সিরিজ বাঁচানো ম্যাচে পাকিস্তানকে ১০৯ রানের টার্গেট দিয়েছে বাংলাদেশ। টস জিতে আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১০৮ রান করে স্বাগতিকরা। একটা সময় দেড়শো পার হওয়ার মতো ইনিংসের আভাস দিয়েছে দলটি। কিন্তু পাকিস্তানের হিসেবি বোলিং আর ব্যাটারদের দায়িত্বহীন ব্যাটিংয়ে গত ম্যাচের চেয়েও কম রানে থামতে হয় বাংলাদেশকে।


মিরপুরের শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে টস জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন বংলাদেশ অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। বাংলাদেশের একাদশে কোনো পরিবর্তন নেই। প্রথম ম্যাচের দল নিয়েই নেমেছে দলটি। অপরদিকে পাকিস্তান একাদশে একটি পরিবর্তন এনেছে। হাসান আলীকে বিশ্রাম দিয়ে শাহিন শাহ আফ্রিদিকে নিয়ে নেমেছে সফরকারীরা।  যার ফলে হাসান আলীর পর আজ আফ্রিদির তোপ দেখেছে মিরুপুর।


এ ম্যাচেও ধারাবাহিক ব্যর্থ হয়েছেন বাংলাদেশের ওপেনাররা। গত ম্যাচে ১ রান করলেও এ ম্যাচে রানের খাতাই খোলা হয়নি সাইফ হাসানের। শাহিন শাহ আফ্রিদির বলে এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়ে ‘গোল্ডেন ডাক’ মেরে সাজঘরে ফেরেন সাইফ। নাঈম শেখের দৌড়ও বেশিদূর যায়নি। গত ম্যাচে এক রান, এ ম্যাচে ২ রান। দলীয় ৫ রানে দুই টপ অর্ডারকে হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। সেখান থেকে নাজমুল হোসেন শান্ত ও আফিফ হোসেন বাংলাদেশেকে উদ্ধার করার চেষ্টা করেন।


দলের স্কোর বোর্ডে যখন ৫১ রান, তখন আফিফ ক্যাচ দিয়ে ফেরেন রিজওয়ানকে। শাদাব খানের শিকার হওয়ার আগে ২১ বলে ২০ রান আসে তার ব্যাট থেকে। মাহমুদউল্লাহ ফেরেন ১৫ বলে ১২ রান করে। দেখে-শুনে খেলে রান বাড়াচ্ছিলেন শান্ত। কিন্তু ৮২ রানের মাথায় তাকে ফিরিয়ে শাদাব খান রানের চাকা স্লো করে দেন। ৩৪ বলে ৪০ রান করেন শান্ত। ইনিংসে ছিল ৫টি চারের বাউন্ডারি। একটা সময় বাংলাদেশ দেড়শো পার হওয়ার সম্ভাবনা দেখলেও একশোর আগে ছয় ব্যাটারকে হারিয়ে তা আর হয়নি।


পাকিস্তানের হয়ে শাহিন আফ্রিদি ৪ ওভারে ১৫ রান দিয়ে ২টি ও  শাদাব ৪ ওভারে ২২ রানের বিনিময়ে ২টি উইকেট নেন।