মার্ভেল দুনিয়ার সিনেমা মানেই বক্স অফিসে হিট। ৩৩টি সিনেমা নিয়ে বৈশ্বিকভাবে ২৯৮ কোটি ডলার ঝুলিতে তুলেছে মার্ভেল সিনেমাটিক ইউনিভার্স (এমসিইউ)। তার পরও বিপরীত দৃশ্য দেখা গেল দ্য মার্ভেলসের বেলায়। চার সপ্তাহ পার হতে না হতেই থিয়েটার থেকে ছিটকে পড়ছে তারকাবহুল সিনেমাটি। উত্তর আমেরিকায় মাত্র ৮ কোটি ও বৈশ্বিকভাবে ১৯ কোটি ৭০ লাখ ডলার আয় নিয়েই ফিরতে হচ্ছে বক্স অফিস থেকে। তৈরি করেছে মার্ভেল দুনিয়ায় সর্বনিম্ন আয়ের রেকর্ড। কেউ কেউ আশা ধরে রাখতে চাইলেও বিপরীত কথা উঠে এসেছে পরিবেশক প্রতিষ্ঠান ডিজনির বক্তব্যে। রোববার সাক্ষাৎকারে প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, বক্স অফিসে দ্য মার্ভেল বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। সপ্তাহ শেষে বৈশ্বিক আয়ের রিপোর্টিংও বন্ধ করা হবে।
২২ কোটি ডলারের বেশি বাজেটের সিনেমাটি বক্স অফিসে নববর্ষ পর্যন্ত থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছিল। অথচ ডিসেম্বরের দিনগুলোয়ই যে উল্লেখযোগ্য কোনো আয় মিলবে না, এটা প্রমাণিত। গত ১০ নভেম্বর মুক্তি পাওয়ার পর প্রথম সপ্তাহে অভ্যন্তরীণভাবে ৪ কোটি ৬০ লাখ ডলার আয় করে সিনেমাটি, যা মার্ভেল দুনিয়ার ইতিহাসে সবচেয়ে বাজে শুরুর ঘটনা। তারপর পরিস্থিতি আরো ফিকে হয়েছে। দ্বিতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত টিকিট বিক্রি কমেছে ৭৮ শতাংশ। এর আগে বক্স অফিসে সর্বনিম্ন আয়ের সিনেমা ছিল ‘দ্য ইনক্রেডিবল হাল্ক’। ২০০৮ সালে মুক্তি পাওয়া সিনেমাটি আয় করেছিল ২৬ কোটি ৪০ লাখ ডলার। থিয়েটার ছাড়ার মুহূর্তে এসে দ্য মার্ভেলসের আয় তার তুলনায় ঢের কম।
দ্য মার্ভেলসের আরো কিছু হতাশাজনক রেকর্ড আছে ঝুলিতে। দেশের ভেতরে ১০ কোটি ডলারের নিচে আয় করা এটাই প্রথম কোনো মার্ভেল সিনেমা। এমনকি এর আগে ব্রি লারসনেরই ক্যাপ্টেন মার্ভেল প্রথম সপ্তাহে যা আয় করেছে, বক্স অফিসের গোটা সময়েও অতিক্রম করতে পারেনি সিনেমাটি। বক্স অফিস বিশ্লেষকরা মনে করেছেন, দর্শকরা এখন আর কেবল মার্ভেলের লোগো দেখেই সিদ্ধান্ত নিতে চাচ্ছেন না। দ্য মার্ভেলসের পরিচালনা করেছে নিয়া ডাকোস্টা। মিস মার্ভেল ও ক্যাপ্টেন মার্ভেল চরিত্রে আছেন যথাক্রমে ইমান ভেলানি ও ব্রি লারসন।
সূত্র ও ছবি: ভ্যারাইটি










