পরমতসহিষ্ণুতা, অসাম্প্রদায়িকতা, ধর্মীয় স্বাধীনতা প্রভৃতির অস্তিত্ব আছে কি নেই, এ বিষয়ে এখন পৃথিবীজুড়ে তুমুল তর্ক-বিতর্ক বিদ্যমান। কিন্তু আমরা লক্ষ্য করি না পৃথিবীতেই একটি স্থাপনা রয়েছে যেখানে কোনো না কোনো সময় ভিন্ন ভিন্ন ভাষা, বয়স, ধর্মের মানুষ এসেছে উপাসনার জন্য। এমনকি এসেছে অতীতকে দেখার জন্য। আরো অদ্ভুত ব্যাপার হলো স্থানটি নিছক একটা স্থাপনা নয়, বরং এক শৈল্পিক সৃষ্টি, যা শত শত বছরের ইতিহাস বহন করে চলেছে। পৃথিবীর অন্যতম এক আশ্চর্য, অমূল্য রত্নতুল্য সে স্থাপনার নাম ‘হায়া সোফিয়া’।

ক’দিন ধরে হায়া সোফিয়া নিয়ে যে ক্রমাগত আলোচনা হয়ে চলেছে তা একটি বিশেষ কারণে হলেও হায়া সোফিয়া মূলত সবসময়েই কৌতূহলী মানুষের আগ্রহের কেন্দ্রে ছিল। কেননা স্থাপনা হিসেবে দৃশ্যত হায়া সোফিয়া যতটা সুন্দর ও মনোলোভা, নির্মাণকাল হতে শুরু করে আজ অবধি হায়া সোফিয়া তার চেয়ে বেশি গল্প এবং কিংবদন্তি জড়িয়ে নিজেকে রহস্যময় করে রেখেছে।

হায়া সোফিয়া পৃথিবীর অন্যতম প্রাচীন স্থাপনা। বর্তমানে যে স্থাপনা দেখা যায় তা বারবার পরিবর্তিত হলেও মূল স্থাপনাটি সম্রাট জাস্টিনিয়ানের সময়ে তৈরি হয়েছিল। কিন্তু এর আগেও এ স্থানে দ্বিতীয় কনস্ট্যান্টিনিয়াস এবং দ্বিতীয় থিয়োডোসিয়াস গির্জা নির্মাণ করেছিলেন। বাইজেন্টাইন সম্রাট জাস্টিনিয়ানের সময়ে ৫৩২ খ্রিস্টাব্দে সংঘটিত নিকা বিদ্রোহে এই পুরনো স্থাপনা ভস্মীভূত হলে বিদ্রোহ দমনের পর সম্রাট এর পুনর্নির্মাণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন এবং প্রায় চার বছর দশ মাসে নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়।

দ্বিতীয় কনস্ট্যান্টিনিয়াসের সময়ের ম্যাগনা একলিসিয়া১ ভস্মীভূত হলেও সেই ধ্বংসাবশেষের অনেক কিছুই ব্যবহারযোগ্য ছিল বলে এর নির্মাণকাজ দ্রুত সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছিল। হায়া সোফিয়ার মতো স্থাপনা যা আজও টিকে আছে তা নিয়ে কিংবদন্তি থাকবে, এটাই স্বাভাবিক।

হায়া সোফিয়া সম্পর্কে প্রথম যে কিংবদন্তিটি উল্লেখ করা যায় তা হলো, হায়া সোফিয়া সম্পর্কে বাইজেন্টাইনদের বিশ্বাস এর নির্মাণসামগ্রী কোনো সাধারণ স্থাপনা হতে আসেনি, বরং এসেছে খোদ সলোমনের মন্দির হতে। প্রকোপিয়োসের২  ইতিহাস হতে জানা যায় হায়া সোফিয়ার নির্মাণ সমাপ্ত হলে সম্রাট জাস্টিনিয়ান একে সলোমনের উপাসনালয়ের সঙ্গে তুলনা করেন। প্রচলিত আছে নির্মাণ সমাপ্ত হলে ‘সলোমন, আমি আপনাকে অতিক্রম করে গেছি’ বলে সম্রাট জাস্টিনিয়ান চিত্কার করেছিলেন।

যদিও বর্তমান সময়ে এসে এ কথা বিশ্বাস করা হয় না যে জেরুজালেম হতে হায়া সোফিয়ার নির্মাণসামগ্রী আনা হয়েছিল। আসলে সম্রাট জাস্টিনিয়ান ওই কথা বলে প্রথমত, নিজেকে সলোমনের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন। দ্বিতীয়ত, সলোমনের মন্দিরের সঙ্গে হায়া সোফিয়ার কিছু সাদৃশ্য রয়েছে, যেমন দুটিই পবিত্র ভূমিতে নির্মিত এবং আজ অবধি পবিত্র বলে স্বীকৃত।

হায়া সোফিয়া সম্পর্কে প্রচলিত উপকথা কিংবা কিংবদন্তি কেবল এর নকশা, সৌন্দর্য বা বিশালতা নিয়ে নয়। এটিকে নিয়ে নানা সময়ে কিংবদন্তি তৈরি হয়েছে এবং প্রজন্মের পর প্রজন্ম তা পল্লবিত হয়েছে। কেননা নির্মাণ হতে শুরু করে আজ অবধি হায়া সোফিয়া বারবার পরিবর্তিত হয়েছে। প্রথমে ‘অর্থোডক্স ক্যাথেড্রাল’, এরপর ক্যাথোলিক ক্যাথেড্রাল, অটোমানদের বিজয়ের পর মসজিদ হিসেবে রূপ ধারণ করে। খিলাফতের সিলসিলা শেষ করে মোস্তফা কামাল আতাতুর্ক একে জাদুঘরে পরিণত করলেও ৮৬ বছর পর এরদোগান আবার হায়া সোফিয়াকে মসজিদে পরিণত করলেন। এমন হায়া সোফিয়া কিংবদন্তি মোড়া হবে এতে আর আশ্চর্য কী!

হায়া সোফিয়ার অন্যতম কিংবদন্তি জাস্টিনিয়ানের সঙ্গে যুক্ত। কথিত আছে জাস্টিনিয়ান যখন থিয়োডোসিয়াসের পুড়ে যাওয়া গির্জার পর নতুন করতে নির্মাণ করার সিদ্ধান্ত নেন, তিনি স্থান নির্বাচন করতে পারছিলেন না। এমনকি তার নিযুক্ত স্থপতিদের দেয়া পরিকল্পনায়ও তিনি সন্তুষ্ট হননি। এমন সময় একদিন উপাসনার সময় সম্রাটের হাতে ধরা ‘পবিত্র রুটি’র৩ টুকরো একটি মৌমাছি নিয়ে যায়। সাম্রাজ্যে সাজ সাজ রব পড়ে যায় সম্রাটের রুটি খোঁজার জন্য। সন্ধানকারীর জন্য পুরস্কার পর্যন্ত ঘোষিত হয়। শেষ পর্যন্ত একটি মৌচাকে মৌমাছি এবং রুটির টুকরো পাওয়া গেলে সবাই আশ্চর্য হয়ে লক্ষ করে মৌচাকটি একটি গির্জার মতো দেখতে। এই অবস্থায় সম্রাট বিশ্বাস করে নেন যে এটি দৈব নির্দেশ এবং এই মতেই গির্জা নির্মিত হবে।

আরেকটি প্রচলিত কিংবদন্তি অনুসারে সম্রাট জাস্টিনিয়ান স্বপ্নাদেশের মাধ্যমে এই গির্জার নকশা পেয়েছিলেন। স্থপতিদের দেয়া কোনো নকশাই সম্রাটের মনে দাগ না কাটায় অতৃপ্তি নিয়ে সম্রাট সেদিন বিছানায় গিয়েছিলেন। স্বপ্নে তিনি দেখেন হায়া সোফিয়া যেখানে তৈরি হবে সেখানে তিনি দাঁড়িয়ে আছেন এবং এমন সময় এক উজ্জ্বল সত্তা অর্থাৎ দেবদূত সেখানে উপস্থিত হয়। দেবদূত প্রথমে বামদিকে দৃষ্টি দেন এবং এক কোনায় গিয়ে স্থির হলে সম্রাট সেখানে পৌঁছে দেবদূতের হাতে একটি রুপার থালা দেখতে পান। সেখানে একটি গির্জার ছবি আঁকা। আশ্চর্যভাবে এই নকশাটিই সম্রাটের পছন্দ হয়ে গেলে তিনি ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করেন যেন ঘুম ভাঙার পরও নকশাটি তার মনে থাকে।

জাস্টিনিয়ানের প্রার্থনা লক্ষ করে দেবদূত তাকে রুপার থালাটি দিয়ে বলে, ‘তুমি এটি নিয়ে যাও এবং এই নকশা অনুসারে গির্জা নির্মাণ করো।’ 

এ তো গেল হায়া সোফিয়া তৈরি হওয়া এবং সেই সঙ্গে তত্কালীন সম্রাটকে জড়িয়ে থাকা কিংবদন্তি। এর বাইরেও হায়া সোফিয়ার এই বিশালত্ব, সময়ের সাথে বদলে যাওয়া, সাম্রাজ্যবাদীদের আক্রমণে সময়ের সাথে আরো অনেক কিংবদন্তি তৈরি হয়েছে।

সলোমনের দৈত্য কিংবা মাতা মেরির হাতের ছাপ

অনাদিকাল থেকে প্রায় সব ধর্মেই অশুভ শক্তিকে দূরে রাখতে তাবিজ-কবচের ব্যবহার হয়েছে। আর এক্ষেত্রে হাতের ছাপ একটি অন্যতম প্রাচীন ব্যবস্থা। পুণ্যবানের হাতের ছাপকে অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে রক্ষাকারী মনে করা হতো। ‘চ্যাটালহুক’-এ এর প্রমাণ পাওয়া যায়। এছাড়া প্রাচীন দৃষ্টান্ত খুঁজতে হলে ফ্রান্সের ‘শোভে’ এবং ‘ল্যাস্কো’র গুহায় অনেক হাতের ছাপ পাওয়া যাবে।৪

হায়া সোফিয়ার একটি স্তম্ভে (যা হতে পারে পুরনো গির্জার ধ্বংসাবশেষ থেকে প্রাপ্ত) একটি হাতের ছাপ পাওয়া যায় এবং অনেকেই বিশ্বাস করে এটি কুমারী মাতা মেরির হাতের ছাপ। আবার অন্যদিকে অনেকে বিশ্বাস করেন অনেক উঁচুতে থাকা হাতের এই ছাপ সলোমনের দৈত্যের। কেননা তারা এও বিশ্বাস করে যে হায়া সোফিয়ার নির্মাণসামগ্রী সত্যিই সলোমনের উপাসনালয় থেকে এসেছে।

স্তম্ভ কিংবা রক্ষাকবচ

হায়া সোফিয়ার মূল গম্বুজের স্তম্ভে থাকা দেবদূত সম্পর্কে কিংবদন্তি রয়েছে। বাইবেলে বর্ণিত প্রধান চার দেবদূত এই কিংবদন্তির অংশ। বলা হয়ে থাকে বছরে একবার গ্যাব্রিয়েল তার ডানা ঝাপটে উত্তরে কী ঘটছে সে সম্পর্কে খবর দেয় এবং এ বিষয়টি উর্বরতার সঙ্গে যুক্ত। মিখায়েল ডানা ঝাপটে পশ্চিমের ঘটনাবলি এবং শত্রুদের সম্পর্কে জানিয়ে দেয়। রাফায়েল তার ডানা ঝাপটে দক্ষিণের দূর-দূরান্তে কী ঘটছে তা জানিয়ে দেয়। চতুর্থ দেবদূত এরিয়েল তার ডানা ঝাপটে উত্তরের খবরাখর জানিয়ে দেয় কখন কোন শাসকের মৃত্যু হয়। এভলিয়া চেলেবির মতে বাইবেলের বর্ণনার সঙ্গে ক্যাথেড্রালের নকশার মিল দেখিয়ে ধর্মীয় বিশ্বাস পোক্ত করার জন্য এই চার দেবদূতকে স্তম্ভের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে।

থিয়োডরার শবাধার

সম্রাট জাস্টিনিয়ানের স্ত্রী থিয়োডরার রূপ সম্পর্কে অনেক কথা প্রচলিত। তিনি অতুল রূপের অধিকারিণী ছিলেন। জাস্টিনিয়ানের জীবনের অন্যতম চাঞ্চল্যকর ঘটনা ছিল থিয়োডরাকে বিয়ে করা। কেননা তত্কালীন রীতিবিরুদ্ধ এই বিয়ে সম্ভব করার জন্য তিনি দেশের আইনেও পরিবর্তন আনেন। থিয়োডরা সেকালের একজন বাইজি ছিলেন। এমনকি কথিত আছে তিনি আদতে দেহপসারিণী ছিলেন।

যেহেতু এককালে তিনি পতিতার কাজ করেছেন, পরবর্তীকালে সম্রাজ্ঞী হয়ে তিনি নারী, বিশেষত পতিতাদের অধিকার সংরক্ষণের ক্ষেত্রে সচেতন হন। এমনকি কনস্ট্যান্টিনোপলে পতিতাবৃত্তি নিষিদ্ধ করা হয়। এ বিষয়ে থিয়োডরা তার প্রভাব খাটিয়েছিলেন। পতিতালয় বন্ধ হয়ে গেলে তিনি সেই নারীদের পুনর্বাসনেরও ব্যবস্থা করেন। সম্রাজ্ঞীর এ কাজের ফলে জাস্টিনিয়ানের সাম্রাজ্যে নারীদের মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত হয়। এ ঘটনা থেকে সম্রাটের ওপর তার স্ত্রীর প্রভাবও নিশ্চিত হওয়া যায়।

বাস্তব জীবনে সাহসী থিয়োডরা মৃত্যুকে ভয় না পেলেও মৃত্যুর পরের কথা ভেবে ভয় পেতেন। তার বিশ্বাস ছিল মৃত্যুর পর নেকড়েরা তার শব ছিঁড়ে খাবে। সম্রাজ্ঞী একজন পাদ্রিকে এ কথা জানালে তিনি পরামর্শ দেন হায়া সোফিয়ার প্রবেশদ্বারের ওপর একটি সিসার তৈরি শবাধার রাখা হবে এবং এখানেই শায়িতা হবেন সম্রাজ্ঞী। সে অনুসারে কাজ হয়েছিল, কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে সেই সিসার শবাধার ভেদ করে দুটি সাপ সেখানে ঢুকে পড়েছিল।

হায়া সোফিয়ার সেই দরজার ওপর এখনো সেই ছিদ্রগুলো দেখা যায়।

আশ্চর্য স্তম্ভ

কথিত আছে সম্রাট জাস্টিনিয়ান মাথাব্যথায় ভুগতেন। কোনো উপায়ে সে রোগ উপশম করা সম্ভব হয়নি। মাঝে মাঝে ব্যথা অসহ্য বোধ হলে তিনি হায়া সোফিয়ায় গিয়ে ঈশ্বরের কাছে ব্যথামুক্তির প্রার্থনা করতেন। একদিন প্রার্থনা করতে করতে তিনি ক্লান্ত হয়ে একটি স্তম্ভে মাথা রেখে ঘুমিয়ে পড়েন। সেন্ট গ্রেগোরির দ্বারা পবিত্র সে স্তম্ভে মাথা রেখে ঘুমানোর পর জাস্টিনিয়ানের মাথাব্যথা সেরে যায়। এ কথা ছড়িয়ে পড়লে মানুষ হায়া সোফিয়ায় এসে সে স্তম্ভ স্পর্শ করে নিজেদের রোগমুক্তির প্রার্থনা করত।

সুড়ঙ্গপথ

কথিত আছে হায়া সোফিয়ার নিচ থেকে সুড়ঙ্গপথ কনস্ট্যান্টিনের প্রাসাদের সঙ্গে যুক্ত ছিল। কিংবদন্তি আরো বলে যে অটোমান সম্রাটরা সহজে যুদ্ধ জয় করার জন্য সুড়ঙ্গ কেটেছিলেন যেন সহজে হায়া সোফিয়ায় পৌঁছতে পারেন।

গল্পের গরু তখন গাছে ওঠে যখন বলা হয় হায়া সোফিয়ার এই সুড়ঙ্গ ধরে প্রিন্সেস আইল্যান্ডে পৌঁছনো যায়। এটি অতিকল্পনা, কেননা এর অর্থ হলো এই সুড়ঙ্গ মর্মর সাগরের তলদেশ দিয়ে যায় যা অসম্ভব।

জাদুকরী মার্বেল পাথর

হায়া সোফিয়া নির্মাণের সময় সম্রাট তার সাম্রাজ্যের সব অঞ্চলে ঘোষণা করে দেন সেখানকার প্রশাসকরা যেন উত্কৃষ্ট মার্বেল পাথর পাঠিয়ে দেয়। তারা সে কথা অনুসারে কাজ করেছিলেন এবং হায়া সোফিয়া সেই পাথরে চমত্কার করে সজ্জিত হয়েছে। কিন্তু কিংবদন্তি বলে এসব পাথর কেবল দেখতেই সুন্দর নয় এর রয়েছে দৈব ক্ষমতা। এসব পাথরের কোনো কোনোটি ভবিষ্যৎ বলতে সক্ষম।

পৃথিবীর যে কোনো বৃহৎ, প্রাচীন, মহৎ স্থাপনার সঙ্গে জড়িয়ে থাকে অনেক কিংবদন্তি। হায়া সোফিয়া তার ব্যতিক্রম নয়। মূলত দীর্ঘ সময় ধরে নানা পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাওয়া পৃথিবীর অন্যতম শৈল্পিক এই স্থাপনা এখনো নিজেকে ধরে রেখেছে নিজ গুণে। স্তম্ভে স্তম্ভে দৃঢ়তা, গম্বুজে প্রশান্তি, প্রতিটি পাথরের গায়ে ফেলে আসা সময়ের স্মৃতি, প্রতিটি বাঁক আর কোণে নানা রহস্য আর নিজেকে ঘিরে অসংখ্য কিংবদন্তি নিয়ে এক জাজ্বল্যমান বাস্তব হয়ে দাঁড়িয়ে আছে হায়া সোফিয়া। পরিচয় বদলে যায়, কিন্তু হায়া সোফিয়া টিকে থাকে কালের সাক্ষী হয়ে।

 

নোট:

১. উপাসনালয়ের তত্কালীন নাম

২.         প্রোকোপিয়স, তত্কালীন ইতিহাসবিদ।

     Prokopios, Byzantium’s Secret History. Çev. O. Duru, Istanbul, 2008, s.38-40.

৩. ক্যাথোলিক খ্রিস্টানদের ‘ইউক্যারিস্ট’ উপলক্ষে তৈরি রুটি।

৪. ফ্রান্সের প্রাচীন গুহা

     Erhan, A. Ve Pelin, Ç. (2016). Ayasofya’ Gizli Tarihi. Istanbul: Beyaz Baykui, ss.’51-52.

 

মাহমুদুর রহমান: লেখক