বাংলাদেশকে হারিয়ে আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে ভারত শুভসূচনা করলেও ভবিষ্যৎ নিয়ে ক্রমেই চাপ বাড়ছে রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলির ওপর। বাংলাদেশের বিপক্ষে অধিনায়ক রোহিত ৩৬ বলে ৪১ ও কোহলি ৩৮ বলে ২২ রান করেন। টুর্নামেন্ট জুড়ে খারাপ ফর্মে থাকলে সাদা বলের ক্রিকেট থেকে তাদের দ্রুতই বিদায় নিতে হতে পারে। সাবেক স্পিনার ও ভারতীয় দলের সাবেক হেড কোচ অনিল কুম্বলে বলেছেন, রোহিত ও কোহলিদের ব্যাপারে যেন কঠোর হন বর্তমান কোচ গৌতম গম্ভীর। প্রয়োজনে তাদের ‘ছেঁটে’ ফেলারও পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
২০২৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে শিরোপা জয়ের পরপরই এই ফরম্যাট থেকে অবসর নিয়ে নেন রোহিত ও কোহলি। এখন তারা খেলে যাচ্ছেন ওয়ানডে আর টেস্ট। তবে ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপে তারা খেলতে পারবেন কিনা তা অনেকটা নির্ভর করছে চলতি চ্যাম্পিয়নস ট্রফির পারফরম্যান্সের ওপর। কোচ গম্ভীরকে এখানে শক্ত হওয়ার পরামর্শ দিয়ে বলেছেন, প্রয়োজন পড়লে তাদের ছেঁটে ফেলে যেন তরুণদের সুযোগ দেয়া হয়।
এক ওয়েবসাইটকে কুম্বলে বলেছেন, ‘এই প্রতিযোগিতাটি ভারতের কোচের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দলের সুর পাল্টে দিতে হলে এখনই কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হবে এবং সেটি শক্ত হাতে করতে হবে কোচকেই। এই প্রতিযোগিতায়ই ঠিক হয়ে যাবে সিনিয়রদের ভবিষ্যৎ। জিতুক না হারুক, যত তাড়াতাড়ি এই দলবদল হবে ততই ভালো। ২০২৭-এর বিশ্বকাপের দিকে তাকানোর আগে দ্রুতই দলে বদল দরকার।’
কুম্বলের পরামর্শ মেনে গম্ভীর সিদ্ধান্ত নিলে হয়তো রোহিত ও কোহলির এটাই শেষ আইসিসি ট্রফি। কুম্বলের মতে, দলের সিনিয়রদের নিয়ে কাটাছেঁড়ার কাজটি চ্যাম্পিয়নস ট্রফির পরেই শুরু করা উচিত।
এ নিয়ে কুম্বলে বলেছেন, ‘আপনি এমন দল নিয়ে বিশ্বকাপে যেতে চাইবেন যারা একসঙ্গে ২০-২৫টা ম্যাচ খেলেছে। তখন ম্যাচের পরিস্থিতি এবং কার ওপর নির্ভর করা যাবে সেটা খুঁজে বের করতে পারবেন কোচ। এখন কোচকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে তিনি সিনিয়রদের নিয়েই বিশ্বকাপে যাবেন নাকি তরুণদের সুযোগ দেবেন। কোচের হাতে অনেক তরুণ খেলোয়াড় আছে।’
৩৬ বছর বয়সী কোহলি ২৯৮ ওয়ানডেতে রেকর্ড ৫০ সেঞ্চুরিসহ ১৩ হাজার ৯৮৫ রান করেছেন আর ৩৭ বছর বয়সী রোহিত ২৬৯ ম্যাচ খেলে ৩২ সেঞ্চুরিতে করেছেন ১১ হাজার ২৯ রান। আর ৫০টি রান করলেই শ্রীলংকার কুমার সাঙ্গাকারাকে টপকে সর্বকালের রান সংগ্রাহকের তালিকায় দুইয়ে উঠবেন কোহলি। ১৮ হাজার ৪২৬ রান করে সবার ওপরে শচীন টেন্ডুলকার।










