বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচনে অনিয়ম, স্বেচ্ছাচারিতা ও সরকারের হস্তক্ষেপের নানা অভিযোগ এনে গত শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে আল্টিমেটাম দেয়া হয়েছিল, নির্বাচন পিছিয়ে সুষ্ঠভাবে আয়োজন করা না হলে ঢাকার লিগ ক্রিকেট বর্জন করবে ক্লাবগুলো। ৪৮টি ক্লাব এ দাবিতে একমত বলে তখন জানানো হয়। সে আল্টিমেটাম আমলে না নিয়ে ৬ অক্টোবর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সেদিনই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিসিবির সভাপতি নির্বাচিত হন আমিনুল ইসলাম বুলবুল। গতকাল বিসিবির নবনির্বাচিত কমিটিকে ‘অবৈধ’ আখ্যা দিয়ে ও নির্বাচনে ‘কারচুপি’র অভিযোগ তুলে দেশের সব ধরনের ঘরোয়া ক্রিকেট বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে ঢাকার ক্লাবগুলোর জোট।
গতকাল গুলশানের এক হোটেলে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে ঢাকা ক্লাব ক্রিকেট অর্গানাইজার্স অ্যাসোসিয়েশন (ডিসিসিওএ)।
সংবাদ সম্মেলনে মাসুদুজ্জামান ছাড়াও ছিলেন ডিসিসিওএর আহ্বায়ক ও ইন্দিরা রোড ক্রীড়া চক্রের কাউন্সিলর রফিকুল ইসলাম বাবু, ওল্ড ডিওএইচএস ক্লাবের কাউন্সিলর জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল, কাঁঠালবাগান গ্রীন ক্রিসেন্ট ক্লাবের কাউন্সিলর মেজর (অব.) ইমরোজ আহমেদ, জামালপুর জেলা ক্রীড়া সংস্থার কাউন্সিলর এসএম আব্দুল্লাহ আল ফুয়াদ রেদুয়ানের মতো নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানো বেশ ক’জন এবং বিভিন্ন ক্লাব ও জেলার কাউন্সিলর প্রতিনিধিরা।
নির্বাচন ফিক্সিং, সরকারের হস্তক্ষেপ, সাজানো ছক অনুসরণ, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর সময় এ রকম অনেক অভিযোগ করেছিলেন তামিম, ইমরোজ, রেদুয়ানরা। গতকাল মোহামেডানের পরিচালক ও কাউন্সিলর মাসুদুজ্জামান জানালেন, আগের ঘোষণা অনুযায়ী লিগে খেলবেন না তারা। তিনি বলেন, ‘আমরা বলতে চাই ক্রিকেটের সৌন্দর্য হারিয়েছে। অতএব আপনারা যদি এভাবে চলতে থাকেন, তাহলে আমরা ক্রিকেটটা খেলব না। যেকোনো ধরনের লিগ ক্রিকেট এবং জেলার ক্রিকেটের প্রতিনিধি আছেন এখানে, উনাদের সঙ্গেও আলাপ করেছি, জেলা পর্যায়েও আমরা ক্রিকেট বর্জন করব। আমরা এ সিদ্ধান্তে ঐক্যবদ্ধ থাকব।’










