রাওয়ালপিন্ডিতে সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় ও শেষ টেস্টে ইংল্যান্ডের ২৬৭ রানের জবাবে ১৭৭ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে বসে পাকিস্তান। সেখান থেকে টেল-এন্ড নিয়ে লড়াই করে স্বাগতিকদের ৭৭ রানের লিড এনে দিয়েছেন সৌদ শাকিল। ৯৬.৪ ওভারে ৩৪৪ রানে অলআউট হয় পাকিস্তান। এরপর স্পিনাররা পাকিস্তানকে বসিয়েছে চালকের আসনে। নোমান আলী ও সাজিদ খানের ঘূর্ণিতে ২০ রানে ৩ উইকেট হারায় অতিথিরা। দ্বিতীয় দিন শেষে স্কোর ২৪/৩। জো রুট ৫ ও হ্যারি ব্রুক ৩ রানে অপরাজিত রয়েছেন। দুই ইনিংস মিলে এখনো ৫৩ রানে পিছিয়ে বেন স্টোকসের দল।
রাওয়ালপিন্ডিতে দুই দলে মাত্র দুজন পেস বোলার, বাকি সবাই স্পিনার। পাকিস্তানও প্রথম ইনিংসে একমাত্র পেসার আমের জামালকে বোলিংয়েই আনেনি! সাজিদ খান, নোমান আলী, জাহিদ মাহমুদ ও আগা সালমান ৬৮.২ ওভার বল করেছেন। সাজিদ খান ১২৮ রানে ৬টি, নোমান আলী ৮৮ রানে ৪টি ও জাহিদ মাহমুদ ৪৪ রানে ১টি উইকেট নেন। ইংল্যান্ডের জেমি স্মিথ ৮৯, বেন ডাকেট ৫২ ও গাস অ্যাটকিসন ৩৯ রান করেন।
জবাব দিতে নেমে পাকিস্তানের টপ অর্ডার ব্যর্থ হওয়ার পর বাকিদের নিয়ে লড়ে যান শাকিল। তিনি অষ্টম উইকেটে নোমান আলীকে নিয়ে ১৫১ বলে ৮৮ রান যোগ করে দলকে ভালো অবস্থানে নিয়ে যান। এরপর সাজিদ খানকে নিয়ে ৭২ রানের আরেকটি দুর্দান্ত পার্টনারশিপ গড়ে দলের লিড নিশ্চিত করেন। শাকিল ১৮১ বলে ক্যারিয়ারের চতুর্থ টেস্ট সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। তার সর্বোচ্চ স্কোর ২০৮। আজ ২২৩ বলে ৫ বাউন্ডারিতে ১৩৪ রানের ইনিংস খেলে গাস অ্যাটকিনসনের শিকার হন তিনি। সাজিদ খান ৪৮ বলে ৪৮ ও নোমান আলী ৮৪ বলে ৪৫ রান করেন।
রেহান আহমেদ ৬৬ রানে ৪টি, শোয়েব বশির ১২৯ রানে ৩টি ও গাস অ্যাটকিনসন ২২ রানে দুটি উইকেট নেন।
এরপর দ্বিতীয় ইনিংসেও পাকিস্তানের ঘূর্ণির সামনে বিপদে পড়েছে ইংলিশরা। পঞ্চম ওভারে বেন ডাকেটকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেন সাজিদ খান। এরপর টানা দুই ওভারে জ্যাক ক্রলে ও ওলি পোপকে সাজঘরে ফেরান নোমান আলী। শনিবার তৃতীয় দিন দলকে টেনে তোলার ভার এখন জো রুট ও হ্যারি ব্রুকের কাঁধে।
মুলতানে দুই দলই জিতেছে একটি করে ম্যাচ। সিরিজ এখন ১-১।










