অন্যদিকে লুইস দিয়াজের গোলের পর জামিন্তন কাম্পাজের যোগ করা সময়ের গোলের সুবাদে বিশ্বকাপে অভিষিক্ত উজবেকিস্তানকে ৩-১ ব্যবধানে হারিয়ে গ্রুপ ‘কে’র শীর্ষে উঠে গেছে কলম্বিয়া।
টরন্টোতে পানামার বিপক্ষে ঘানার শুরুটা ছিল হতাশাজনক। বরং ম্যাচের শুরু থেকেই বেশি সংগঠিত ও আত্মবিশ্বাসী মনে হয়েছে পানামাকে। তবে দ্বিতীয়ার্ধে বদলে যায় ঘানার শরীরী ভাষা। ধীরে ধীরে আক্রমণে প্রাণ ফেরে ঘানার। যদিও গোলের দেখা মেলেনি।
মনে হচ্ছিল ম্যাচ গোলশূন্য ড্রয়ের দিকেই যাচ্ছে। কিন্তু যোগ করা সময়ে বদলে যায় সব। ৯৫ মিনিটে সেমেনিও আক্রমণ শুরু করেন, বাম দিক দিয়ে জায়গায় ছুটে যান ব্র্যান্ডন থমাস-আসান্তে। কর্দোবার চ্যালেঞ্জ এড়িয়ে তিনি বক্সে ঢুকে অপেক্ষা করেন সঠিক মুহূর্তের। এরপর নিচু ক্রস পাঠান গোলমুখে। মসকেরার নাগাল এড়িয়ে বল চলে যায় ইয়েরেনকিইর সামনে, আর তিনি কাছ থেকে বল জালে জড়িয়ে দেন। ঘানা পায় ১-০ গোলের নাটকীয় জয়।
অন্যদিকে আজতেকা স্টেডিয়ামে উজবেকিস্তানের বিপক্ষে কলম্বিয়ার জয় ছিল স্কোরলাইনের চেয়ে কঠিন। বিশ্বকাপ অভিষেক ম্যাচের শুরুতে উজবেকিস্তান আত্মবিশ্বাসী ফুটবল খেলে। তবে ধীরে ধীরে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় কলম্বিয়া ৪০ মিনিটে আসে গোল। দারুণ দলীয় মুভে হামেস জায়গা ছাড়েন, দিয়াজ ভেতরে ঢোকেন। রাইটব্যাক দানিয়েল মুনিয়োজ সেন্টার-ফরোয়ার্ডের মতো বক্সে ঢুকে স্লাইডিং ফিনিশে কলম্বিয়াকে এগিয়ে দেন। বিরতির পর উজবেকিস্তান রক্ষণাত্মক খোলস ছেড়ে সামনে আসে। ৬০ মিনিটে শমুরোদভের প্রচেষ্টা গোলরক্ষক ভারগাস পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে নিতে পারেননি। বল গোললাইনের কাছে উঠে গেলে ফাইযুল্লায়েভ দ্রুত ছুটে এসে হেডে সমতা ফেরান। কিন্তু উজবেকিস্তানের আনন্দ স্থায়ী হয় মাত্র ৫ মিনিট। ৬৫ মিনিটে পুয়ের্তার পাস ধরে পাল্টা আক্রমণে দিয়াজ শট নেন। কিন্তু ইউসুপভ দুর্বল হাতে ঠেকাতে গিয়ে বল গোললাইনের ওপারে যেতে দেন। আবার এগিয়ে যায় কলম্বিয়া। ৯৮ মিনিটে হুয়ান হার্নান্দেজ লম্বা বল ধরে প্রতিপক্ষকে সামলে জায়গা বানিয়ে নিখুঁত ক্রস পাঠান। জামিন্তন কাম্পাজ শক্তিশালী ফিনিশে ৩-১ করেন।










