টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নেদারল্যান্ডকে ১৪৫ রানের লক্ষ্য দিয়ে শুরুর ওভারেই তাদের কাঁপিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ। তাসকিন আহমেদ প্রথম দুই বলেই সাজঘরে পাঠিয়েছেন বিক্রমজিৎ সিং ও বাস ডি লিডকে। পরে তৃতীয় ওভার শেষ বলে হতে নে অধিনায়ক সাকিব নিজেই। তার প্রথম বলে বিশাল ছয় মারা পর রান আউট হন ম্যাক্স ডাউড। ওই ওভারেই শান্তের দারুণ থ্রোতে রান আউট হন টম কুপার।
১২.৫ ওভার শেষে ডাচদের সংগ্রহ ৬ উইকেটে ৬৬ রান।
এর দিন সকালে হোবার্টের বেলেরিভ ওভালে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ৫ ওভারে উদ্বোধনী জুটিতেই ৪৩ রান তুলে ফেলেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু এরপর নিয়মিত বিরতিতে বাংলাদেশের ব্যাটারদের উইকেট বিলিয়ে দিয়ে আসার মিছিল বাড়তে থাকায় রান আর আশানুরূপ বাড়েনি। সৌম্যর বিদায়ে এই জুটি ভাঙতেই দ্রুত বিপদেও পড়ে বাংলাদেশ।
৬৩ রানে ফেরেন শান্ত, লিটন ও সাকিব। ৭৬ রানে ইয়াসির আলী ফিরলে ভীষণ চাপে পড়ে যায় তারা। সেখান থেকে দলকে টেনে তুলতে বড় অবদান আফিফ হোসেনের। তার সর্বোচ্চ ৩৮ রানেই শেষ পর্যন্ত স্কোরটা ভালো পর্যায়ে গেছে। সোহানের সঙ্গে মিলে ৪৪ রান যোগ করেছেন। তার পর অবশ্য শেষ দিকে ১২ বলে মোসাদ্দেক হোসেনের অপরাজিত ২০ রানের কার্যকরী ইনিংস স্কোরটাকে সমৃদ্ধ করেছে। শেষ পর্যন্ত ৮ উইকেটে ১৪৪ রানে থেমে যেতে হয়েছে টাইগারদের। ডাচদের হয়ে ২১ রানে দুটি উইকেট নেন ফর মিকারেন। ২৯ রানে দুটি নেন বাস ডি লিডও। একটি করে উইকেট নেন ফ্রেড ক্লাসেন, টিম প্রিঙ্গল, লগান ফন বিক ও শারিজ আহমেদ।










