এশিয়া কাপ টি-টোয়েন্টিতে চতুর্থবারের মতো ফাইনাল খেলার স্বপ্নভঙ্গ হলো বাংলাদেশের। গতকাল দুবাইয়ে ‘নকআউট’-এ রূপ নেয়া সুপার ফোরের ম্যাচে দুর্দান্ত বোলিং প্রদর্শনীতে পাকিস্তানকে ৮ উইকেটে ১৩৫ রানে আটকে দিলেও জিততে পারেনি বাংলাদেশ। অধিনায়ক লিটন দাসবিহীন বাংলাদেশ দল প্রথম ওভার থেকে নিয়মিত উইকেট হারাতে থাকে। অলআউট না হলেও নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১২৪ রান তুলতে সমর্থ হয়।
এ হারে ২০১৮ সালের পর ফের এশিয়া কাপের ফাইনালে খেলা হলো না টাইগারদের। ১১ রানের এ জয়ে ফাইনালে উঠে গেল পাকিস্তান। রোববার দুবাইয়ে ভারত-পাকিস্তান ফাইনাল। এ নিয়ে চলতি আসরে তৃতীয়বারের মতো মুখোমুখি হবে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দল।
দুবাই ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়ামে গতকাল সুপার ফোরে নিজেদের শেষ ম্যাচে টস জিতে পাকিস্তানকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় বাংলাদেশ। আগে বোলিং নেয়া টাইগাররা শুরু থেকেই অসাধারণ পারফর্ম করে পাকিস্তানকে কোণঠাসা করে রাখে ম্যাচের বেশির ভাগ সময়। তাসকিন আহমেদ, শেখ মেহেদী হাসানকে সাঁড়াশি আক্রমণের মুখে একটা পর্যায়ে ৪৯ রানে ৫ উইকেট হারায় পাকিস্তান। শেষ দিকে টেলএন্ডের লড়াইয়ে ৮ উইকেটে ১৩৫ রান তুলতে সমর্থ হয় সালমান আগার দল।
প্রথম ওভারেই শাহিবজাদা ফারহানকে ফেরান তাসকিন। পরের ওভারে মেহেদী হাসানের শিকারে পরিণত হন সাইম আইয়ুব। অধিনায়ক সালমান আগাকে নিয়ে হাল ধরার চেষ্টা করছিলেন ফখর জামান। যদিও সপ্তম ওভারে প্রথমবার আক্রমণে এসেই ফখরকে সাজঘরে পাঠান স্পিনার রিশাদ হোসেন। এরপর দলের পঞ্চাশ পূর্ণ হওয়ার আগেই সালমান (২৩ বলে ১৯) ও হুসাইন তালাতও (৩) সাজঘরের পথ ধরেন (৪৯/৫)। সালমানকে আউট করেন মুস্তাফিজুর, আর তালাতকে ফেরান রিশাদ।
মারমুখী খেলা শাহিন শাহ আফ্রিদিকে (১৩ বলে ২ ছক্কায় ১৯) থামান তাসকিন। তিনি উইকেটকিপার জাকের আলীকে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান সাজঘরে। সপ্তম উইকেট জুটিতে ২৪ বলে ৩৮ রান যোগ করে পাকিস্তানের সংগ্রহ একশ পার করান মোহাম্মদ হারিস (২৩ বলে ৩১) ও মোহাম্মদ নওয়াজ (১৫ বলে ২৫)। শেষ দিকে ফাহিম আশরাফ ৯ বলে ১৪ রান তুলে দলের সংগ্রহটা ভদ্রস্থ করেন। অভিজ্ঞ তাসকিন আহমেদ তিনটি এবং মেহেদী হাসান ও রিশাদ হোসেন দুটি করে উইকেট নেন।
বুধবার বাংলাদেশকে হারিয়ে সবার আগে ফাইনালে জায়গা করে নেয় ভারত। তাদের সামনে এবার নবম শিরোপার হাতছানি। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ছয়বার শিরোপা জিতেছে শ্রীলংকা, পাকিস্তান জিতেছে দুবার।










