বৈচিত্র্য আনা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্দেশনা তৈরি করতে একটি দল গঠন করা হবে বলে জানিয়েছে অস্কার কর্তৃপক্ষ। চলচ্চিত্র নির্মাতাদের অস্কার উপযোগী চলচ্চিত্র নির্মাণে এ গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। সম্প্রতি একাডেমি পুরস্কার প্রদানকারী সংস্থা এ কথা জানিয়েছে।

এর আগে একাডেমি অব মোশন পিকচার আর্ট অ্যান্ড সায়েন্সেস বিশেষ কয়েকটি চলচ্চিত্র ও শ্বেতাঙ্গ নির্মাতাদের সম্মান প্রদানের জন্য সমালোচিত হয়েছিল।

একাডেমি সংস্থার এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দলটি আমেরিকার প্রডিউসারস গিল্ডের সঙ্গে কাজ করবে এবং ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে অস্কার উপযোগী কাজের জন্য ‘প্রতিনিধিত্ব ও অন্তর্ভুক্তির মান’ বিকাশে ইন্ডাস্ট্রির নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করবে। এ পদক্ষেপ পর্দার অভ্যন্তরে ও বাইরে বর্ণ নির্বিশেষে সবার নিয়োগকে উৎসাহিত করবে।

তবে ২০২১-এ অনুষ্ঠেয় পরবর্তী অস্কার আসরের জন্য প্রত্যাশিত চলচ্চিত্রগুলোর ক্ষেত্রে এ বিধি প্রযোজ্য হবে না।

২০১৫ সালে অস্কারসোহোয়াইট হ্যাশট্যাগের মধ্য দিয়ে চলচ্চিত্র একাডেমির সমালোচনা তীব্র হয়ে ওঠে। এটি ছিল শ্বেতাঙ্গ অভিনয় প্রতিযোগীদের সংখ্যগরিষ্ঠতার বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া। এর বিপরীতে একাডেমি সে সময় অস্কার আমন্ত্রণে নারী ও কৃষ্ণাঙ্গদের সংখ্যা দ্বিগুণ করে পরিস্থিতি সামলেছিল। ২০১৯ সালে অস্কার অনুষ্ঠানে আট হাজার সদস্যের মধ্যে নারী ছিলেন মাত্র ৩২ শতাংশ ও ১৬ শতাংশ কষ্ণাঙ্গ। আগামী মাসে নতুন সদস্যদের নাম ঘোষণা করা হবে। ‘আমরা জানি বোর্ডজুড়ে ন্যায্য সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে আরো অনেক কাজ করার দরকার আছে। একাডেমির প্রধান নির্বাহী ডন হাডসন এ কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, এ সমস্যার সমাধান করা জরুরি।

জর্জ ফ্লয়েডের মৃত্যুর প্রতিবাদে বিক্ষোভের মাঝেই পর্দায় বৈচিত্র্যের অভাব ও বর্ণবাদের চিত্র নিয়ে পুনরায় কথা শুরু হয়েছে হলিউডে।

 

সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে