গল টেস্টে কর্তৃত্ব করে জয়ের পর এবার কলম্বো টেস্টেও বড় জয় পেল পাকিস্তান। সফরকারীরা জিতেছে ইনিংস ও ২২২ রানের বিশাল ব্যবধানে। এটা শ্রীলংকার বিপক্ষে পাকিস্তানের সবচেয়ে বড় জয়, আর ইনিংসে জয়ের হিসেবে সব দেশ মিলে চতুর্থ বৃহত্তম। পাকিস্তানের সবচেয়ে বড় জয়টি নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে। ২০০২ সালে লাহোরে কিউইদের ইনিংস ও ৩২৪ রানে হারিয়েছিল তারা।

 

শুধু রানের হিসেবে শ্রীলংকার বিপক্ষে ৩০১ রানের জয় আছে পাকিস্তানের।

 

আজকের এই জয়ে ২-০তে সিরিজ নিশ্চিত করল বাবর আজমের দল।

 

প্রথম ইনিংসে ৪১০ রানের বিশাল ব্যবধানে পিছিয়ে থেকে আজ বৃহস্পতিবার চতুর্থ দিন ব্যাটিং করতে নামা শ্রীলংকা দ্বিতীয় ইনিংসে ১৮৮ রানে অলআউট হয়ে যায়। স্পিনার নোমান আলী ৭টি ও পেসার নাসিম শাহ তিনটি উইকেট নেন।  

 

লংকানরা প্রথম ইনিংসে ১৬৬ রানে অলআউট হওয়ার পর আব্দুল্লাহ শফিকের ডাবল সেঞ্চুরি (২০১) ও আগা সালমানের সেঞ্চুরিতে (১৩২) ভর করে পাঁচশোর্ধ্ব সংগ্রহ পায় পাকিস্তান। ৫৬৩/৫ সংগ্রহ নিয়ে আজ মাঠে নামা অতিথিরা আর ১৩ রান বোর্ডে যোগ করে ইনিংস ঘোষণা করে (৫৭৬/৫/ডি.)।

 

বিশাল রানে চাপা পড়া লংকানরা দ্বিতীয় ইনিংসে পড়ে নোমান আলীর ঘূর্ণির সামনে। চা বিরতির আগে সিংহলিজদের পতন হওয়া ৬টি উইকেটই নেন এই বামহাতি অর্থোডক্স স্পিনার। পরে তিনি আরো একটি উইকেট শিকার করেন। শেষ তিনটি উইকেট নেন নাসিম। আজ খেলা হয় ৬৮ ওভারের, যার মধ্যে নোমান আলী একাই করেন ২৩ ওভার এবং আটটি মেডেন ওভার পান।

 

২০২১ সালের পর এই প্রথম ঘরের মাঠে ২-০তে কিংবা টেস্ট সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হলো শ্রীলংকা। আর শ্রীলংকাকে তাদেরই মাঠে ৩০ বছর পর হোয়াইটওয়াশ করল পাকিস্তান। সর্বশেষ ১৯৯৪ সালে ২-০তে জিতেছিল তারা। তখন জাতীয় নির্বাচনের সময় উদ্ভূত কারফিউর কারণে তিন ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয়টি বাতিল করা হয়েছিল।  

 

সংক্ষিপ্ত স্কোর

শ্রীলংকা: ১৬৬ (ধনাঞ্জয়া ৬৭; আববার ৪/৬৯, নাসিম ৩/৪১) ও ১৮৮ (ম্যাথুজ ৬৩*, করুনারত্নে ৪১; নোমান আলী ৭/৭০, নাসিম ৩/৪৪)।পাকিস্তান: ৫৭৬/৫/ডি. (শফিক ২০১, আগা সালমান ১৩২, শান মাসুদ ৫১, মোহাম্মদ রিজওয়ান ৫০*; আসিথা ফার্নান্দো ৩/১৩৩, প্রবথ জয়সুরিয়া ২/১৯৪)। ম্যাচসেরা: আব্দুল্লাহ শফিক (পাকিস্তান)। সিরিজসেরা: আগা সালমান (পাকিস্তান)। সিরিজ: পাকিস্তান ২-০তে জয়ী।