রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৯ সালে ভারতের মেঘালয়ের রাজধানী শিলং গিয়েছিলেন। সেখানে বসেই তিনি লিখেছিলেন অমিত-লাবণ্যকে নিয়ে উপন্যাস ‘শেষের কবিতা’। শেষের কবিতা নিয়ে দুই বাংলায়ই বিভিন্ন সময়ে নানা ধরনের কনটেন্ট তৈরি হয়েছে। সে ধারাবাহিকতায় এবার বাংলাদেশেও তৈরি হচ্ছে শেষের কবিতা। ডা. শ্রেয়া সেনের উদ্যোগে চ্যানেল আইয়ের ইউটিউব চ্যানেলে প্রচারের জন্য কবিতা আবৃত্তির পাশাপাশি ‘বনের দীঘি’ স্টুডিওর কর্ণধার ফৌজিয়া জাহানের ফটোশুটের মাধ্যমে উঠে আসবে শেষের কবিতা। যাতে অমিত চরিত্রে অভিনয় করেছেন কলকাতার জনপ্রিয় অভিনেতা পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়। লাবণ্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন শ্রেয়া সেন। পাশাপাশি শোভন লাল চরিত্রে অভিনয় করেছেন শাশ্বত দত্ত।
এবারের আয়োজন নিয়ে শ্রেয়া সেন বলেন, ‘ফৌজিয়ার সঙ্গে পরিকল্পনা করেই মূলত রবীঠাকুরের শেষের কবিতা উপন্যাস নিয়ে কিছু একটা করার পরিকল্পনা করি। বাংলাদেশ থেকে কাউকে অমিত করারও পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু আনুষঙ্গিক নানা বিষয়ে মিলছিল না, বিধায় শেষ পর্যন্ত আমরা পরমব্রতের সঙ্গে যোগাযোগ করি। বলা যায় টানা তিনদিন তিনি আমাদের এ কাজের জন্য সময় দিয়েছেন। তার আন্তরিকতায় ও কাজে আমরা মুগ্ধ। যদিও আমি পেশাগতভাবে একজন ডাক্তার। তার পরও আমি আবৃত্তি, অনুবাদ এসবের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তাই আমার দীর্ঘদিনের ইচ্ছে ছিল শেষের কবিতা নিয়ে কিছু একটা করার। অবশেষে স্বপ্নটা পূরণ হলো, তাও আবার পরমব্রতের সঙ্গে। তিনি অমিত আর আমি লাবণ্য—এটা ভাবতেই ভীষণ ভালো লাগে। এটা যে জীবনের কত বড় প্রাপ্তি তা আসলে ভাষায় প্রকাশের নয়।’
স্বয়ং রবীন্দ্রনাথের চরিত্রে এর আগে অভিনয় করেছেন পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়। বাংলাদেশে অমিতের চরিত্র করার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কটা পেশাদারি নয়, আত্মীয়তার। কারণ আমার মাসি এখানকার নাগরিক। সে সূত্রে বাংলাদেশের সঙ্গে আমার আত্মিক যোগাযোগ। এর আগে সিনেমায় অভিনয়ের জন্য এসেছি। এবারের কাজটি একেবারেই নতুন ধরনের অভিজ্ঞতা। একটা ফটো স্টোরিতে কাজ করা। ছবির মাধ্যমে গল্প বলা। সে নতুন প্রচেষ্টা যারা করেছে, সেই ফৌজিয়া ও শ্রেয়ার ভাবনাকে আমি সাধুবাদ জানাই। সেটাকে সমর্থন এবং তাদের সঙ্গে কাজ করতেই এবার মূলত ঢাকায় আসা।’
এরই মধ্যে কাজটি শেষ হয়েছে। রবীন্দ্রজয়ন্তীতে দেখা যাবে চ্যানেল আইয়ের ইউটিউবে।










