দামি ঘড়ি নিয়ে বিপাকে পড়েছেন আর্নল্ড শোয়ার্জনেগার। এজন্য বিমানবন্দরে ৩ ঘণ্টা আটকে থাকতে হয়েছে অভিনেতাকে। মিউনিখ বিমানবন্দরে এ ঘটনা ঘটে। কাস্টমস অফিসাররা তার ঘড়ির কোনো দলিল পাননি। সাধারণত দামি ঘড়ি বা অন্য কোনো বিলাসপণ্য সঙ্গে থাকলে তার ‘সাপোর্টিং ডকুমেন্ট’ নিতে হয়। শোয়ার্জনেগার এ সম্পর্কে কাস্টমসকে কোনো তথ্য দেননি বা নথিবদ্ধ করেননি। অস্ট্রিয়া ভ্রমণের সময় বিষয়টি নিয়ে সমঝোতায় আসার জন্য প্রায় ৩ ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়েছে অভিনেতাকে।