বক্স অফিসে চমক নিয়ে এগিয়ে চলছে মার্ক ডিন্ডাল নির্মিত হলিউড সিনেমা ‘দ্য গারফিল্ড মুভি’। সর্বশেষ ‘ম্যাড ম্যাক্স’ ফিল্ম সিরিজের ‘ফিউরিওসা’কে পেছনে ফেলেছে অ্যানিমেশন সিনেমাটি। মুক্তির দ্বিতীয় সপ্তাহে এসে হলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে অপ্রতিরোধ্য অবস্থান জানান দিল গারফিল্ড। মুক্তির দ্বিতীয় সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের ৪ হাজার ১০৮টি প্রেক্ষাগৃহ থেকে ১ কোটি ৪০ লাখ ডলার আয় করেছে এ চলচ্চিত্র। বিপরীতে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ফিউরিওসা। ৩ হাজার ৮৬৪টি প্রেক্ষাগৃহ থেকে সিনেমাটির দ্বিতীয় সপ্তাহে আয় ১ কোটি ৭ লাখ ডলার।
ফলে সনির ব্যানারে দ্য গারফিল্ড মুভি কেবল উত্তর আমেরিকা থেকেই এখন পর্যন্ত আয় করেছে ৫ কোটি ১৫ লাখ ডলার। বৈশ্বিকভাবে আয় করেছে ১৫ কোটি ২০ লাখ ডলার। ৬ কোটি ডলার বাজেটের সিনেমাটির জন্য এটাকে দারুণ সফলতা হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। এদিকে ফিউরিওসা মুক্তি পেয়েছে ওয়ার্নার ব্রোসের ব্যানারে, যার পরিচালক জর্জ মিলার। সিনেমাটি যুক্তরাষ্ট্রের বাজার থেকে ৪ কোটি ৯৬ লাখ ও আন্তর্জাতিকভাবে ১১ কোটি ৪০ লাখ ডলার আয় করেছে। ১৬ কোটি ৮০ লাখ ডলার বাজেটের সিনেমাটি সেদিক থেকে এখনো বেশ পেছনে।
যদিও গারফিল্ড প্রতিযোগিতায় প্রথমে চলে এসেছে, তার পরও হলিউড বক্স অফিসের জন্য টিকিট বিক্রি গত বছরের তুলনায় কমেছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় হলিউডের আয় এখনো ২৪ শতাংশ কম। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, হলিউড সিনেমায় গতি আনার জন্য ব্যাপকভাবে কাজ করা দরকার। চলতি বছরের গ্রীষ্মকালে হলিউডে মন্থরতার পেছনে প্রধান ভূমিকা পালন করেছে হলিউডের আন্দোলন। প্রথমত, মহামারী ও পরবর্তী সময়ে হলিউডের শ্রমিকদের দীর্ঘ আন্দোলনের কারণে অনেকটাই নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত হয়েছে বক্স অফিস।
এদিকে ফিউরিওসাকে পেছনে ফেলে দ্বিতীয় অবস্থানে উঠে এসেছে ‘ইফ’। জন ক্র্যাসিনস্কি পরিচালিত ও রায়ান রেনল্ডস অভিনীত সিনেমাটি ৩ হাজার ৭৮৩টি প্রেক্ষাগৃহ থেকে ১ কোটি ৮ লাখ ডলার আয় করেছে। মুক্তি পাওয়ার তৃতীয় সপ্তাহ শেষে সিনেমাটি অভ্যন্তরীণ বাজারে আয় করেছে ৮ কোটি ৪ লাখ ডলার, যেখানে বৈশ্বিক বাজারে আয় দাঁড়িয়েছে ১৩ কোটি ৮০ লাখ ডলার। সিনেমাটি তৈরির পেছনে খরচ হয়েছে ১১ কোটি ডলার, প্রচারণায়ও নেহায়েত কম হয়নি খরচ। ফলে বাজার ধরে রাখার পেছনে সিনেমার প্রচারণা ভূমিকা রাখছে বলে মনে করছেন সিনেমাবোদ্ধারা।
সূত্র: ভ্যারাইটি










