জোহানেসবার্গে আজ সিরিজ জয়ের স্বপ্ন নিয়ে দ্বিতীয় ওয়ানডে খেলতে নামা বাংলাদেশ দুশ রানও করতে পারেনি। তামিম ইকবালের দল ৯ উইকেটে ১৯৪ রান তুলতে সমর্থ হয়েছে। ফলে সিরিজে সমতা আনতে মরিয়া দক্ষিণ আফ্রিকা সহজ টার্গেটই পেয়েছে।

 

দ্য ওয়ান্ডারার্স স্টেডিয়ামে আজ টস জিতে ব্যাটিং নেয়া বাংলাদেশ শুরুতেই পড়ে ব্যাটিং বিপর্যয়ে। ৩৪ রানেই ৫ উইকেট হারিয়ে ফেলে সফরকারীরা। এরপর মাহমুদউল্লাহ ও আফিফ হোসেন বুক চিতিয়ে লড়াই করে বিপর্যয় সামাল দেয়ার চেষ্টা করেন। যদিও ৬০ রান তোলার পর মাহমুদউল্লাহর বিদায়ে ভাঙে এ জুটি। এরপর আফিফ ও মেহেদী হাসান মিরাজের ৮৬ রানের জুটিতে দলের সংগ্রহটা দুশর কাছাকাছি যায়।

 

ফাস্ট বোলার কাগিসো রাবাদা ও লুঙ্গি এনগিডি বাংলাদেশের টপ অর্ডার গুঁড়িয়ে দিয়েছেন। তৃতীয় ওভারে মাত্র এক রান করে লুঙ্গির শিকার হন তামিম। আগের ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় সাকিব আল হাসান এদিন ৬ বলে কোনো রান না করেই রাবাদার শিকার হয়ে ফিরে যান সাজঘরে।

 

লিটন দাস ও মুশফিকুর রহিম স্থিতি আনার চেষ্টা করলেও খুব বেশি সময় টিকতে পারেননি। লিটন ২১ বলে ১৫ রান করে রাবাদার বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন। এরপর দলীয় ৩৪ রানে পরপর দুটি উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ১২তম ওভারের শেষ বলে ইয়াসির আলীকে আউট করেন রাবাদা, আর মুশফিক লেগ বিফোর হন ওয়েন পারনেলের বলে।

 

এরপর মাহমুদউল্লাহ ও আফিফ ৮৭ বলে ৬০ রানের জুটি গড়ে দলকে ভরাডুবি থেকে বাঁচিয়েছেন। ৪৪ বলে ২৫ রানের লড়াকু ইনিংস খেলে স্পিনার তাবরাইজ শামসির বলে ইয়ান্নেমান মালানকে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন মাহমুদউল্লাহ। এরপর ১১২ বল খেলে ৮৬ রানের জুটি গড়েন আফিফ ও মিরাজ। অনবদ্য বোলিং করা রাবাদা এ দুজনকেই ফিরিয়ে রানের চাকা ফের শ্লথ করেছেন। আফিফ ১০৭ বলে ৭ বাউন্ডারির সাহায্যে ৭২ রান করেন, আর মিরাজ ৪৯ বলে খেলেন ৩৮ রানের ইনিংস। তিনি একটি বাউন্ডারি ও দুটি ছক্কা মেরেছেন।

 

রাবাদা ১০ ওভারে ৩৯ রান দিয়ে তুলে নেন পাঁচটি উইকেট। এছাড়া লুঙ্গি ৩৪ রানে একটি, পারনেল ৬ রানে একটি ও রাসি ফন ডার ডুসেন ৩ রানে একটি উইকেট নেন।