বাংলাদেশের দেয়া ১২৮ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে দ্রুত উইকেট হারিয়ে চাপে পড়েছে পাকিস্তান। এ রিপোর্ট লিখা পর্যন্ত সফরকারীদের সংগ্রহ ৬ ওভার ৪ উইকেট হারিয়ে ২৮ রান। ফখর জামান ৩ ও খুশদিল শাহর জুটিতে ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করছে পাকিস্তান।

এর আগে মোহাম্মদ রিজওয়ান ১১, বাবর আজম ৮, শূণ্য রানে হায়দার আলী ও রান আউটের শিকার হয়ে শোয়েব মালিক প্যাভিলিয়নে ফিরেন । তাদেরকে সাজঘরের পথ দেখান মুস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ ও মাহেদি হাসান।

এর আগে টপ অর্ডারের ব্যর্থতার ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১২৭ রান সংগ্রহ করেছে বাংলাদেশ।

আজ মিরপুর শের-ই-বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশের অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। লক্ষ্য ছিল আগে ব্যাট নিয়ে পাকিস্তানের সামনে বড় লক্ষ্য ছুঁড়ে দেয়া। কিন্তু বাংলাদেশের টপ অর্ডার সেই আশায় দিয়েছেন ছাই। ৪.৪ ওভারে ১৫ রান তুলতেই টপ অর্ডারের ৩ ব্যাটারকে হারায়ি স্বাগতিকরা। দুই ওপেনার মোহাম্মদ নাঈম শেখ ও সাইফ হাসান দু’জনেই ব্যক্তিগত ১ রান করে ফেরেন। ওয়ানডাউনে নামা নাজমুল হাসান শান্ত ফেরেন ৭ রানে। 

দলের মারকুটে ব্যটাররা যখন ব্যর্থ, তখন ইনিংস মেরামতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন পরের ব্যাটাররা। পাওয়ারপ্লেতে বাংলাদেশ স্কোরবোর্ডে জমা করে মাত্র ২৫ রান। যাতে ছিল মাত্র একটি চারের বাউন্ডারি! চারে নামা আফিফ হোসেন বাংলাদেশকে প্রথম বাউন্ডারির মুখ দেখান। চতুর্থ উইকেটে মাহমুদউল্লাহ-আফিফ খেলার হাল ধরার চেষ্টা করলেও দলীয ৪০ রানের মাথায় ভাঙে জুটি। ১১ বলে রিয়াদ ফেরেন ৬ রান করে। ম্যাচ আরেকটু সামনে নিয়ে ফিরতে হয় আফিফকেও। ৩৪ বলে ৩৬ রানের সেরা ইনিংস খেলেন তিনি। ২টি চার ও ছক্কায় ইনিঙসটি সাজান আফিফ। পরে নুরুল হাসান সোহানের ২২ বলে ২৮, শেখ মাহেদি হাসানের ২০ বলে ৩০ রানের ভর করে ১২৭ রান তোলে বাংলাদেশ।

সফরকারীদের হয়ে হাসান আলী ও ওভারে ২২ রানের বিনিময়ে ৩টি ও মোহাম্মদ ওয়াসিম জুনিয়র ৪ ওভারে ২৪ রানের নেন ২টি উইকেট।