নবম আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফি মিশন শুরু হয়ে গেল বাংলাদেশের। আজ বৃহস্পতিবার নিজেদের প্রথম ম্যাচে শক্তিশালী ভারতের বিপক্ষে টস জিতে ব্যাটিং নিয়ে বিপর্যয়ে পড়ে টাইগাররা। ৩৫ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে বসে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। সেখান থেকে লড়াই করে ১৫৪ রানের জুটিতে বাংলাদেশকে ২২৮ রানের পুঁজি এনে দেন তাওহীদ হৃদয় ও জাকের আলী অনিক।

দলের মিডল অর্ডারের নির্ভরতার প্রতীক হয়ে ওঠা হৃদয় (১১৮ বলে ১০০) আজ হৃদয় দিয়ে লড়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিজের প্রথম সেঞ্চুরি তুলে নেন। জাকের আলী ১১৪ বলে ৬৮ রান করেন। ২০৬ বল খেলে বোর্ডে ১৫৪ রান যোগ করে তারাই মান বাঁচিয়েছেন দলের। যদিও শেষ দিকে আরো দ্রুতগতিতে রান তোলার সুযোগ হারান হৃদয়। ৪৩তম ওভারে জাকের আলীকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন পেস তারকা মোহাম্মদ শামি। এরপর ৭ ওভার থেকে বাংলাদেশক ৩৯ রান তুলে বাকি ৪ উইকেট হারায়।

AP25051386599800

ভারতীয় বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে বিপজ্জনক ছিলেন শামি। ২০২৩ বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারের রেকর্ড গড়া এই ডানহাতি পেসার দীর্ঘদিন পর সম্প্রতি ওয়ানডে দলে ফিরে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে হোম সিরিজে দুই ম্যাচে মাত্র ২ উইকেট নেন। তবু তার ওপর আস্থা রাখে দল। তিনি আস্থার প্রতিদান দিলেন আজ ৫৩ রানে ৫ উইকেট শিকার করে। এছাড়া পেসার স্পিনার অক্ষর প্যাটেল ৩টি ও পেসার হরষিত রানা ২টি উইকেট নেন।

আইসিসি ইভেন্টে ভারতের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ ৬০ উইকেটের মালিক এখন শামি। এর মধ্যে ২৪ উইকেট নেন ২০২৩ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপে।

ওয়ানডেতে এটাই হৃদয়ের সর্বোচ্চ স্কোর। ২০২৪ সালে চট্টগ্রামে শ্রীলংকার বিপক্ষে ৯৬ রানে অপরাজিত ছিলেন, আজ সেটিকে টপকে গেলেন।

ওয়ানডেতে মুখোমুখি লড়াইয়ে ভারত অনেক এগিয়ে। এখন পর্যন্ত ৪১টি ওয়ানডের মধ্যে ৩২টি জিতেছে ভারত, বাংলাদেশ জিতেছে ৮টিতে।

এই মাঠে ২০১৮ সালে ভারতের সঙ্গে দুই ম্যাচ খেলে দুটিতেই হেরেছে বাংলাদেশ। ২০১৮ সালের এশিয়া কাপ ফাইনালে লিটন দাসের ১২১ রানের ধ্রুপদী ইনিংসে ভর করে ২২২ রানের পুঁজি নিয়ে দুর্দান্ত লড়ে শেষ পর্যন্ত শেষ বলে ৩ উইকেটে হার মানে বাংলাদেশ। একই আসরে সুপার ফোরে ভারতের কাছে ৭ উইকেটে হেরেছে লাল-সবুজরা। সব মিলে এই মাঠে ৪ ম্যাচ খেলে বাংলাদেশ তিনটি হেরেছে, জয় একটি।