তু এটা ঠিক, চাইলেই আমাকে ঠেলে সরিয়ে দেয়া যাবে না। (১৯৭৪)
আমি পরিবর্তনকে বাধা দিই না। আমি জীবনের বিভিন্ন ঋতু, পরিবর্তনের প্রক্রিয়াকে ভালোবাসি। বয়স বাড়ার যে নাটক জীবনে ঘটে, সেটা নিয়ে আমি মুগ্ধ। (১৯৭৪)
৩০ বছর আগে আমার জীবনের খুব মারাত্মক বিপদ কিংবা উদ্বেগ নিয়ে এখন আমি হাসাহাসি করতে পারি। এখনো আমার জীবনে অনিরাপত্তা আছে— সবসময়ই ছিল— কিন্তু এখন আমি এগুলোকে জীবনের বিভিন্ন প্রেক্ষিত হিসেবেই দেখি। আমার কিছু চরম হতাশাময় অন্ধকার সময় ছিল, যখন আমি সিনেমা ছাড়ার জন্যও প্রস্তুত ছিলাম। কিন্তু পরিণত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষ আত্মবিশ্বাস অর্জন করে। সে বুঝতে পারে যে, নিজের সেরাটা করার জন্য সবসময়ই আরেকটা সুযোগ থাকে। আমি যৌবনকাল হারিয়ে যাওয়ার জন্য দুঃখিত হই না, বরং এই পরিণত হওয়াকে দেখি জীবনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো বোঝা এবং সেগুলো পরিপূর্ণভাবে উপভোগে করার সময় হিসেবে। (১৯৭৪)
যেমনটা আশা করি আমি, ততটা প্রাজ্ঞ নই। সামনের দিকে তাকানোর চেয়ে পেছনে আরো বেশি স্মরণ করার মতো ব্যাপার আছে। সবশেষে মনে করি, আমি একজন ঘরোয়া মানুষ। আমি আমার নাতিদের নিয়ে ভাবতে পছন্দ করি। শেষমেশ পরিবারই আপনার আপন। খ্যাতি, পুরস্কার এবং তাদের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ছাইভস্ম একসময় মলিন হয়ে যাবে। আপনার নিজের বলতে থাকবে শুধু একটা ভালো পরিবার এবং হয়তো কিছু ভালো কাজ। (২০০০)
পরিচালক
অনেক পরিচালক আছেন, যারা চিত্কার করে নির্দেশনা দেন। পুরো সেটে থাকা ৪০-৫০ জন মানুষের সবাই সেটা শুনতে পান। এতে সবাই তাত্ক্ষণিক সমালোচকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হন। পরিচালকের নির্দেশমতো আপনি সবকিছু ঠিকঠাক করতে পারছেন কিনা, সবাই সেটা বিচার করতে শুরু করে দেন। কিন্তু আমি সেই পরিচালকদের প্রশংসা করি, যারা নীরবে কাজ করেন। তারা শুধু অভিনেতার কানে পৌঁছানোর জন্যই কথা বলেন। (১৯৭৪)
হিচককের প্রসঙ্গ নিয়ে, মানুষ যেভাবে তাকে নিয়ে মাতামাতি করে, তাতে আমি কিছুটা ক্লান্ত। আমি হিচকককে ভালোবাসি... অভিনেতাদের কী খবর? অভিনেতাদের ওপর মনোযোগ দিন। (১৯৯৯)
গল্প বলা
যখন সিনেমার মাধ্যমে কোনো গল্প বলা হয়, তখন অভিনয়শিল্পী ও দর্শকদের মধ্যে এক ধরনের সম্পর্ক তৈরি হয়। দর্শকদের সাড়া একজন কাহিনীকার ও আমার মতো এন্টারটেইনারের জন্য জীবনীশক্তি। আপনি মাঝে মাঝে এমন গল্প বলেন, যা সাড়া পায় না। তখন নিজেকে বলেন, ‘এ গল্পটা আমি কেন বলতে গেলাম? এটা ফ্লপ। এ ধরনের গল্প আর কখনো বলা যাবে না।’ একজন এন্টারটেইনার এগিয়ে যান এবং নিজের ক্ষতকে সারিয়ে তোলেন। কিন্তু এন্টারটেইনার তো স্বপ্ন আর মায়া নিয়ে কাজ করেন। তিনি অবশ্যই খুব বাস্তববাদী মানুষ নন। তিনি আবার নতুন কী গল্প বলা যায়, তা নিয়ে ভাবতে শুরু করে দেন। (১৯৭৪)






