তবে মেক্সিকোর জয় ছাপিয়ে বেশি আলোচনায় লাল কার্ড। ম্যাচে তিনবার লাল কার্ড দেখিয়েছেন রেফারি। বিশ্বকাপের ৯৬ বছরের ইতিহাসে উদ্বোধনী ম্যাচে এটাই সর্বোচ্চ লাল কার্ডের রেকর্ড। এর দুটি দেখেছে দক্ষিণ আফ্রিকা, অন্যটি মেক্সিকো।
শুরু থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেয় মেক্সিকো। নবম মিনিটে দক্ষিণ আফ্রিকার রক্ষণভাগের বড় ভুল কাজে লাগিয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপের প্রথম গোলটি করেন হুলিয়ান কিনোনেস। গোলরক্ষক উইলিয়ামসের সহজ পাস নিয়ন্ত্রণে নিতে ব্যর্থ হন স্পেপেলো সিথোলে। সেই সুযোগে এরিক লিরা বল কেড়ে নিয়ে কিনোনেসকে সুযোগ করে দেন। মেক্সিকোর ফরোয়ার্ড ঠান্ডা মাথায়, দুর্দান্ত এক শটে বল জালে জড়িয়ে বিশ্বকাপের প্রথম গোলদাতা হিসেবে নিজের নাম লিখিয়ে নেন।
গোল হজমের পর ধীরে ধীরে ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করে দক্ষিণ আফ্রিকা। তবে প্রথমার্ধের অধিকাংশ সময়ই মেক্সিকোর আধিপত্য ছিল স্পষ্ট।
দ্বিতীয়ার্ধ শুরু হতেই আরও বিপদে পড়ে দক্ষিণ আফ্রিকা। ৪৯ মিনিটে গুতিয়েরেসকে নিশ্চিত গোলের সুযোগ থেকে বঞ্চিত করায় সিথোলে সরাসরি লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন।
৬৭ মিনিটে ম্যাচের ভাগ্য প্রায় নিশ্চিত করে দেন রাউল হিমেনেজ। ডান প্রান্তে রবার্তো আলভারাদোর নিখুঁত ক্রসে দারুণ হেডে বল জালে পাঠিয়ে মেক্সিকোর ব্যবধান দ্বিগুণ করেন তিনি।
৮৪ মিনিটে বদলি খেলোয়াড় থেম্বা জোয়ানে আলভারাদোর মুখে হাত লাগিয়ে সহিংস আচরণের দায়ে সরাসরি লাল কার্ড দেখেন। ফলে দক্ষিণ আফ্রিকা নেমে আসে ৯ জনে।
নাটকীয়তার শেষ অধ্যায় যোগ হয় যোগ করা সময়ে। ৯০+২ মিনিটে দক্ষিণ আফ্রিকার দ্রুত পাল্টা আক্রমণে মুদাউকে গোলের সুযোগ থেকে বঞ্চিত করায় মেক্সিকোর অধিনায়ক সিজার মন্তেসও সরাসরি লাল কার্ড দেখেন। ফলে ম্যাচে মোট তিনটি লাল কার্ড দেখান রেফারি।
২-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে মেক্সিকো।










