টি২০ বিশ্বকাপে আজ শ্রীলংকাকে গুঁড়িয়ে দিয়েছে নিউজিল্যান্ড। সিডনি
ক্রিকেট গ্রাউন্ডে গ্রুপ
‘ওয়ান’ এর ম্যাচে সিংহলিজদের ৬৫ রানে হারিয়ে
পাঁচ পয়েন্ট নিয়ে এককভাবে টেবিলের শীর্ষে উঠে গেল ব্ল্যাক ক্যাপসরা।
আগে ব্যাটিং করতে নামা নিউজিল্যান্ড প্রাথমিক বিপর্যয় কাটিয়ে গ্লেন
ফিলিপসের সেঞ্চুরিতে ৭ উইকেটে ১৬৭ রানের পুঁজি পায়। ৬৪ বলে ১০৪ রানের বিস্ফোরক
ইনিংস খেলেন ডানহাতি এই ব্যাটার। এরপর ট্রেন্ট বোল্ট ও টিম সাউদির গোলায় বিধ্বস্ত
লংকান ব্যাটিং লাইনআপ। বোল্ট চার ওভারে ১৩ রানের খরচায় চারটি ও সাউদি চার ওভারে ১২
রান দিয়ে একটি উইকেট নেন। এছাড়া স্পিনার মিচেল স্যান্টনার ও ইস সোধি মাঝের
উইকেটগুলো ভাগাভাগি করেন।
বোল্ট ও সাউদির আগুনে বোলিংয়ের মুখে মাত্র আট রানের মধ্যে চারটি উইকেট
হারায় লংকানরা। এই ক্ষত আর কাটিয়ে উঠতে পারেনি দাসুন শানাকার দল। এরপর নিয়মিত
ব্যবধানে উইকেট হারিয়ে ১৯.২ ওভারে তারা গুটিয়ে যায় ১০২ রানে। শ্রীলংকার পক্ষে
শানাকা ৩৫ ও ভানুকা রাজাপাকসে ৩৪ রান করেন।
উল্লেখ্য,
টি২০ বিশ্বকাপ
ইতিহাসে ফিলিপসের সেঞ্চুরিটা ১১তম আর চলতি আসরের দ্বিতীয়। এর আগে বিশ্বকাপে সেঞ্চুরি
করেছেন ব্রেন্ডন ম্যাককালাম, ক্রিস গেইল
(দুটি), অ্যালেক্স হেলস, আহমেদ শেহজাদ, রাইলি রুশো, তামিম ইকবাল, জস বাটলার, সুরেশ রায়না ও মাহেলা জয়বর্ধনে।
কাকতালীয়ভাবে এবার বিশ্বকাপের দুটি সেঞ্চুরিই হলো সিডনিতে। প্রথমটি
করেন দক্ষিণ আফ্রিকার রাইলি রুশো। বাংলাদেশের বিপক্ষে ৫৬ বলে ১০৯ রান করেন তিনি।
আজ ব্যাটিংয়ে নেমে মাত্র সাত রানের মধ্যে দুই উইকেটের পতন ঘটে
নিউজিল্যান্ডের। এ সময় চারে ব্যাট করতে নামেন ফিলিপস। পরের ওভারে দেখলেন কেন
উইলিয়ামসনকেও সাজঘরে ফিরে যেতে। দলের রান তখন ১৫/৩। বিপদের সময় ড্যারিল মিচেলকে
নিয়ে ইনিংস মেরামত করেন তিনি। চতুর্থ উইকেটে দুজন মিলে বোর্ডে যোগ করেন ৬৪ বলে ৮৪
রান। এর মধ্যে ফিলিপস একাই করেন ৫৯!
১৫তম ওভারে ড্যারিল মিচেল আউট হয়ে যান। তখন দলের রান ৯৯/৪। এই অবস্থা থেকে
দলকে প্রায় একাই টেনে ১৬৭ পর্যন্ত নিয়ে যান ফিলিপস। তিনি আগ্রাসী ব্যাটিং করে নামের
পাশে আরো ৪৫ রান যোগ করেন। তাতে দলও পৌঁছে যায় সংহত অবস্থানে। রান তাড়া করতে নেমে
শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কখনই আশা জাগানোর মতো কিছু করতে পারেনি শ্রীলংকা।










