আইসিসি টি২০ বিশ্বকাপে আজ বাংলাদেশকে ১৮৫ রানের টার্গেট ছুড়ে দিয়েছে ভারত। অ্যাডিলেডে এই ম্যাচে সাবেক অধিনায়ক বিরাট কোহলির হাফসেঞ্চুরিতে ভর করে ৬ উইকেটে ১৮৪ রান সংগ্রহ করে ভারত। এ পথে টি২০ বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ রানের মাইলফলকে পৌঁছেছেন কোহলি।
লিটনের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে পাওয়ার প্লের ৬ ওভার থেকে ৬০ রান তুলেছে বাংলাদেশ। মাত্র ২১ বলে হাফসেঞ্চুরি করেছেন বাংলাদেশ ওপেনার, যা চলতি বিশ্বকাপে দ্বিতীয় দ্রুততম হাফসেঞ্চুরি।
এ প্রতিবেদন লেখার সময় বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ৭ ওভার শেষে ৬৬/০। লিটন ৫৯ ও নাজমুল হোসনে শান্ত ৭ রানে ব্যাট করছিলেন। তখন বৃষ্টিতে খেলা বন্ধ ছিল।
কোহলি টপকে যান শ্রীলংকার সাবেক অধিনায়ক মাহেলা জয়াবর্ধনেকে। লংকান গ্রেট বিশ্বকাপে ৩১ ম্যাচে ৩৯.০৭ গড়ে ১ হাজার ১৬ রান করেন। ২০১৪ সালের টি২০ বিশ্বকাপে রেকর্ডটি গড়েছিলেন মাহেলা। আট বছর পর সেই রেকর্ড ভাঙলেন কোহলি। ভারতীয় সাবেক অধিনায়ক আজ ১৬ রান করে টপকে যান মাহেলাকে। বিশ্বকাপে কোহলির রান এখন ২৫ ম্যাচে ১ হাজার ৬৫।
অ্যাডিলেডে আজ গ্রুপ-২ এর ম্যাচে বাংলাদেশের বিপক্ষে ৪৪ বলে ৬৪ রান করেন কোহলি। বিশ্বকাপে তার রানগড় ৮৮.৭৫, স্ট্রাইক রেট ১৩২.৪৬।
আজ ইনিংসের সপ্তম ওভারে তাসকিন আহমেদের বল ফ্লিক করে মিডউইকেটে ঠেলে দিয়ে এক রান নিয়ে জয়াবর্ধনেকে টপকে যান কোহলি। ক্যারিয়ারের পঞ্চম বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ স্কোরার হলেন তিনি, খেলেছেন ২৩ ইনিংস। হাফসেঞ্চুরি করেছেন ১৩টি। আর জয়াবর্ধনে ৩১ ইনিংস খেলে রেকর্ড গড়েন। যদিও কোহলির চেয়ে কম বল খেলেছেন জয়াবর্ধনে।
৮৪৫ রান নিয়ে এবারের আসর শুরু করেন কোহলি। পাকিস্তান ও নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে টানা হাফসেঞ্চুরি করেন। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ১২ রান করে আউট হন। ওই রান করে তিনি টপকে যান তিলকারত্নে দিলশান (৮৯৭), রোহিত শর্মা (৯০৪), ক্রিস গেইলকে (৯৬৫)। এবার তিনি টপকে যান জয়াবর্ধনেকেও।
আজকের আগ পর্যন্ত টুর্নামেন্টে মোট ছয়বার প্লেয়ার-অব-দ্য ম্যাচ অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন কোহলি। ২০১২ সালে অভিষেক আসরে ১৮৫ রান করেন। ২০১৪ সালে দ্বিতীয় আসরে ছিলেন সর্বোচ্চ স্কোরার ও ২০১৬ সালে হন দ্বিতীয় সর্বোচ্চ স্কোরার। ২০১৪ ও ২০১৬ সালে টুর্নামেন্টসেরা খেলোয়াড় হন, যা কিনা পুরুষদের ক্রিকেটে প্রথম নজির।
টি২০ ক্রিকেটেও সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক কোহলি। তার রান ৩৯৩২। ভারতীয় দলনায়ক রোহিত শর্মা ১৪৬ ম্যাচে ৩৮১১ রান করে অবস্থান করছেন দুইয়ে।










