এদিন হিউস্টনের মাঠে নেমেই তিনি রেকর্ডের অংশীদার হয়েছেন। নবম খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপ জয়ের ১২ বছর পর আবার বিশ্বকাপ খেলতে নেমেছেন তিনি। তার আগে এ কীর্তি আছে স্পেনের সার্জিও বুসকেটস, ফ্রান্সের থিয়েরি অঁরি, ব্রাজিলের কাফু ও রোনালদো, ইতালির ফ্রাঙ্কো বারেসি ও ড্যানিয়েল মাসারো, ব্রাজিলের পেলে, উরুগুয়ের উইলিয়াম মার্টিনেজের।
২০২৪ সালে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নেন জার্মানির শটস্টপার। এ বছর মে মাসে সিদ্ধান্ত পাল্টে তিনি আবার ফিরে আসেন। নুয়্যার ২০১৪ সালের ব্রাজিল আসরে দুর্দান্ত পারফর্ম করেন এবং তার দলকে চতুর্থবারের মতো বিশ্বকাপ জিততে সাহায্য করেন। এরপর রাশিয়া ও কাতার বিশ্বকাপেও খেলেছেন। হঠাৎই এবারের আসরের জন্য নুয়্যারকে ডেকেছেন জার্মানির ৩৮ বছর বয়সী কোচ জুলিয়ান নাগেলসম্যান। কুরাসাও ম্যাচে তিনি পুরো ৯০ মিনিট খেলেছেন।
নুয়্যারের রেকর্ড গড়া ম্যাচে একটি দল হিসেবে জার্মানিও রেকর্ড গড়েছে। এ নিয়ে দ্বিতীয়বার ছয় গোলের ব্যবধানে জিতল জার্মানরা। তাদের সবচেয়ে বড় জয়টি ৮-০ গোলের। ২০০২ সালের বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বে সৌদি আরবকে গোলবন্যায় ভাসিয়েছিল তারা। এ নিয়ে বিশ্বকাপে তৃতীয়বারের মতো এক ম্যাচে সাত গোল করার কৃতিত্ব দেখাল জার্মানরা।
২০১৪ আসরের পর এই প্রথম বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে জিতল জার্মানি। ব্রাজিল আসরের প্রথম ম্যাচে পর্তুগালকে হারিয়েছিলেন টমাস মুলাররা। এরপর রাশিয়া ও কাতার আসরে টানা দুবার নিজেদের প্রথম ম্যাচে হেরে যায় জার্মানরা এবং পরিশেষে গ্রুপ পর্ব থেকেই তাদের বিদায় ঘটে।
জার্মানি রয়েছে ১০ ম্যাচের জয়রথে, যা ১৯৭৯-৮০ সময়ের পরে (টানা ১২ জয়) তাদের দীর্ঘতম জয়রথ।
নুয়্যারের বয়স ৪০ বছর ৭৯ দিন। বিশ্বকাপে তিনিই জার্মানির সবচেয়ে জ্যেষ্ঠ খেলোয়াড়। নুয়্যার ভেঙেছেন লোথার ম্যাথিউসের (৩৯ বছর ৯১ দিন) রেকর্ড। এছাড়া এটা ছিল নুয়্যারের বড় টুর্নামেন্টে (বিশ্বকাপ+ইউরো) ৪০তম ম্যাচ। ইউরোপের তার চেয়ে বেশি ম্যাচ খেলেছেন কেবল পর্তুগালের ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো (৫২)।
এদিকে দ্বিতীয় দল হিসেবে বিশ্বকাপ অভিষেকে সাত গোল হজম করল কুরাসাও। তাদের আগে এ লজ্জার রেকর্ড আছে দক্ষিণ কোরিয়ার। ১৯৫৪ সালের বিশ্বকাপে হাঙ্গেরির কাছে ০-৯ গোলের বিশাল ব্যবধানে হেরেছিল কোরীয়রা।










