সিরিজের শেষ টি-টোয়েন্টিতে পাকিস্তানকে ১২৫ রানের টার্গেট দিয়েছে বাংলাদেশ। টস জিতে আগে ব্যাট করে ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১২৪ রান সংগ্রহ করেছে স্বাগতিকরা। নঈম শেখ সর্বোচ্চ ৪৭ রান করেন বাংলাদেশের হয়ে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ব্যাটারদের টেস্টসুলভ ইনিংসের কারণে এ ম্যাচে বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জিং সংগ্রহ হয়নি।
নাঈম শেখের সঙ্গে এ ম্যাচে সাইফ হাসানের জায়গায় ওপেনিং করতে নামেন নাজমুল হোমেন শান্ত। কিন্তু তিনিও ব্যর্থ হন। ৫ রান করে সাজঘরের পথ ধরেন। ওয়ানডাউনে নেমে ২৩ বলে ২২ রানের মন্থর ইনিংস খেলে ফেরেন শামীম পাটোয়ারী। ২১ বলে ২০ রান করেন আফিফ হোসেন। দেখেশুনে খেলতে থাকা ওপেনার নাঈম হাফসেঞ্চুরির খুব কাছ থেকে ফিরে যান। ৫০ বলে ৪৭ রান করেন তিনি। তার ইনিংসে ছিল দুটি করে চার ও ছক্কা।
১৪ বলে ১৩ রান আসে অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের ব্যাট থেকে। নুরুল হাসান করেন ৪ রান।
পাকিস্তানের বোলারদের মধ্যে মোহাম্মদ ওয়াসিম
জুনিয়র ৪ ওভারে ১৫ রান দিয়ে ২টি ও ৪ ওভারে ৩৫ রানের বিনিময়ে ওসমান কাদিরও নিয়েছেন
২টি উইকেট।
আজ মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে
একাদশে তিন পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ দল। দলে যুক্ত হয়েছেন শামীম
পাটোয়ারী, নাসুম আহমেদ ও শহিদুল ইসলাম। বাদ পড়েছেন সাইফ
হাসান, মুস্তাফিজুর রহমান ও শরিফুল ইসলাম। পাকিস্তান
একাদশ চার পরিবর্তন এনেছে। সন্তানের অসুস্থতায় শেষ ম্যাচ না খেলে দেশে ফিরেছেন
শোয়েব মালিক। বিশ্রাম দেয়া হয়েছে ফখর জামান,
শাদাব খান ও
শাহীন শাহ আফ্রিদিকে। তাদের স্থলাভিষিক্ত হিসেবে দলে নেয়া হয়েছে সরফরাজ আহমেদ, ওসমান কাদির,
ইফতেখার আহমেদ
ও শাহনওয়াজ দাহানিকে।










