পার্থে ‘বর্ডার-গাভাস্কার’ সিরিজের প্রথম টেস্টে আজ শুক্রবার প্রথম দিন অস্ট্রেলিয়ার গতির আগুণে পুড়েছে সদ্যই নিউজিল্যান্ডের কাছে হোম সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হয়ে আসা ভারত। অতিথি দলটি প্রথম ইনিংসে অলআউট হয়ে যায় ১৫০ রানে। ইনিংসের আয়ু ছিল ৪৯.৪ ওভার। এরপর গতির জবাব গতিতেই দিলেন ভারতীয় ভারপ্রাপ্ত দলনায়ক জশপ্রীত বুমরাহ। তিনি ১৯ রানের মধ্যে অস্ট্রেলিয়ার টপ অর্ডারের তিন ব্যাটারকে সাজঘরে ফেরান। এ প্রতিবেদন লেখার সময় অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ ছিল ৩ উইকেটে ২৪ রান। ট্রাভিস হেড ৫ ও মারনাস লাবুশেন শূন্য রানে ব্যাট করছিলেন।
অধিনায়ক রোহিত শর্মা ছুটি নেয়ায় এই ম্যাচে খেলছেন না। আর ওপেনিং ব্যাটার শুভমন গিল চোটের কারণে নেই। এই দুটি জায়গা পূরণ করেন লোকেশ রাহুল আর দেবদূত পাড়িক্কাল। এর মধ্যে রাহুল করেছেন ২৬, আর পাড়িক্কাল শূন্য রানে সাজঘরে ফিরে গেছেন।
সকালে জশস্বী জয়সোয়ালকে আউট করে শুভসূচনা করেন বামহাতি গতিদানব মিচেল স্টার্ক। এরপর পাড়িক্কাল ফেরেন জস হ্যাজেলউডের শিকার হয়ে। এর মধ্য দিয়ে দারুণ এক মাইলফলক গড়লেন স্টার্ক ও হ্যাজেলউড। অস্ট্রেলিয়ার প্রথম নতুন বলের জুটি হিসেবে ৪০০ উইকেট শিকারের কৃতিত্ব দেখালেন এই দুজন।
এরপর নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট পড়তে থাকে ভারতের। ঋষভ পন্তের লড়াই শেষ হয় ৩৭ রানে। অভিষিক্ত হরষিত রানা ৭ রান। আরেক অভিষিক্ত নিতিশ কুমার রেড্ডি ৪১ রান করেন। অস্ট্রেলিয়ার চার পেসার ১০ উইকেট ভাগাভাগি করেন। হ্যাজেলউড ২৯ রানে ৪টি, মিচেল মার্শ ১২ রানে ২টি, স্টার্ক ১৪ রানে ২টি ও প্যাট কামিন্স ৬৭ রানে ২টি উইকেট নেন।
সর্বশেষ চারটি বর্ডার-গাভাস্কার ট্রফিই জিতেছে ভারত। ২০২৩ সালে ভারতের মাঠে বর্ডার-গাভাস্কার ট্রফি ২-১-এ জিতেছে ভারত। ২০২০ সালের ডিসেম্বর ও ২০১১ সালের জানুয়ারিতে অস্ট্রেলিয়া সফরে এসে চার টেস্টের সিরিজ ২-১-এ জিতে নেয় ভারতীয়রা। তাদের সামনে এবার আধিপত্য ধরে রাখার কঠিন চ্যালেঞ্জ।
এর আগে ১০৭ টেস্টের লড়াইয়ে অস্ট্রেলিয়া ৪৫টি ও ভারত ৩২টি জিতেছে, ড্র হয়েছে ২৯টি ম্যাচ। ভারত কম জিতলেও সর্বশেষ ১০টি সিরিজের মধ্যে সাতটি জিতে নিয়েছে।
১৯ রানে অজিদের ৩ উইকেট নিলেন বুমরা










