সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়াম ও দেশের অন্য স্টেডিয়ামগুলোর উইকেট নিয়ে অনেক সমালোচনা। বিশেষ করে গত বছর টি২০ বিশ্বকাপের আগে নিচু স্পিনিং উইকেটে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডকে হারায় বাংলাদেশ। এরপর সংযুক্ত আরব আমিরাতে অনুষ্ঠিত টি২০ বিশ্বকাপে ভরাডুবি ঘটে বাংলাদেশ দলের। বিশ্বকাপ ব্যর্থতার পেছনে মিরপুরের এমন উইকেটই দায়ী করেন অনেকে। এ নিয়ে আজ মিরপুরে সংবাদমাধ্যমে কথা বলেছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) গ্রাউন্ডস কমিটির চেয়ারম্যান মাহবুব আনাম। তিনি বললেন, শেরেবাংলাসহ দেশের অন্য মাঠগুলোর মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহারের কারণেই এর মান ভালো রাখা সম্ভব হয়নি।


মাহবুব আনাম বলেন, কভিড ও অন্যান্য কারণে এ বছরটা আমাদের জন্য অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং ছিল। আমরা মৌসুমের প্রথম তিন মাসে খেলা করতে পারিনি। অক্টোবর, নভেম্বর ও ডিসেম্বরে কোনো ঘরোয়া ক্রিকেট হয়নি। এই পুরো ঘরোয়া খেলাটা জানুয়ারি থেকে মের মধ্যে করতে হচ্ছে। তাতে প্রতিটি মাঠকেই এখন অতিরিক্ত ব্যবহার করতে হয়েছে। এজন্য সুন্দর মাঠ আমরা সব সময় দিতে পারিনি, এটা আমাদের অক্ষমতা। আমরা স্বীকার করছি। তবে আশা করছি, আগামীতে আর এমনটা হবে না। আমরা যদি অক্টোবরে খেলা শুরু করে মে পর্যন্ত মাঠগুলো পেয়ে যাই তবে যে খেলাগুলো আছে সেগুলোকে ভালোভাবে দিতে পারব।


মাঠের ওপর চাপ নিয়ে তিনি বলেন, সারা বাংলাদেশে প্রতি বছর ৩ হাজার ৫০০ দিনের ক্রিকেট হয়। এটা স্কুল ক্রিকেট, অনূর্ধ্ব-১৪, অনূর্ধ্ব-১৬ ও অন্যান্য ন্যাশনাল চ্যাম্পিয়নশিপ মিলে। ৩ হাজার ৫০০ দিন কিন্তু প্রচুর খেলা। এটাকে যদি আমরা করতে যাই আমাদের পঞ্চাশটির ওপর মাঠ দরকার।  মিরপুরের মতো মাঠে আমাদের ৬০ দিনের মতো বেশি খেলা উচিত না। সেখানে জানুয়ারি থেকে শুরু করে ১২০ দিন খেলা খেলেছি আমরা। ধারাবাহিকভাবে।


নিম্নমানের উইকেট নিয়ে লংকান কিউরেটর গামিনী সিলভাকে দোষারোপ করায় মাহবুব আনাম বলেন, এখানে আমি কাউকে দোষ দেব না। দায়টা আমাদের কাঁধেই নেব। বোর্ড যেভাবে পরিচালিত হচ্ছে তাতে আপনারা ব্যক্তিগতভাবে যদি কাউকে আক্রমণ করেন করেন তা খুব অন্যায় হবে।