প্রতিটি শহরের গড়ে ওঠার পেছনে থাকে বিস্তর গল্প। সেই গল্প ছড়িয়ে থাকে সমাজ-অর্থনীতি থেকে শুরু করে ধর্ম, সংস্কৃতি ও ভূরাজনৈতিক পরিমণ্ডলে, যা কখনো কোনো বিশেষ ব্যক্তি কিংবা সামষ্টিক অবদানকেও উন্মোচন করে। সিলেট বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ বিভাগীয় শহর। দুর্যোগপ্রবণ পাহাড়ি অঞ্চল বিবেচনায় এ শহর ভৌগোলিক তাত্পর্যেই শুধু নয়, বরং অঞ্চলভিত্তিক ধর্মীয় গুরুত্বের ঐতিহাসিক সূত্রপাতের মানদণ্ডেও অনন্য। তার নজির হিসেবে সিলেট শহরের ঠিক কেন্দ্রে অবস্থিত হযরত শাহ জালাল (র.)-এর সমাধি আজও এক প্রভাবশালী স্থাপনা। সাধারণভাবে সমাধিটি পরিচিত দরগাহ বা মাজার নামে। ধর্মীয় প্রেক্ষাপটে স্মরণাতীত কাল থেকে স্থাপনাটি পবিত্র স্থান হিসেবে কেবল স্থানীয়দেরই নয়, শহরের বাইরে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষকেও আকর্ষণ করেছে। এভাবে স্থাপনাটি পরিণত হয়েছে অন্যতম তীর্থস্থানে। দরগার চত্বরসহ সারা শহর বছরজুড়ে জনমুখর থাকে। এর স্থানিক গুরুত্ব শহরের অন্যান্য অংশের প্রধান রাস্তাগুলোর সঙ্গে এর সংযুক্তির ক্ষেত্রে কিংবা দেশের অন্যান্য স্থানের সঙ্গে যোগাযোগের বিষয়টিতে মুখ্য ভূমিকা পালন করেছে। সিলেট নগরীর পত্তন আর বিন্যাসগত কাঠামোয় ঐতিহাসিকভাবেই এ স্থানের আধ্যাত্মিকতার প্রভাব আছে। উপরন্তু পরিবর্ধিত শহরের পরিকল্পনা বিন্যাসেও দরগাহর কেন্দ্রভুক্তি স্বতঃস্ফূর্তভাবেই পরিলক্ষিত হয়।
বাংলাদেশের ষষ্ঠ প্রশাসনিক বিভাগ হিসেবে ১ আগস্ট ১৯৯৫ সালে ঘোষণা করা হয় সিলেটের নাম। এ বিভাগ দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের চারটি জেলা সিলেট, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার নিয়ে গঠিত। বর্তমান সিলেট শহর বাংলায় প্রাদেশিক শাসনের সময়ও সুপরিচিত ছিল। মুসলিম শাসনের সময় সরকারি নথিপত্র ও ঐতিহাসিক লেখায় সিলেটকে জালালাবাদ নামে চিহ্নিত করা হতো। ধর্মীয় প্রসার সম্পর্কে বলা হয় ‘বাংলায় এমন কোনো শহর বা গ্রাম ছিল না, যেখানে সুফিরা আগমন করেননি কিংবা বসতি গড়েননি’ (ইটন, ১৯৯৩)। সিলেট অঞ্চলে বসতি স্থাপনের ইতিহাস এরই মধ্যে বেশকিছু গবেষণা হয়েছে। ভূরাজনৈতিক কারণে কিংবা ধর্ম প্রচারের সূচনা আলোচনায় শিলাহট বা শ্রীহট্ট হিসেবে সিলেটের নাম এসেছে বিখ্যাত পণ্ডিতদের লেখায়। খান (২০০৮)-এর মতে, প্রথম দিকের মুসলিম পর্যটকরা বাংলায় আসতেন পারস্য উপসাগর এবং তাইজ, বালুচিস্তান, থাট্টার ও সিন্ধু বন্দর হয়ে। সেখান থেকে তারা গুজরাট, কলকাতা ও মাদ্রাজে এবং পরে ব-দ্বীপে ছড়িয়ে পড়তেন। প্রধান সুফি শাহ জালালের আগমনের অনেক আগেই সিলেট (তখন পরিচিত ছিল শিলাহট নামে) ছিল তাদের কর্মকাণ্ডের প্রধান কেন্দ্র।
এ বক্তব্যের সমর্থনে অধিকাংশ লেখা ও সুফি বিবরণীতে বাংলায় প্রথম দিককার সুফি এবং সিলেট ইতিহাসের প্রধানতম চরিত্র হিসেবে এসেছে শাহ জালাল (র.) প্রসঙ্গ। খানের ভাষ্যমতে, তার পূর্ণ নাম ছিল শায়খুল মাশায়েখ মখদুম শায়েখ জালাল উদ্দীন আল মুজররাদ ইবনে মুহম্মদ। যিনি হযরত শাহ জালাল নামে সমধিক পরিচিতি লাভ করেন। তার সিলেট আগমন, সেখানে অবস্থানকাল কিংবা ওফাতের কিংবা ত্যাগের তথ্য যথাযথভাবে লিপিবদ্ধ করা হয়নি। এমনকি বিদ্যমান তথ্যগুলোও অনেক ক্ষেত্রে বিতর্কের ঊর্ধ্বে নয়। কিন্তু ওই অঞ্চলে জীবনের শেষ সময়কাল পর্যন্ত তার অবস্থান করাটা মরক্কোর বিখ্যাত পর্যটক ইবনে বতুতা (মৃত্যু-১৩৭৭) স্পষ্টভাবেই লিপিবদ্ধ করে রেখেছেন। শাহ জালালের সঙ্গে তিনি ১৩৪৫ সালে সাক্ষাৎ করেন এবং সেই ঘটনা তুলে ধরেন এভাবে—শায়খ ছিলেন শ্রেষ্ঠ সুফিদের একজন। তার ব্যক্তিত্ব ছিল অতুলনীয়। তিনি মহৎ কর্মের পাশাপাশি কারামত দেখানোর কারণেও মানুষের মাঝে সমাধিক পরিচিত ছিলেন। ... এই পার্বত্য অঞ্চলের মানুষ তার হাতেই ইসলাম গ্রহণ করেছে। এ কারণেই তিনি তাদের মধ্যেই বসবাস করতেন।
সুফি শাহ জালাল এবং তার সঙ্গীদের মাধ্যমেই এ অঞ্চলের অধিকাংশ মানুষ পূর্ববর্তী হিন্দু, বৌদ্ধ বা প্যাগান বিশ্বাস থেকে ইসলামের দুনিয়ায় প্রবেশ করে। তার অল্প কিছুদিনের মধ্যেই সিলেট বাংলায় ইসলামের প্রাণকেন্দ্রে পরিণত হয়। তার ওফাতের সময়কাল আনুমানিক ১৩৫০ খ্রিস্টাব্দের কাছাকাছি। বর্তমান সিলেট শহরের কেন্দ্রে প্রতিষ্ঠিত মসজিদ কমপ্লেক্সের পাশেই তার সমাধি, পরিচিত দরগাহ-ই শাহ জালাল নামে। দরগাহ সম্পর্কে বলা হয়, সিলেট শহরে শাহ জালালের মাজারের খাদেমদের জন্য প্রথম দান ছিল মাদাদ-ই মাশ।
তারিখ ১১ আগস্ট, ১৬৬৩ সাল। লিখিত নথিতে দেখা যায় মাজারে থাকা ধার্মিকদের জন্য ৭৮ দশমিক ২ একর দান করা হয়েছে। (প্রাগুক্ত, পৃষ্ঠা ৩৫৩)। দরগার ইতিহাস ও এ অঞ্চলের জন্য এর গুরুত্ব বিবেচনায় পরবর্তী সময়ে এটি সিলেটে বসতি স্থাপনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক হিসেবে ভূমিকা রাখতে পারে। সময়ের ব্যবধানে বর্তমানে দরগাটি নাগরিক সজ্জায় সজ্জিত। এখন পর্যন্ত গভীরভাবে সম্মানিত শাহ জালাল। দেশ ও দেশের বাইরে থেকে পর্যটকরা আসে তার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করতে।
কোন অঞ্চলে বসতি স্থাপনের ইতিহাস সবসময় ওই অঞ্চলের সামাজিক রীতি, মূল্যবোধ, সংস্কৃতি ও ধর্মীয় বিশ্বাস দ্বারা প্রভাবিত। সব ঐতিহাসিক বিবরণীতে উন্নত নগর হিসেবে সিলেটের বৃদ্ধি বেশ সুসংহত। প্রসিদ্ধ ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক ব্যক্তি হিসেবে হযরত শাহ জালাল (র.)-এর দরগাহের অবস্থান শহরের ঠিক কেন্দ্রে হওয়ার কারণে এটি সময়ের পরিক্রমায় শান্তিকামী মানুষের ঠিকানায় পরিণত হয়েছে।
বর্তমান দরগাহ চত্বরের মধ্যে একটি মসজিদ ও সুফি শাহ জালালের মাজার অবস্থিত। সিলেট শহরে এ স্থানকে কেন্দ্র করে জালের মতো ছড়িয়ে রয়েছে রাস্তা। এরই মধ্যে বলা হয়েছে শাহ জালালের দরগা উত্তর অঞ্চলের সবচেয়ে প্রাচীন ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোর একটি। ফলে যখনই শহরের গঠন-কাঠামোর প্রসঙ্গ আসে, তখনই পেছনে হাজির থাকা ‘উৎসজনিত নিয়ামক’ এবং ‘বৃদ্ধিজনিত নিয়ামক’ (ফেব্রা, ১৯৩২) গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
এক্ষেত্রে নগরায়ণের তত্ত্বকে আলোচনা করা যায় রিয়াজ হাসান ও ইবনে খালদুনের মতো পণ্ডিতদের দেয়া ধর্মীয় তত্ত্বের নিরিখে। ইসলাম প্রসারের সূচনা হিসেবে বিভিন্ন নগরীর প্রতিষ্ঠাকে তারা সামনে এনেছেন। দেখিয়েছেন ধর্ম কীভাবে নতুন অনুসারী তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। ‘ইসলাম অন্যান্য যেকোনো সম্পর্কের চেয়েও টেকসই সামাজিক বন্ধন তৈরি করেছে...ফলে নগরায়ণের জন্য প্রয়োজনীয় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদানটিই ইসলাম থেকে এসেছে (হাসান, ১৯৭২, ১০৮-৯)। অর্থাৎ বর্তমান সিলেট নগরীর উত্থানের পেছনে পবিত্র ভূমি হিসেবে দরগাহ ‘উৎসজনিত নিয়ামক’-এর ভূমিকা পালন করেছে। শহরের গঠন ও প্রধান অংশগুলোর অবস্থান থেকেও দরগাহ চত্বরকেই প্রাণকেন্দ্র বলে প্রতীয়মান হয়। উত্তর, উত্তর-পূর্ব এবং উত্তর-পশ্চিমে শহরের বিস্তৃতি সেই ধারণাকেই নিশ্চয়তা দেয়। যেকোনো ধর্মীয় স্থাপনা তার কার্যগত কারণেই আশপাশের সঙ্গে সংযুক্ত থাকে। তবে শাহ জালালের দরগাহের মতো শক্ত অবস্থান সার্বিকভাবে শহরের গঠন কাঠামোয় ভূমিকা রাখে। অঞ্চলটাকে শহুরে অবয়বে নিতে নিয়ামক হিসেবে থেকেছে স্থানগুলোর পারস্পরিক যুক্ত থাকার ধরন, পার্শ্ববর্তী ব্যবহূত ভূমি এবং স্বাভাবিক যাতায়াত ব্যবস্থা।
মাজার চত্বরকে বেষ্টন করে শহরের প্রধান রাস্তাগুলো হলো হযরত শাহ জালাল রোড, মেডিকেল কলেজ রোড, সুবিদ বাজার রোড, পুলিশ লাইন রোড ও দরগায় যাওয়ার প্রধান রাস্তা। প্রায় প্রতিটি রাস্তাই ব্যাপকভাবে ব্যবহার হয় সব ধরনের আবাসিক ও বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ডে। ভূমি ব্যবহারের এমন নাগরিক ধাঁচ সারা অঞ্চলকে প্রাণসঞ্চার করেছে। প্রভাব ফেলেছে মানুষের চলাচল ও জীবনযাত্রায়। এমনকি সিলেট নগরীর ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনায়ও মনোযোগ দেয়া হয়েছে মাজারের সঙ্গে যুক্ত রাস্তাগুলোয়। দরগায় বছরব্যাপী ধর্মীয় কর্মকাণ্ড চলে। তার প্রভাব ছড়িয়ে গেছে আশপাশের ব্যবসা-বাণিজ্যে। এ স্থানের আধ্যাত্মিকতার পাশাপাশি অর্থনৈতিক প্রসার সারা অঞ্চলের বিনির্মাণে ভূমিকা রেখেছে। সহজগম্যতা ও বহুমুখিতার জন্য এ অঞ্চলকে অন্য সব স্থান থেকে দ্রুতই আলাদা হিসেবে চিহ্নিত করা যায়। আর সিলেটের শহরের পরিবর্ধনে অন্য সব নিয়ামকের চেয়ে প্রাধান্য বিস্তার করে গেছে দরগাহের কর্মকাণ্ড। দরগাহ যেন অতিক্রম করে গেছে গতানুগতিক ধর্মীয় স্থাপনার সংজ্ঞাকে। প্রতিটি নগরেরই মৌলিক বিশেষত্ব থাকে। সিলেটের জন্য তা হলো দরগাহের স্থাপনা। কীভাবে একটা স্থান বা স্থানের ধর্মীয় কর্মকাণ্ড শহরের প্রশাসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে, তার প্রমাণ হলো এ স্থাপনা।
এ আলোচনার লক্ষ্য ছিল সিলেট নগরী ও অঞ্চলটিতে বসতি স্থাপনের পেছনে নিয়ামক হিসেবে পবিত্র স্থানটির গুরুত্ব অনুধাবন এবং পরবর্তী সময়ে নগরায়ণে দরগাহর স্থানিক বিশ্লেষণ। নিঃসন্দেহে দরগাহ চত্বর ও আশপাশের স্থাপনা শহরের বাকি অংশের ওপর প্রভাব বিস্তার করে রেখেছে। বোঝা যায় ধর্মীয় কর্মকাণ্ডের পরিপ্রেক্ষিতে কীভাবে নগরের ব্যবসায়িক তত্পরতা প্রসার হয়েছে, যা শহরকে টেকসই ও স্থিতিশীল অগ্রগতির দিকে ধাবিত করেছে। আন্তঃনগর বাস চলাচলের রাস্তাগুলো নির্মাণেও দরগাহে আসা যাত্রীদের কথা মাথায় রাখা হয়েছে, যা স্থানটির সঙ্গে শহরের অন্যান্য অংশের যোগাযোগে নিশ্চয়তা নিয়ে এসেছে। শাহ জালাল (র.)-এর দরগাহ ধর্মীয় দ্যোতনার প্রতীক হিসেব সমগ্র নগরীকে নিয়ে এসেছে কার্যকর বন্ধনের মধ্যে। আর এভাবে দৃঢ় প্রভাব রেখেছে নগরের উন্নয়নে।
টীকা
1. Ibn Battuta, The rehla of
ibn Battuta, trans. Mahdi Husain (Baroda: Oriental Institute, 1953), 238-39
2. According to Eaton, Richard M. (1993), “Madad-i-mash were
personal, tax-free grants typically awarded to men who had already founded
mosque.”
গ্রন্থপঞ্জি
1. Tuan, Y. F. (1979) ‘Space and Place: Humanistic Perspective’,
viewed 24 July 2015,
2.http://geog.uoregon.edu/amarcus/geog620/Readings/Tuan_1979_space-place.pdf
3. Rifio_lu, Mert Nezih & Neriman_ahin Ghan (2008)
‘Understanding and Preserving Spirit of Place by an integrate d methodology in
historical urban contexts’, viewed 24 July 2015,
4.http://www.international.icomos.org/quebec2008/cd/toindex/77_pdf/77-GVES-282.pdf
5. Alexander, Christopher. 1979. The Timeless Way of Building. New
York: Oxford University Press.
6. Park, C. (2004) Religion and geography. Chapter 17 in Hinnells,
J. (ed) Routledge Companion to the Study of Religion. London: Routledge
7. Rahmatullah, (2014) ‘Muslim Shrines and
Multi-Religious Visitations as a Symbol of Peaceful Co-existence: A Study of
three Prominent Sufi Shrines’, Islam and Muslim Societies: A Social Science
Journal Vol. 7, No. 2(2014), pp. 51-61
8. Snyder, M. (2010) ‘Where Delhi is still quite
far: Hazrat Nizamuddin Auliya and the making of the Nizamuddinbasti’, The
Columbia Undergraduate Journal of South Asian Studies’, Volume I, Issue II,
Spring2010, pp. 1-29
9. Eaton, Richard M. (1993) The Rise of Islam and
the Bengal Frontier, 1204-1760, Berkeley: University of California Press,
c1993, pp. 36
10. Khan, M.M. (2008) ‘Pioneers of Islam in Bengal: The Early
Muslim Saints of Bengal and their Contributions’, viewed 24 July 2015.
11. Hillier B. (1998), “The common language of Space: A way of
looking at the social, economic and environmental functioning of cities on a
common base”
12. Khan, N. (2008) “Study of Morphological Transformation on
planned residential areas of Dhaka city,” Unpublished M. Arch thesis, 2008.
13. Nilufar, F. (1997) ‘The Spatial and Social structure of Local
areas in Dhaka city’, The unpublished PhD thesis,
14. 1997.Ibid. no. 353.
[নোট:
লেখক ত্রয়ের
মূল প্রবন্ধের
শিরোনাম Dargah of Hazrat Shahjalal(Rh): A Realm of
Religious Past in Shaping the City of Sylhet, Bangladesh।
প্রবন্ধটি শ্রীলংকার
কলম্বোয় ২০১৫
সালের ২৬-২৭
অক্টোবর অনুষ্ঠিত
‘Cities, People and Places’- ICCPP-2015 আন্তর্জাতিক
সম্মেলনে উপস্থাপিত
হয়েছিল। প্রবন্ধটির
সংক্ষেপিত অনুবাদ
এখানে প্রকাশিত
হলো]
ফাহমিদা নুসরাত: সহকারী অধ্যাপক, স্থাপত্য বিভাগ, প্রাইমএশিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ
কাজী আসমুন নাহার সুমি: পিএইচডি গবেষক, ডিপার্টমেন্ট অব সোশ্যাল সায়েন্স, ওয়েস্টার্ন সিডনি ইউনিভার্সিটি, অস্ট্রেলিয়া
পুষ্পিতা ইষিকা: পিএইচডি ক্যান্ডিডেট, ডিপার্টমেন্ট অব হেরিটেজ স্টাডিজ, আরাকানসাস স্টেট ইউনিভার্সিটি, ইউএসএ
অনুবাদক: আহমেদ দীন রুমি





