তামিম ওয়ার্কিং ও ফ্যাসিলিটিজ বিভাগের প্রধানের দায়িত্ব নিজের কাছে রেখেছেন। ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের দায়িত্ব কাউকে দেয়া হয়নি।

সহসভাপতি ফাহিম সিনহাকে দেয়া হয়েছে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল ও গেম ডেভেলপমেন্ট বিভাগের দায়িত্ব। তার বাবা আফজালুর রহমান বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের প্রধান ছিলেন। গ্রাউন্ডস ও হাই পারফরম্যান্স ইউনিটের প্রধান হয়েছেন শানিয়ান তানিম। অ্যাডহক কমিটিতে গ্রাউন্ডসের দায়িত্বে থাকা রফিকুল ইসলামকে দেয়া হয়েছে নারী উইংয়ের দায়িত্ব।

সাবেক অধিনায়ক ও নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন পেয়েছেন বয়সভিত্তিক বিভাগের দায়িত্ব। এছাড়া ডিসিপ্লিনারি বিভাগে আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, অর্থ বিভাগে ইসরাফিল খসরু এবং সিকিউরিটি ও টেন্ডার অ্যান্ড পারচেজ কমিটির প্রধান হয়েছেন সাঈদ ইব্রাহিম আহমেদ। টুর্নামেন্ট বিভাগের দায়িত্ব পেয়েছেন সিরাজউদ্দীন মোহাম্মদ আলমগীর।

লজিস্টিকস ও প্রটোকল কমিটির চেয়ারম্যান ইয়াসির মোহাম্মদ ফয়সাল, মেডিকেল বিভাগে প্রফেসর ডা. মোহাম্মদ মাহবুব আহমেদ শামীম এবং মিডিয়া কমিটির প্রধান হয়েছেন আসিফ রাব্বানি।

এছাড়া মঈন উদ্দীন চৌধুরী সিসিডিএম, আব্দুল্লাহ আল ফুয়াদকে ফিজিক্যালি চ্যালেঞ্জড, সাইদ বিন জামানকে অডিট ও শেখ মোহাম্মদ রুহুল আমিনকে ওয়েলফেয়ার কমিটির দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। রাজশাহী থেকে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়া মীর শাকরুল আলমের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করা হয়েছে এদিন। ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেন সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের পুত্র শাকরুল আলম। বাকিদের মধ্যে ১৮ জন বিভিন্ন বিভাগের প্রধানের দায়িত্ব পেয়েছেন। বাকি ছয়জনের মধ্যে সরফরাজ আহমেদ ও মির্জা ফয়সল আমীনকে দুটি কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান হয়েছেন। বাকি চারজনকে কোনো দায়িত্ব দেয়া হয়নি।