হায়দরাবাদে আজ শনিবার মাহমুদউল্লাহর বিদায়ী ম্যাচে ভারতের কাছে ১৩৩ রানের বিশাল ব্যবধানে হেরেছে বাংলাদেশ। এটি ছিল মাহমুদউল্লাহর ১৪১তম টি-টোয়েন্টি ম্যাচ।

সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচে বাংলাদেশের বোলারদের কচুকাটা করে ৬ উইকেটে ২৯৭ রানের সৌধ গড়ে ভারত। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচে এটা ভারতের সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ, সব দল মিলে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ, টেস্ট খেলুড়ে দেশগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ এবং বাংলাদেশের বিপক্ষে সর্বোচ্চ সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহের রেকর্ড। জবাব দিতে নেমে ৭ উইকেটে ১৬৪ রান তুলতে সমর্থ হয় বাংলাদেশ। এর মধ্য দিয়ে স্বাগতিকরা টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতে নিল ৩-০ ব্যবধানে।

টি-টোয়েন্টি সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ নেপালের। গত বছর চীনের হাংঝুতে এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে মঙ্গোলিয়ার বিপক্ষে ৩ উইকেটে ৩১৪ রান তুলে রেকর্ড গড়ে তারা। আজ বাংলাদেশের বিপক্ষে নেপালের এই সংগ্রহ টপকে যাওয়ার সম্ভাবনা জাগিয়েও শেষ পর্যন্ত পারেনি ভারত।

ভারতের সাঞ্জু স্যামসন আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে প্রথম সেঞ্চুরি করেন মাত্র ৪০ বলের মোকাবেলায়। তিনি ৪৭ বলে ১১টি চার ও ৭ ছক্কায় ১১১ রান করেন আউট হন। এছাড়া অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব ৩৫ বলে ৭৫, হার্দিক পান্ডিয়া ১৮ বলে ৪৭ ও রাইয়ান পরাগ ১৩ বলে ৩৪ রান করেন।

এর আগে ভারতের সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ ছিল শ্রীলংকার বিপক্ষে ৫ উইকেটে ২৬০ রান। আর বাংলাদেশের বিপক্ষে সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ ২২৪ রান করেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা।

টস জিতে ব্যাটিং নেয়া ভারতের ব্যাটাররা শুরু থেকেই ব্যাটে টর্নেডো বইয়ে দেন। তৃতীয় ওভারে আক্রমণে এসেই প্রথম বলে অভিষেক শর্মাকে আউট করেন তানজিম হাসান সাকিব। যদিও এরপর রানের গতি না কমে বরং অনেক বেড়ে যায়। ঝড় বইয়ে দেন স্যামসন ও সূর্যকুমার। স্যামসন ২২ বলে ফিফটি তুলে নেন। ভারত ৪.২ ওভারে ৫০ ও ৭.১ ওভারে ১০০ পূর্ণ করে। স্যামসন ও সূর্যকুমার ৭০ বলের মোকাবেলায় ১৭৩ রানের অবিশ্বাস্য জুটি গড়েন। শেষ দিকে হার্দিক পান্ডিয়া ও রাইয়ান পরাগের ঝড়ে দলের সংগ্রহ তিনশ ছুঁইছুঁই হয়ে যায়।