দেবদাস বই হয়ে প্রথম প্রকাশিত হয় ৩০ জুন ১৯১৭; বইটি লেখা হয় আরো অনেক আগে, শরত্চন্দ্রের বয়স যখন ১৭ বছর। শরত্ জন্মগ্রহণ করেছেন ১৫ সেপ্টেম্বর ১৮৭৬, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মের ১৫ বছর ৪ মাস পর। বিত্তের এতটুকু ছোঁয়াও ছিল না তার ভবঘুরে বাবা মতিলাল চট্টোপাধ্যায়ের সংসারে, কিন্তু শরত্ পেয়ে গেলেন চিত্তের অফুরান বৈভব। তিনি বেশ বুঝে ফেললেন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো জ্ঞান-কৃপণ, ঐশ্বর্য-কৃপণ; আসলে জ্ঞান, ঐশ্বর্য, আনন্দ ও তৃপ্তি ছড়িয়ে আছে খোলা আকাশের নিচে, মানুষের কাছে।

বয়স তখনো এক কুড়ি হয়নি। তাকে লিখতে হলো:

‘একদিন বৈশাখের দ্বিপ্রহরে রৌদ্রেরও অন্ত ছিল না, উত্তাপেরও সীমা ছিল না। ঠিক সেই সময়টিতে মুখুয্যেদের দেবদাস পাঠশালা ঘরের এককোণে ছেঁড়া মাদুরের ওপর বসিয়া স্লেট হাতে লইয়া চক্ষু চাহিয়া বুজিয়া, পা ছড়াইয়া, হাই তুলিয়া অবশেষে হঠাত্ খুব চিন্তাশীল হইয়া উঠিল; এবং নিমিষে স্থির করিয়া ফেলিল যে এই পরম রমণীয় সময়টিতে মাঠে মাঠে ঘুড়ি উড়াইয়া বেড়ানোর পরিবর্তে পাঠশালায় আবদ্ধ থাকাটা কিছু নয়।’

দেবদাস একাই নয়, এই বিদ্যাপীঠের একটি বালিকা পার্বতীও যোগ দেয় তার সঙ্গে: ‘এ দুটি বালক-বালিকার আমোদের সীমা নাই— সমস্ত দিন ধরিয়া রোদে ঘুরিয়া বেড়ায়, সন্ধ্যায় ফিরিয়া আসিয়া মারধর খায়, আবার সকালে ছুটিয়া পালাইয়া যায়— আবার তিরস্কার প্রহার ভোগ করে। রাত্রে নিশ্চিন্ত-নিরুদ্বেগে নিদ্রা যায়।’

একালের হিসাবে শরত্চন্দ্রও তখন বয়ঃসন্ধিতেই, পার্বতী তখন ১৩ বছরে পা দিয়েছে। শরত্ তাকে দেখলেন নিজের চোখে এবং তার আত্মীয়স্বজন ও প্রতিবেশীর চোখে: ‘... এই বয়সে শারীরিক সৌন্দর্য অকস্মাত্ কোথা হইতে ছুটিয়া আসিয়া কিশোরীর সর্বাঙ্গ ছাইয়া ফেলে। আত্মীয়স্বজন হঠাত্ একদিন চমকিত হইয়া দেখিতে পান যে তাহাদের ছোট মেয়েটি বড় হইয়াছে। তখন পাত্রস্থ করিবার জন্য বড় তাড়াহুড়া পড়িয়া যায়।’

শরত্চন্দ্রের প্রথম সর্বভারতীয় পরিচিতি এনে দেয় তারই খারিজ করে দেয়া উপন্যাস ‘দেবদাস’। ভাগলপুরে বসবাসকালে লেখা দেবদাসসহ আরো কিছু রচনা বন্ধুবান্ধবদের কাছে রেখে শরত্চন্দ্র দীর্ঘ সময়ের জন্য রেঙ্গুন চলে যান। বন্ধু প্রমথনাথ ভট্টাচার্য চাইলেন, দেবদাস ধারাবাহিকভাবে ভারতবর্ষে ছাপা হোক। তিনি শরেক চিঠি লেখেন।

শরত্চন্দ্র সম্মতি দেননি। এমনিতেই তিনি তার প্রথম দিককার লেখা প্রকাশের বিরোধী ছিলেন। তিনি প্রমথনাথকে লিখলেন: ‘দেবদাস ভালো নয় প্রমথ, ভালো নয়। সুরেনরা আমার সব লেখারই তারিফ করে, তাদের ভালো বলার মূল্য আমার লেখা সমন্ধে নাই। ওটা ছাপা হয় তাও আমার ইচ্ছা নয়।’

আবার তাকে লিখেছেন: ‘বইটা একেবারে মাতাল হইয়া বোতল বোতল খাইয়া লেখা। লেখাগুলো পর্যন্ত আঁকাবাঁকা। যা মনে আসিয়াছিল তাই লিখিয়াছি।’

শরত্চন্দ্র তার সেই কম বয়সের সৃষ্টি দেবদাসকে বলেছেন ইমমোরাল— অনৈতিক। ‘ওটার জন্য আমি নিজেও লজ্জিত। ...বেশ্যা চরিত্র তো আছেই, তা ছাড়া আরো কি কি আছে বলে মনে হয় যেন।’

কিন্তু প্রমথনাথ তাকে ছেড়ে দেয়ার নন। ১৯১৭ সালে শরত্চন্দ্র আবার দেবদাস নিয়ে বসলেন, পুনর্লিখন করলেন। ১৩২৩ বঙ্গাব্দের চৈত্র ও ১৩২৪ সালের বৈশাখ, জ্যৈষ্ঠ ও আষাঢ় সংখ্যা ভারতবর্ষে প্রকাশিত হলো এবং ২ হাজার টাকা সম্মানী নিয়ে প্রকাশককে পাণ্ডুলিপি দিয়ে দেন; ৩০ জুন ১৯১৭ দেবদাস গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।

অভাবনীয় সাফল্য দেবদাসের। দেবদাস এমন একটা আবহ সৃষ্টি করল যেন প্রেমের একমাত্র পরিণতি করুণ ট্র্যাজেডি। রোমিও-জুলিয়েট আখ্যানের মতোই দেবদাস-পার্বতী কাহিনীর বিষাদ বাংলায় তো বটেই, সারা ভারতে ছড়িয়ে পড়ে।

তালসোনাপুর গ্রামের প্রতিবেশী দুটি ব্রাক্ষণ পরিবারের সন্তান দেবদাস ও পার্বতীর পরস্পরের প্রতি ভালোবাসার এতটুকু ঘাটতি ছিল না— ‘পার্বতী দেবদাসের পায়ের ওপর মাথা রাখিয়া অবরুদ্ধস্বরে বলিয়া উঠিল— এইখানে একটু স্থান দাও দেবদা।’

দেবদাসের বাবা নারায়ণ মুখোপাধ্যায় এবং মা হরিমতি দুজনই মেয়েটিকে স্নেহ করতেন; পার্বতীর মা যখন হরিমতির কাছে প্রস্তাবটি রাখেন, ব্রাহ্মণ হলেও তাদের পরিবারে কনে পণ আদায়ের প্রচলন থাকায় তা ছোট ঘর হিসেবে বিবেচিত হয় এবং প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যাত হয়। অপমানিত বোধ করে পার্বতীর বাবা নীলকণ্ঠ চক্রবর্তী অধিকতর ধনী হাতীপোতার বিপত্নীক বয়স্ক জমিদার ভুবন চৌধুরীর সঙ্গে বিয়ে ঠিক করে ফেললেন। ‘বরের বয়স চল্লিশের নিচে নহে— কিছু উপর। গৌর বর্ণ, মোটাসোটা নন্দদুলাল ধরনের শরীর, কাঁচা পাকা গোঁফ, মাথার সামনে একটু টাক।’ পারু যার কাছে যাবে তিনি ধনবান, বুদ্ধিমান, শান্ত ও স্থির। তিনি ধার্মিক। দেবদাসের মতো ‘অজ্ঞান, চঞ্চলচিত্ত ও দুরন্ত’ যুবকের হাতে তো আর মেয়ে তুলে দেয়া যায় না।

দেবদাস কলকাতা চলে গেল, রাতটা কাটল কলিকাতা ইডেন গার্ডেনের একটি বেঞ্চের ওপর বুকে জমাট বাঁধা ঔদাস্য নিয়ে।

ওদিকে ‘পাবর্তীর কিন্তু বুক ফাটিয়া যাইতে লাগিল। মুখে কাপড় দিয়া, নিঃশ্বাস রুদ্ধ করিয়া মনে মনে বলিল, দেবদাদা তুমি আমাকে ভালোবাসিতে—তাই দয়া করে আমাদের বাল্য ইতিহাস ললাটে লিখে দিয়েচ। আমার লজ্জা নয়, কলঙ্ক নয়, আমার গৌরবের সামগ্রী।’

&dquote;&dquote;

পারুর ললাটের এই চিহ্ন দেবদাসের দুরন্তপনা ও নির্মমতার স্বাক্ষর। হয়তো নিজস্ব কোনো গোপন ক্ষতধারী চুনি লাল উপশম লাভের জন্য দেবদাসকে চন্দ্রমুখীর সঙ্গে মিলিয়ে দেয়। চন্দ্রমুখী পেশাগত দেহজীবী, কিন্তু তার ভেতরে অসামান্য এক নারী; সে দেবদাসকে শেখায়— যে যথার্থ ভালোবাসে সে সহ্য করে।

পিতার মৃত্যুর খবরে দেবদাস কলকাতা থেকে গ্রামে আসে; পার্বতীও আসে। ভগ্ন ও বিধ্বস্ত দেবদাসকে দেখার পরের একটি হূদয়ছোঁয়া দৃশ্য:

‘পার্বতী: তবে আমার কাছে চল; এখানে তোমাকে দেখবার যে কেউ নেই!

দেবদাসের জবাব: তোর বাড়ি গেলে খুব যত্ন করবি?

আমার ছেলেবেলার সাধ। স্বর্গের ঠাকুর। আমার এ সাধটি পূর্ণ করে দাও। তারপর মরি— তাতেও দুঃখ নেই। এবার দেবদাসের চোখেও জল আসিয়া পড়িল।

পার্বতী পুনরায় কহিল, দেবদা আমার বাড়ি চল।

দেবদাস চোখ মুছিয়া কহিল, আচ্ছা যাব।

আমাকে ছুঁয়ে বল, যাবে।

দেবদাস অনুমান করিয়া পার্বতীর পদপ্রান্ত স্পর্শ করিয়া বলিল, এ কথা কখনও ভুলব না। আমাকে যত্ন করলে যদি তোমার দুঃখ ঘোচে— আমি যাব। মরবার আগেও আমার এ কথা স্মরণ থাকবে।’

দেবদাস যখন আঁচ করল মৃত্যু অনতিদূরে, প্রতিশ্রুতি পূরণের জন্য হাতীপোতা রওনা হলো। প্রচণ্ড শীতের রাতে জমিদারবাড়ির বাইরে দেবদাস মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ল। পারিবারিক বাধার কারণে পার্বতীর আর তার কাছে পৌঁছা হলো না।

একালের দেবদাস হয়তো মা-বাবার তোয়াক্কা না করে পার্বতীকে নিয়ে সংসার শুরু করে দিত কিংবা এ অধ্যায়টি মুছে নতুন পার্বতীর সন্ধানে নেমে পড়ত— পার্বতীর বেলায়ও এটিই সত্য। মানুষের কর্মকৌশল বদলেছে কিন্তু কষ্টের মানচিত্র একটুও বদলায়নি।

দেবদাসের মানে দাঁড়িয়েছে প্রেমব্যর্থ যুবক, যে নিজের জীবনটা ধ্বংস করে দেয়। সেকালের অনেক উপন্যাসের মতো শরত্চন্দ্রও উপসংহার টেনেছেন: ‘তবুও যদি দেবদাসের মত এমন হতভাগ্য, অসংযমী পাপিষ্ঠের সহিত পরিচয় ঘটে, তাহার জন্য একটু প্রার্থনা করিও... যেন একটিও করুণাদ্র স্নেহময় মুখ দেখিতে দেখিতে এ জীবনের অন্ত হয়। মরিবার সময় যেন কাহারও এক ফোঁটা চোখের জল দেখিয়া সে মরিতে পারে।’

কেবল বাংলায় নয়, উপমহাদেশের কোনো ভাষায় লেখা উপন্যাস দেবদাসের মতো এতবার চলচ্চিত্রায়ণ হয়নি। নির্বাক যুগে ১৯২৮ সালে নরেশ মিত্র প্রথম দেবদাস সিনেমা বানালেন। দেবদাস চরিত্রে ফনি শর্মা আর পার্বতী তারকবালা; নিহারবালা বা মিস পারুল (তিনি দুই নামেই পরিচিত) হলেন চন্দ্রমুখী। এগিয়ে এলেন প্রমথেশ বড়ুয়া। তিনি দেবদাস পর্দায় আনবেন, সবাক। শরত্চন্দ্র বললেন, না।

বিষ্ণু প্রভাকর লিখেছেন:

গৌরীপুরের রাজকুমার প্রমথেশ বড়ুয়া যখন দেবদাস চলচ্চিত্রায়িত করার জন্য শরত্চন্দ্রের কাছে অনুমতি চাইতে গিয়েছিলেন, শরত্চন্দ্র প্রথমত অসম্মত হয়েছিলেন। বলেছিলেন, ‘আমার দেবদাস বড় ভাবুক। তাকে চলচ্চিত্রায়িত করা বড় সহজ নয়। আমি তোমায় কোনোমতেই অনুমতি দিতে পারি না। আমার লেখা আরো তো উপন্যাস আছে, তার মধ্যে থেকে যা ইচ্ছে হয় বেছে নাও। দেবদাস আমি তোমায় ছুঁতেও দেব না। আমার দেবদাস বড় ইমোশনাল।’

প্রমথেশ বড়ুয়া হতাশ হননি, তিনি হাল ছাড়েননি। শেষ পর্যন্ত শরত্চন্দ্র শর্তযুক্ত সম্মতি প্রদান করেন।

‘আমি তোমায় দেবদাস ছবি তৈরি করার অনুমতি দিতে পারি, তবে সিনেমায় তাকে বাস্তবিক যথার্থ রূপ তোমায় দিতে হবে। আমার পূর্ণ বিশ্বাস দেবদাসের নাম ভূমিকায় তুমি খাঁটি অভিনয় করবে। কিন্তু পারু ও চুনি লালের ভূমিকাও তো কম উল্লেখযোগ্য নয়। সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে।’

প্রথমদিকে দেবদাসের শুটিং সেটে শরত্চন্দ্র হাজির হতেন। তার বিশ্বাস জন্মায় যে, প্রমথেশ বড়ুয়া কোনো ফাঁকি দিচ্ছেন না, নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন। প্রমথেশ বড়ুয়া একই সঙ্গে ছবির পরিচালক ও নায়ক, যমুনা বড়ুয়া পার্বতী এবং চন্দ্রমুখী চরিত্রে চন্দ্রাবতী দেবী। ১৯৩৫ সালে বাংলা সবাক দেবদাস মুক্তি পেল। প্রমথেশ শরত্চন্দ্রকে নিয়ে এলেন। ছবি দেখে শরত্ মুগ্ধ। তিনি প্রমথেশকে আশীর্বাদ করলেন। ছবি হিট করল।

১৯৩৬-এ হিন্দি দেবদাস। পরিচালক প্রমথেশ, কিন্তু নায়ক তিনি নন। দেবদাস চরিত্রে এসেছেন বিখ্যাত নায়ক ও গায়ক কে এল— কুন্দন লাল সায়গল। পার্বতী যমুনা, কিন্তু চন্দ্রমুখী রাই কুমারী। হিন্দি দেবদাস সুপারহিট।

১৯৩৭-এ আসামি ভাষায় দেবদাস। পরিচালক প্রমথেশ, নায়ক ফনি শর্মা, পার্বতীর ভূমিকায় জুবাইদা এবং চন্দ্রমুখী হলেন মোহিনী।

১৯৩৬-এ তামিল দেবদাস মুক্তি পেল। এখানে কিন্তু পরিচালক প্রমথেশ নন। পরিচালক ও নায়ক রাও। ছবিটি তৈরি হলো নিউ থিয়েটারের ব্যানারে।

নাগেশ্বর রাও দেবদাস আর সাবিত্রী পার্বতী— ভেদান্তাম রাঘাভাই ১৯৫৩ সালে তেলেগু ও তামিল ভাষায় দেবদাস বানালেন।

১৯৫৩-এর দেবদাস খুব স্মরণীয়। ছবি বানিয়েছেন বিমল রায়, দেবদাস হয়েছেন দিলীপ কুমার, সুচিত্রা সেন পার্বতী আর বৈজয়ন্তীমালা চন্দ্রমুখী।

১৯৬৫-তে হলো উর্দু দেবদাস, পাকিস্তানে। পরিচালক খাজা সরফরাজ। দেবদাস হলেন হাবিব তালিশ, পার্বতী হলেন শামীম আরা আর নাইয়ার সুলতানা চন্দ্রমুখী। ১৯৭৪-এ তেলেগুতে, ১৯৮৯-তে মালায়লম ভাষায় দেবদাস তৈরি হলো।

সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, সুমিত্রা মুখার্জি আর সুপ্রিয়া চৌধুরীকে নিয়ে দিলীপ রায় বানালেন বাংলা দেবদাস ১৯৭৯ সালে।

বাংলাদেশে দেবদাস তৈরি হলো দুবার— ১৯৮২ ও ২০১৩ সালে, চাষী নজরুল ইসলামের হাতে, প্রথমবার দেবদাস বুলবুল আহমেদ, দ্বিতীয়বার শাকিব খান। পার্বতী যথাক্রমে কবরী ও অপু বিশ্বাস আর চন্দ্রমুখী আনোয়ারা ও মৌসুমী।

২০০২ সালে শক্তি সামন্তও দেবদাস বানালেন। তার ছবিতে থাকলেন প্রসেনজিত্, অর্পিতা পাল ও ইন্দ্রানী হালদার।

শাহরুখ খান, ঐশ্বরিয়া রাই আর মাধুরী দীক্ষিতকে নিয়ে সঞ্জয় লীলা বানসালি ২০০২ সালে হিন্দিতে যে দেবদাস বানালেন, তাতে একই সঙ্গে শরত্চন্দ্র ও দেবদাসের পুনর্জন্মের মতো ব্যাপার ঘটল। উপমহাদেশে ও মধ্যপ্রাচ্যে সিনেমাপ্রেমী খুব কম পরিবার আছে, যারা এ দেবদাস দেখেনি।

২০০৯ সালেও দেবদাস হলো অনুরাগ কাশ্যপের হাতে, ২০১০-এ উর্দুতে করলেন ইকবাল কাশ্মীরি।

শরত্চন্দ্রের দেবদাস উপমহাদেশের সিনেমা শিল্পের জাগরণে একটি ভূমিকা রাখতে পেরেছে।