যেকোনো আইসিসি টুর্নামেন্টের আগে দলগুলো এক বা একাধিক ওয়ার্মআপ ম্যাচ খেলার সুযোগ পায়। এবারের আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফির আগে সেই সুযোগ সীমিত। এমনিতে ‘হাইব্রিড’ মডেল হওয়ার কারণে জটিলতা রয়েছে, সেই সঙ্গে ভারত, অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের মতো দলগুলো ওয়ার্মআপ ম্যাচ খেলবে আগ্রহ দেখায়নি। তবে একটি করে ওয়ার্মআপ ম্যাচ পাচ্ছে নিউজিল্যান্ড, বাংলাদেশ ও দক্ষিণ আফ্রিকা এবং দুটি ম্যাচ পায় আফগানিস্তান। বাংলাদেশ সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) একমাত্র ওয়ার্মআপ ম্যাচে পাকিস্তান শাহিনসের (এ দল) মুখোমুখি হবে। ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় বেলা ৩টায়।
সদ্যই ইংল্যান্ডের সঙ্গে পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলেছে ভারত। শ্রীলংকার মাঠে সদ্যই দুই টেস্টের সিরিজ খেলার পর দুই ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলেছে অস্ট্রেলিয়া। এদিকে, নিউজিল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকাকে নিয়ে ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজ খেলেছে স্বাগতিক পাকিস্তান। তাদের সবারই দারুণ প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে ওয়ার্মআপ ম্যাচের খুব একটা তাগিদ নেই। এরপরও আজ করাচিতে ওয়ার্মআপ ম্যাচে আফগানিস্তানের মুখোমুখি হয়েছে নিউজিল্যান্ড। শুক্রবার লাহোরে প্রথম ওয়ার্মআপ ম্যাচে শাহিনসের কাছে ১৪৪ রানের বড় ব্যবধানে হেরেছে আফগানরা।
বাংলাদেশি তারকারা সর্বশেষ ডিসেম্বরে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছেন। ৫০ ওভারের ফরম্যাটে প্রায় দুই মাস না খেললেও ঠিকই খেলার মধ্যে ছিলেন টাইগাররা। কেবলই শেষ হলো একাদশ বিপিএল আসর। এই ফরম্যাটে খেলেছেন বাংলাদেশ স্কোয়াডের ১৫ জন সবাই। দলের কম্বিনেশনের কারণে ফরচুন বরিশালের হয়ে শেষ দিকে বেশ কিছু ম্যাচ খেলা হয়নি অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর। এছাড়া বাকি সবাই খেলার মধ্যেই ছিলেন।
২০ ফেব্রুয়ারি দুবাইয়ে শক্তিশালী ভারতের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। টুর্নামেন্ট খেলতে গত শুক্রবার দুবাই পৌঁছে টাইগাররা। সোমবার ওয়ার্মআপ ম্যাচ খেলে ভারত ম্যাচের জন্য তৈরি হবেন শান্ত, মিরাজরা। টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের পরের দুই ম্যাচ পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডিতে। ২৪ ফেব্রুয়ারি নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ও ২৭ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের বিপক্ষে খেলবেন শান্তরা।










