ফরচুন বরিশাল: তামিম ইকবাল, মুশফিকুর রহিম, তাওহীদ হৃদয়, মাহমুদউল্লাহ, তানভীর ইসলাম, নাজমুল হোসেন, রিপন মন্ডল, এবাদত হোসেন, নাঈম হাসান, রিশাদ হোসেন, তাইজুল ইসলাম, শহিদুল ইসলাম, আরিফুল ইসলাম, ডেভিড মালান, কাইল মায়ার্স, মোহাম্মদ নবী, ফাহিম আশরাফ, আলী মোহাম্মদ, খান জাহানদাদ, জেমস ফুলার, পাথুম নিশাঙ্কা, নান্দ্রে বার্গার।
ঢাকা ক্যাপিটালস: মুস্তাফিজুর রহমান, তানজিদ হাসান, লিটন দাস, হাবিবুর রহমান, মুকিদুল ইসলাম, আবু জায়েদ, মুশফিক হাসান, সাব্বির রহমান, মুনিম শাহরিয়ার, আসিফ হাসান, শাহাদাত হোসেন, থিসারা পেরেরা, জনসন চার্লস, শাহনেওয়াজ দাহানি, মীর হামজা, স্টিফেন এসকিনেজি, সাইম আইয়ুব, আমির হামজা।
চট্টগ্রাম কিংস: সাকিব আল হাসান, শরীফুল ইসলাম, শামীম হোসেন, পারভেজ হোসেন, খালেদ আহমেদ, আলিস আল ইসলাম, মোহাম্মদ মিঠুন, নাঈম ইসলাম, মারুফ মৃধা, রাহাতুল ফেরদৌস, শেখ পারভেজ, মার্শাল আইয়ুব, মঈন আলী, উসমান খান, হায়দার আলী, অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুস, মোহাম্মদ ওয়াসিম জুনিয়র, বিনুরা ফার্নান্দো, গ্রাহাম ক্লার্ক, থমাস ও’কনেল।
খুলনা টাইগার্স: মেহেদী হাসান মিরাজ, আফিফ হোসেন, নাসুম আহমেদ, হাসান মাহমুদ, মোহাম্মদ নাঈম, ইমরুল কায়েস, মাহিদুল ইসলাম, আবু হায়দার, জিয়াউর রহমান, মাহফুজুর রহমান, মাহমুদুল হাসান, ওশান থমাস, মোহাম্মদ হাসনাইন, লুইস গ্রেগরি, মোহাম্মদ নেওয়াজ।
রংপুর রাইডার্স: নুরুল হাসান সোহান, মেহেদী হাসান, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, নাহিদ রানা, সাইফ হাসান, সৌম্য সরকার, রাকিবুল হাসান, রেজাউর রহমান, ইরফান শুক্কুর, কামরুল ইসলাম, তৌফিক খান, অ্যালেক্স হেলস, খুশদিল শাহ, আল্লাহ গজনফর, স্টিভেন রায়ান টেলর, সৌরভ নেত্রভালকার, আকিফ জাভেদ, কার্টিস ক্যাম্ফার।
সিলেট স্টাইকার্স: জাকির হাসান, জাকের আলী, তানজিম হাসান, রনি তালুকদার, মাশরাফি বিন মর্তুজা, আল আমিন হোসেন, আরাফাত সানি, রুয়েল মিয়া, আরিফুল হক, নিহাদুজ্জামান, নাহিদুল ইসলাম, পল স্টার্লিং, জর্জ মানসি, রাহকিম কর্নওয়াল, সামিউল্লাহ শেনওয়ারি, রিস টপলি।
দুর্বার রাজশাহী: এনামুল হক, তাসকিন আহমেদ, জিশান আলম, ইয়াসির আলী, সাব্বির হোসেন, সানজামুল ইসলাম, এসএম মেহরব হোসেন, আকবর আলী, হাসান মুরাদ, শফিউল ইসলাম, মোহর শেখ, সাদ নাসিম, লাহিরু সামারাকুন।
আজ সোমবারের (১৪ অক্টোবর) প্লেয়ার্স ড্রাফটে ১৯৮ জন দেশি ক্রিকেটারকে মোট ৬টি ভিন্ন ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়েছিল। সর্বোচ্চ ৬০ লাখ টাকার ‘এ’ ক্যাটাগরিতে ছিলেন ১২ জন। এদের মধ্যে ৭ জনকে সরাসরি চুক্তি বা ধরে রাখে দলগুলো। বাকি পাঁচজন—মাহমুদউল্লাহ, রিশাদ হোসেন, লিটন দাস, তাসকিন আহমেদ ও নাজমুল হোসেন শান্ত ড্রাফট থেকে দল পান।
এছাড়া ৪০ লাখ টাকার ‘বি’ ক্যাটাগরিতে ১২ জন, ২৫ লাখ টাকার ‘সি’ ক্যাটাগরিতে ২২ জন, ২০ লাখ টাকার ‘ডি’ ক্যাটাগরিতে ২৮ জন, ১৫ লাখ টাকা ‘ই’ ক্যাটাগরিতে ৫১ জন ও ১০ লাখ টাকার ‘এফ’ ক্যাটাগরিতে রাখা ৭৩ ক্রিকেটারকে রাখা হয়। এর বাইরে পাঁচটি ভিন্ন ক্যাটাগরিতে মোট ৪৪০ জন বিদেশি ক্রিকেটারের নাম ছিল প্লেয়ার্স ড্রাফটে।
বিদেশি খেলোয়াড়দের মধ্যে ৭০ হাজার ডলারের ‘এ’ ক্যাটাগরিতে ২০ জন, ৫০ হাজার ডলারের ‘বি’ ক্যাটাগরিতে ৩৮ জন, ৩০ হাজার ডলারের ‘সি’ ক্যাটাগরিতে ৬৬ জন, ২৫ হাজার ডলারের ‘ডি’ ক্যাটাগরিতে ১৩৫ জন ও ১৫ হাজার ডলারের ‘ই’ ক্যাটাগরিতে ১৮১ জন নিবন্ধন করেন।
ড্রাফটের আগে ঢাকা ক্যাপিট্যালস সরাসরি চুক্তি করে মুস্তাফিজুর রহমান, তানজিদ হাসানের সঙ্গে; চিটাগং কিংস সরাসরি চুক্তিতে নেয় সাকিব আল হাসান, শরিফুল ইসলাম এবং সরাসরি চুক্তিতে বিদেশি হিসেবে নেয় মঈন আলি, উসমান খান, হায়দার আলি, অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস, মোহাম্মদ ওয়াসিম জুনিয়র, বিনুরা ফার্নান্দোকে; দুর্বার রাজশাহী সরাসরি চুক্তিতে নেয় এনামুল হক, জিসান আলমকে; ফরচুন বরিশাল সরাসরি চুক্তিতে নেয় তাওহিদ হৃদয়কে এবং ধরে রাখে তামিম ইকবাল ও মুশফিকুর রহিমকে; সিলেট স্ট্রাইকার্স সরাসরি চুক্তিতে নেয় জাকের আলিকে ও ধরে রাখে নতানজিম হাসান, জাকির হাসানকে; খুলনা টাইগার্স সরাসরি চুক্তিতে মেহেদী হাসান মিরাজকে এবং ধরে রাখে আফিফ হোসেন, নাসুম আহমেদকে; রংপুর রাইডার্স সরাসরি চুক্তিতে মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনকে এবং ধরে রাখে নুরুল হাসান সোহান, শেখ মেহেদি হাসানকে নেয়।
ড্রাফটে ‘এ’ ক্যাটাগরিতে থাকা সবাই একে এক দল পেয়ে গেলেও উদীয়মান তারকা রিশাদ হোসেনকে কেউ নিচ্ছিল না। এটাই ছিল দুপুর পর্যন্ত আলোচিত ঘটনা। অবশেষে দুপুরের পর তিনি দল পেয়েছেন। ২২ বছর বয়সী এই লেগ স্পিনিং অলরাউন্ডারকে দলে ভেড়ায় বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ফরচুন বরিশাল। চ্যাম্পিয়নদের দলে আগেই আছেন তামিম ইকবাল ও মুশফিকুর রহিম। আজ তারা যুক্ত করল মাহমুদউল্লাহ, নাজমুল হোসেন শান্ত ও রিশাদকে।
রিশাদ ছিলেন ক্যাটাগরি ‘এ’–তে থাকা সর্বশেষ খেলোয়াড়। এর আগে ক্যাটাগরি ‘বি’–এর সব খেলোয়াড়ও দল পেয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু রিশাদ বিক্রি হচ্ছিলেন না। ৬০ লাখ টাকা দামের রিশাদ অবশেষে চতুর্থ সেটের প্রথম রাউন্ডে গিয়ে দল পান। প্লেয়ার্স ড্রাফটে স্থানীয়দের মধ্যে ৪৩ নম্বরে গিয়ে তিনি দল পান।
বিপিএলের সর্বশেষ আসরে এই লেগ স্পিনার ছিলেন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সে। তবে খুব একটা খেলার সুযোগ পাননি অবশ্য। সুযোগ পান মাত্র ৪ ম্যাচে। ৩ ইনিংসে ৯ ওভার বল করে ৮.৩৩ ইকোনমিতে নিয়েছিলেন ৬ উইকেট।
সাবেক অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজাকে ক্যাটাগরি ‘বি’ থেকে দলে নিয়েছে সিলেট স্ট্রাইকার্স। বাংলাদেশ দলের তিনি গত বছরও এই দলের হয়ে খেলেছিলেন। যদিও চোটের কারণে খুব কম ম্যাচেই তাকে দেখা গেছে।










