মাঠের পারফরম্যান্সে যেমন চ্যাম্পিয়ন, তেমনি মাঠের বাইরেও। শুক্রবার রাতে সৌদি প্রো লিগে আল শাবাবকে ২-১ গোলে হারায় আল নাসের। এ ম্যাচের শেষ মুহূর্তে পেনাল্টি থেকে গোল করেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। এটি তার ক্যারিয়ারের ৯০৭তম গোল। হাজারতম গোলের স্বপ্নে ছুটছেন পর্তুগিজ সুপারস্টার।

এর একদিন আগে পান সুখবর। যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যবিষয়ক সাময়িকী ফোর্বস বৃহস্পতিবার রাতে ২০২৪ সালে সবচেয়ে বেশি আয় করা ফুটবলারের তালিকা প্রকাশ করেছে। এ তালিকায় শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন ৩৯ বছর বয়সী রোনালদো। তার প্রায় অর্ধেক আয় করে দুইয়ে অবস্থান করছেন বর্তমানে ইন্টার মায়ামিতে খেলা আর্জেন্টাইন সুপারস্টার লিওনেল মেসি। তিনে আছেন ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টার নেইমার, যিনি প্রায় এক বছর ধরে মাঠের বাইরে।

ফোর্বস বার্ষিক এ তালিকা করে মাঠে ও মাঠের বাইরের সব ধরনের আয় হিসাব করে। ২০২৪ সালে রেকর্ড ২৮ কোটি ৫০ লাখ ডলার (প্রায় ৩ হাজার ৪০০ কোটি টাকা) আয় করেছেন রোনালদো। আগের বছরের তুলনায় ২ কোটি ৫০ লাখ ডলার বেশি আয় করেন তিনি। তিনি মাঠ থেকে ২২ কোটি ডলার ও কমার্শিয়াল চুক্তি থেকে ৬ কোটি ৫০ লাখ ডলার আয় করেছেন। মেসি আয় করেন ১৩ কোটি ৫০ লাখ ডলার। তিনি মাঠ থেকে ৬ কোটি ডলার ও মাঠের বাইরে থেকে ৭ কোটি ৫০ লাখ ডলার আয় করেছেন।

গত বছর পিএসজি ছেড়ে সৌদি ক্লাব আল হিলালে নাম লেখান নেইমার। ক্লাবের হয়ে মাত্র তিনটি ম্যাচ খেলার পরই চোটে পড়েন। সেই চোট থেকে ঠিক এক বছর পর সুস্থ হয়ে উঠেছেন। এখন তিনি মাঠে ফেরার অপেক্ষায়। আল হিলালের কোচ হোর্হে জেসুস জানিয়েছেন, আগামীকাল ব্রাজিল ফরোয়ার্ডের মাঠে ফেরার সম্ভাবনা আছে। দীর্ঘ এক বছর চোটের কারণে মাঠের বাইরে থাকলেও নেইমারের আয় ঈর্ষণীয়! এক বছরে তার আয় ১১ কোটি ডলার। এর মধ্যে মাঠ থেকে ৮ কোটি ও মাঠের বাইরে থেকে ৩ কোটি ডলার আয় করেছেন। অর্থাৎ আল হিলাল থেকে পারিশ্রমিক ও কমার্শিয়াল চুক্তির অর্থ তিনি ঠিকই পেয়েছেন।

রিয়াল মাদ্রিদ থেকে সৌদি লিগের দল আল ইত্তিহাদে নাম লেখানো করিম বেনজেমা রয়েছেন ফোর্বসের তালিকায় ৪ নম্বরে। গত এক বছরে তার আয় ১০ কোটি ৪০ লাখ ডলার। মাঠ থেকে আয় ১০ কোটি ডলার ও মাঠের বাইরে থেকে আয় করেন ৪০ লাখ ডলার। তালিকার পাঁচে রয়েছেন চলতি মৌসুমে পিএসজি ছেড়ে রিয়াল মাদ্রিদে নাম লেখানো ফরাসি স্ট্রাইকার কিলিয়ান এমবাপ্পে। গত এক বছরে তার আয় ছিল ৯ কোটি ডলার। তিনি মাঠ থেকে ৭ কোটি ডলার ও মাঠের বাইরে থেকে ২ কোটি ডলার আয় করেছেন।

এর পরে আছেন ম্যানচেস্টার সিটির আর্লিং হালান্ড, রিয়াল মাদ্রিদের ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, লিভারপুলের মোহাম্মদ সালাহ, আল নাসেরের সাদিও মানে ও ম্যানচেস্টার সিটির কেভিন ডি ব্রুইনা।