নবম নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ফাইনালে আজ মুখোমুখি হবে নিউজিল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকা। নিউজিল্যান্ডের এটা তৃতীয় ও দক্ষিণ আফ্রিকার দ্বিতীয় ফাইনাল। টি-টোয়েন্টি কিংবা ওয়ানডে যেকোনো ফরম্যাটের ক্রিকেটে প্রথমবার বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হওয়ার আশায় খেলতে নামছে নিউজিল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকা। দুবাই ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় রাত ৮টায়। ফল যেদিকেই যাক না কেন, টি-টোয়েন্টির নতুন বিশ্ব চ্যাম্পিয়নের দেখা মিলবে আজ।

শুক্রবার দ্বিতীয় সেমিফাইনালে সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৮ রানে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে নিউজিল্যান্ড। শারজায় আগে ব্যাটিংয়ে নেমে ৯ উইকেটে ১২৮ রান তোলে কিউই নারীরা। রান তাড়া করতে নেমে ক্যারিবীয় নারীরা ৮ উইকেটে ১২০ রান তুলতে সমর্থ হয়।

এর মধ্য দিয়ে ১৪ বছর পর নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠে নিউজিল্যান্ড। সর্বশেষ ২০১০ সালের আসরে ব্রিজটাউনের কেনসিংটন ওভালে ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে পরাজিত হয় তারা। ২০০৯ সালে ইংল্যান্ডের লর্ডস ফাইনালেও কিউইরা হেরেছিল একই দলের কাছে। দুটি ফাইনালে পরাজিত সোফি ডিভাইনের দল তৃতীয়বারের মতো শিরোপার লড়াইয়ে নামছে।

যদিও তাদের সামনে শক্ত দেয়াল। প্রোটিয়ারাও শিরোপার জন্য মরিয়া হয়ে খেলবে। তারা প্রথম শিরোপার স্বপ্নে বিভোর। সেমিফাইনালে টি-টোয়েন্টির পরাশক্তি অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে এসেছে বলে বাড়তি আত্মবিশ্বাস নিয়ে খেলবেন লরা উলভার্ট, তাজমিন ব্রিটসরা। সেমিফাইনালের ছন্দ ধরে রাখতে পারলে আজ কিউইদের হারানো তাদের জন্য অসম্ভব হবে না।

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আগের আটবারের মধ্যে ছয়বার শিরোপা জিতেছে অস্ট্রেলিয়া। এছাড়া ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও ইংল্যান্ড জিতেছে একবার করে। বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা এবার সেমিফাইনাল থেকে বিদায় নিয়েছে। গতবার ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়েছিল অজিরা। এবার শেষ চারে সেই হারের প্রতিশোধ নেয় প্রোটিয়া নারীরা।

টানা ১০ ম্যাচে হেরে বিশ্বকাপ খেলতে নামে নিউজিল্যান্ড। যদিও প্রথম ম্যাচে ভারতকে হারিয়ে দেয়ার পর বদলে যায় তারা। এরপর তারা অপ্রতিরোধ্য। অস্ট্রেলিয়া ছাড়া আর কারো কাছে হারেনি। ব্যাটিং নিয়ে ধুঁকলেও বোলিংটা অবিশ্বাস্য হচ্ছে ‘হোয়াইট ফার্ন’দের।

চলতি নবম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আসর আয়োজনের কথা ছিল বাংলাদেশের। যদিও জুলাই-আগস্টের গণ-আন্দোলনে সরকার পতনের পর উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বিশ্বকাপ আয়োজনের মতো পরিস্থিতি ছিল না। ফলে আইসিসি আসরটি সরিয়ে নেয় সংযুক্ত আরব আমিরাতে। এর আয়োজক স্বত্ব বাংলাদেশেরই থাকছে।