হলিউডের বিপুল জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজির একটি ‘মিশন: ইম্পসিবল’। ফিল্ম সিরিজের সিনেমায় গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে দীর্ঘদিন ছিলেন জেরেমি রেনার। ২০১১ সালে মুক্তি পাওয়া গোস্ট প্রটোকলে ছিলেন তিনি। ছিলেন ২০১৫ সালে মুক্তি পাওয়া রোগ ন্যাশনেও। তবে হঠাৎ তার মিশন: ইম্পসিবল ত্যাগ কৌতূহলের জন্ম দিয়েছিল ভক্তদের মধ্যে। প্রায় এক দশক পর সম্প্রতি এ অভিনেতা তার তখনকার সিদ্ধান্ত নিয়ে মুখ খুলেছেন। জেরেমি রেনার বলেন, ‘আমার আরো কাজ করার কথা ছিল ফিল্ম সিরিজটিতে। সেখানকার কাস্টদের আমি ভালোবাসি। ভালোবাসি টম ক্রুজকেও। সবার সঙ্গে অনেক আনন্দ হয়েছে। আমি আমার চরিত্রটিকে ভালোবেসে ফেলেছিলাম। কিন্তু দীর্ঘদিন আমাকে দূরে থাকতে হয়েছে। আমি তখন বাবা হওয়ার পথে। লন্ডনে থাকতে হয়েছে। সে সময়টিতে ওটা ছাড়া আর কিছু ভাবতে চাইনি। কাজ করতে চাইনি।’

তারপর প্রায় ১০ বছর চলে গেছে। রেনার এখন মনে করেন, তিনি ফ্র্যাঞ্চাইজি সিরিজে কোনো সুযোগ পেলে তা লুফে নেবেন। তিনি বলেন, ‘এখন আমার মেয়ে যথেষ্ট বড় হয়ে গেছে। এখন মিশন: ইম্পসিবলে সুযোগ পেলে যেকোনো সময় লুফে নেব। এটা দুর্দান্ত।’

মিশন ইম্পসিবল সিনেমায় রেনারের চরিত্র ব্রান্ড। রোগ ন্যাশন সিনেমার শেষ দিকে ব্রান্ড সিদ্ধান্ত নেয় ইম্পসিবল মিশন ফোর্সের ক্যারিয়ার থেকে অবসর গ্রহণের। তবে সে বিচ্ছেদটা সত্যি হয়ে যায় জেরেমির চলে যাওয়ায়। ২০২৫ সালে মিশন ইম্পসিবলের পরবর্তী সিনেমা আসতে যাচ্ছে। যদিও এখনো নাম প্রকাশ করা হয়নি, তবে মনে করা হচ্ছে এটাই ফ্র্যাঞ্চাইজির শেষ সিনেমা। সিরিজের শেষ দুটি সিনেমা পরিচালনা করেছেন ক্রিস্টোফার ম্যাকুয়ের। তিনি গত বছর জানান, মিশন ইম্পসিবলের পরবর্তী সিনেমা নিয়ে এখনো কোনো পরিকল্পনা হয়নি।

রেনার সম্ভবত সবচেয়ে বেশি পরিচিতি মার্ভেল সিনেমাটিক ইউনিভার্সে হক আই চরিত্রে অভিনয় করার জন্য। গত বছরের জানুয়ারিতে মারাত্মক দুর্ঘটনার পর তিনি দারুণভাবে ফিরে এসেছেন অভিনয়ে। গত বছর ১ জানুয়ারি মার্কি যুক্তরাষ্ট্রের নেভাদায় রাস্তায় জমে থাকা বরফের চাঁই সরাতে গিয়ে দুর্ঘটনার কবলে পড়েন জেরেমি। মারাত্মক চোট পান মাথায়, কোমরে। তড়িঘড়ি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাকে। সেখানেই সপ্তাহ কয়েক চিকিৎসা চলে তার। সুস্থ হওয়ার পর হাসপাতাল থেকেই নিজের শারীরিক পরিস্থিতিসংক্রান্ত খুঁটিনাটি তথ্য সমাজমাধ্যমে ভাগ করে নেন জেরেমি।

সূত্র: ভ্যারাইটি