দক্ষিণ আফ্রিকায় চলমান আইসিসি নারী অনূর্ধ্ব-১৯ টি২০
বিশ্বকাপে টানা তিন জয়ে সুপার সিক্স রাউন্ডে ওঠা বাংলাদেশ জাগিয়েছিল সেমিফাইনালের
স্বপ্ন। যদিও আজ দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ৫ উইকেটের হারে সেই স্বপ্নটা ফিকে হয়ে গেল।
আগে ব্যাট করতে নেমে লাল-সবুজ জার্সিধারীরা ২০ ওভারে ৬ উইকেটে মাত্র ১০৬
রান তুলতে সমর্থ হয়। জবাবে প্রোটিয়া নারীরা ৭ বল বাকি থাকতে ৫ উইকেট হারিয়ে
লক্ষ্যে পৌঁছে যায়।
প্রোটিয়াদের ঘূর্ণিতে বেসামাল হয়ে ১০৬ রানের বেশি তুলতে পারেনি
বাংলাদেশ। কাইলা রেইনেকে ১৯ রানে চারটি উইকেট নেন। বাংলাদেশের পক্ষে সুমাইয়া
আক্তার ২৪,
আফিয়া
প্রত্যাশা ২১,
স্বর্ণা আক্তার
২০ রান করেন। বাংলাদেশের স্পিনার রাবেয়া খান (৩/১৮) ও মারুফা আক্তার (১/১৬) লড়াই
করলেও শেষ পর্যন্ত আটকানো যায়নি স্বাগতিক দলকে।
সুপার সিক্সে দুটি গ্রুপে খেলছে ১২টি দল। আজকের এই হারে ‘গ্রুপ-১’ এ টেবিলের চার
নম্বরে নেমে গেছে বাংলাদেশ। ৩ ম্যাচ থেকে তাদের ঝুলিতে ৪ পয়েন্ট। সমান ৪ পয়েন্ট
নিয়ে শীর্ষে অস্ট্রেলিয়া, যারা আজ ভারতকে হারায় ৭ উইকেটে। বাংলাদেশকে
হারানো প্রোটিয়ারা ৪ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের তিনে। শ্রেয়তর নিট রানরেটে বাংলাদেশকে
পেছনে ফেলেছে অস্ট্রেলিয়া, ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকা।
উল্লেখ্য, ‘এ’ গ্রুপে তিনটি
জয় তুলে নিয়েছিল বাংলাদেশ। ওই গ্রুপে হারানো অস্ট্রেলিয়া ও শ্রীলংকা সুপার সিক্সে
ওঠায় শুধু তাদের বিপক্ষে পাওয়া ৪ পয়েন্টই বাংলাদেশের নামের পাশে জমা হয়েছে। একই
কথা অন্য দলের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।
বুধবার সুপার সিক্সে নিজেদের শেষ ম্যাচে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে
খেলবে বাংলাদেশ। তবে এই ম্যাচে জিতেও সেমিফাইনাল নিশ্চিত নয় দিশা, স্বর্ণাদের।
সোমবার আরব আমিরাতের মুখোমুখি হবে অস্ট্রেলিয়া। ধরেই নেয়া যায়, আমিরাতকে
হারিয়ে অজিরা উঠে যাবে সেমিফাইনালে। এই গ্রুপ থেকে সেমিফাইনালে উঠবে আর একটি দল।
সেই দলটি হতে চাইলে ভাগ্যের সহায়তাও লাগবে বাংলাদেশের। কেননা ভারত রোববার
শ্রীলংকাকে হারিয়ে উঠে যেতে পারে শেষ চারে। ভারত ব্যর্থ হলে পরদিন শ্রীলংকাকে
হারিয়ে সেমিতে ওঠার সুযোগ পাবে দক্ষিণ আফ্রিকা।
তাই বাংলাদেশকে সেমিফাইনালে উঠতে হলে নিজেদের ম্যাচ জয়ের পাশাপাশি
শ্রীলংকার কাছে ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকা উভয় দলের হারের প্রার্থনাও করতে হবে।
গ্রুপ-২ থেকে
নিউজিল্যান্ড ও ইংল্যান্ডের সেমিফাইনালে ওঠা প্রায় নিশ্চিত। দুই দলেরই সংগ্রহ সমান
৬ পয়েন্ট। এই গ্রুপ থেকে রুয়ান্ডা ও আয়ারল্যান্ড বিদায় নিয়েছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ (২) ও
পাকিস্তানের
(২) সম্ভাবনা
খুবই ক্ষীণ।










