মিউজিক্যাল ফ্র্যাঞ্চাইজি ‘কোক স্টুডিও’র গান নিয়ে সংগীতপ্রেমীদের আগ্রহ সবসময়ই। ২০০৮ সালে এর যাত্রা হয়েছিল। বাংলা গানকে ছড়িয়ে দিতে গত বছরের শুরুতে বাংলাদেশে ‘কোক স্টুডিও বাংলা’ নামে যাত্রা করেছিল ‘কোক স্টুডিও’। এরই মধ্যে দুটি সিজন হয়েছে এর। প্রথম সিজন ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝিতে শুরু হয়েছিল। চলতি বছরের ভালোবাসা দিবসে শুরু হয়েছিল কোক স্টুডিও বাংলার দ্বিতীয় সিজন, যেটা গত সেপ্টেম্বরে শেষ হয়। নতুন সিজন শুরুর প্রস্তুতি নিচ্ছে কোক স্টুডিও বাংলা। আর এর আগে দুই সিজনের নানা স্মৃতির পসরা সাজিয়ে বসেছিলেন এর সংশ্লিষ্টরা। মঙ্গলবার বিকালে ঢাকার একটি রেস্তোরাঁয় আলাপে অংশ নেন ‘কোক স্টুডিও বাংলা’র কিউরেটর ও সংগীতশিল্পী শায়ান চৌধুরী অর্ণব এবং কোকা-কোলা বাংলাদেশ লিমিটেডের হেড অব মার্কেটিং আবীর রাজবীন।
কোক স্টুডিও ভক্তদের প্রশ্ন কবে আসবে এর তৃতীয় আসর। এ প্রসঙ্গে শায়ান চৌধুরী অর্ণব বলেন, ‘আমাদের সময় লাগবে সিজন থ্রি নিয়ে আসতে। সবে তো দ্বিতীয় আসর শেষ করলাম। কলকাতায়ও একটি কনসার্ট করলাম। খুব কম সময়ের মধ্যে দুটো কনসার্টের প্রস্তুতি নিতে হলো। তবে আমরা আগামী বছরের মার্চ থেকে এপ্রিলের মাঝে নতুন সিজন নিয়ে আসব।’
এ পর্যন্ত চট্টগ্রাম, সিলেট, ময়মনসিংহসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের গান প্লাটফর্মটিতে পরিবেশিত হয়েছে। এতে অংশ নিয়েছেন প্রায় ১০০ জন শিল্পী, যার মধ্যে আছেন অনিমেষ রায়, হামিদা বানু, আলেয়া বেগম, মুকুল মজুমদার ঈশানসহ অনেক লুকিয়ে থাকা রত্ন। দুই সিজনে এসেছে ২০টির বেশি গান। এসব গান ১৭২ দেশে ছড়িয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছে কোক স্টুডিও বাংলা।
ভিন্নধর্মী গান প্রসঙ্গে অর্ণব বলেন, ‘আমাদের তরুণরা এখন নানা ধরনের গান শুনতে চায়। অনলাইন দুনিয়ায় ঘরে বসেই হিপহপ থেকে ক্লাসিক্যাল সবই এখন সহজে শোনা যাচ্ছে। আমরা বাংলা গানের বৈচিত্র্যের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে চেয়েছি। বাংলা গানকে বিশ্বের কাছে তুলে ধরতে চেয়েছি। কোক স্টুডিও বাংলা বিশ্বের সামনে তুলে ধরছে বাংলা সংগীত ও শিল্পীদের।’
কোকা-কোলা বাংলাদেশ লিমিটেডের হেড অব মার্কেটিং আবীর রাজবীন বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিন লাখের বেশি কথোপকথন, হাজারো ফ্যান আর্ট, মিউজিক ও ড্যান্স কাভার ও যন্ত্রসংগীতের মাধ্যমে কোক স্টুডিও বাংলা একটি প্রাণবন্ত ও সংযুক্ত কমিউনিটি তৈরি করেছে। এ কমিউনিটি প্লাটফর্মের গানগুলোর প্রতি নিজেদের ভালোবাসা সবসময় তুলে ধরছে। প্রথম দুই সিজনে আমরা অভূতপূর্ব সমর্থন ও সাড়া পেয়েছি। এতে আমরা সৃজনশীল ক্ষেত্রে নতুন কিছু করার প্রেরণা পাই।










