অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকার লড়াই মানেই রান উৎসব। ২০০৬ সালে জোহানেসবার্গে অস্ট্রেলিয়ার করা ৪৩৪ রান তাড়া করে ১ উইকেটের জয় পেয়েছিল প্রোটিয়ারা। এরপর দুই দলের আরো বহু ম্যাচে রান উৎসব হয়েছে। আজ আরেকবার ওয়ানডেতে এই দুই দলের ম্যাচে বড় দলীয় সংগ্রহ হলো। সেঞ্চুরিয়নে সিরিজের চতুর্থ ওয়ানডে ম্যাচে আগে ব্যাটিং করে ৫ উইকেটে ৪১৬ রান তুলেছে স্বাগতিকরা। হেনরিখ ক্লাসেন ৮৩ বলে ১৭৪, ডেভিড মিলার ৪৫ বলে ৮২ ও রাসি ফন ডার ডুসেন ৬৫ বলে ৬২ রান করেন।

 

৩৪.৪ ওভারশেষে প্রোটিয়াদের সংগ্রহ ছিল ১৯৪/৪। কিন্তু এরপর যা ঘটল তা অনেকটা অতিমানবীয়। পঞ্চম উইকেটে ক্লাসেন ও মিলার মাত্র ৯৪ বল মোকাবেলা করে বোর্ডে তুললেন ২৩৩ রান! ওয়ানডেতে এটাই দ্রুততম ডাবল সেঞ্চুরি পার্টনারশিপ। এর মধ্যে ক্লাসেনের একারই ৪৯ বলে ১২৯! আর মিলার করেন ৪৫ বলে ৮২ রান।

 

২০১৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ১২২ বলে ২০৪ রান করেছিলেন ইংল্যান্ডের জস বাটলার ও ইয়োন মরগান। আজ সেটিকে টপকে গেলেন মিলার ও ক্লাসেন।  

 

ক্লাসেন এর আগে ডুসেনকে নিয়ে চতুর্থ উইকেটে ৫৭ বলে ৭৪ রান যোগ করেন। এরপর মিলারকে নিয়ে মহাকাব্যিক এক জুটি গড়েন।

 

৩২ বছর বয়সী ক্লাসেন এর আগে ৩৯টি ওয়ানডে খেলে দুটি সেঞ্চুরি পান। সর্বোচ্চ স্কোর ১২৩। আজ করলেন ১৭৪। এটা দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে চতুর্থ সর্বোচ্চ এবং ওয়ানডেতে ৫ কিংবা তার নিচের পজিশনে নেমে দ্বিতীয় সেরা। সর্বোচ্চ ১৭৫ রান ভারতের কপিল দেবের (৬ নম্বর)। এছাড়া ২৫ ওভারের পরে নেমে কোনো ব্যাটারের সর্বোচ্চ স্কোরও এটা।

 

ওয়ানডেতে এটা দক্ষিণ আফ্রিকার তৃতীয় সর্বোচ্চ সংগ্রহ। সর্বোচ্চ সংগ্রহ ২০০৬ সালের বিখ্যাত সেই ম্যাচের ৪৩৮।

 

আজ অস্ট্রেলিয়ার স্পিনার অ্যাডাম জাম্পা ১০ ওভারে দিয়েছেন ১১৩ রান, যা ওয়ানডে ক্রিকেটে যুগ্মভাবে সর্বোচ্চ। ২০০৬ সালের সেই জোহানেসবার্গ ক্ল্যাসিকেই ১১৩ রান দিয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ার মিক লুইস।