‘দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েঙ্গে’কে এখনো বলিউডের অন্যতম সেরা ও জনপ্রিয় সিনেমা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ১৯৯৫ সালের এই রোমান্টিক সিনেমাটিতে শাহরুখ খান ও কাজল অভিনয় করেছিলেন। যশ চোপড়া প্রযোজিত এবং আদিত্য চোপড়া পরিচালিত ‘দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েঙ্গে’ মুক্তির সময়ে যেমন জনপ্রিয় ছিল, এত বছর পেরিয়ে গেলেও বলিউডের রোমান্টিক সিনেমার তালিকায় এখনো ঠিক আগের মতোই স্থান ধরে রেখেছে। সিনেমাটিকে জনপ্রিয়তার শীর্ষে নিয়ে যেতে শাহরুখ-কাজল জুটির দুর্দান্ত অভিনয় এবং রসায়নের পাশাপাশি সিনেমার চমত্কার গানগুলোও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। সিনেমাটির প্রায় সব গানই জনপ্রিয় এবং এখনো ৯০-এর ক্ল্যাসিক সংগীতের কথা বলতে গেলে ‘দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েঙ্গে’-এর গানগুলো মানুষের কানে বেজে ওঠে।

‘দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েঙ্গে’-এর প্রথম গান ‘মেরে খোয়াবো মে’ গেয়েছিলেন লতা মঙ্গেশকর এবং পর্দায় এ গানে অভিনয় করেছিলেন সিনেমাটির নায়িকা কাজল। গানটিতে দুর্দান্ত অভিনয়ের জন্য এখনো তিনি প্রশংসিত হন। যাই হোক, এ গানটির পেছনে লুকিয়ে রয়েছে চমকে যাওয়ার মতো এক তথ্য।

‘মেরে খোয়াবো মে’ গানটি জনপ্রিয় গীতিকার আনন্দ বক্সী লিখেছিলেন। এক প্রতিবেদন অনুসারে জানা যায়, এই গানটিকে তিনি সর্বমোট ২৪ বার সংশোধন করেছিলেন। হ্যাঁ, ২৪ বার! আনন্দ বক্সী গানটি লেখা শেষে পরিচালক আদিত্য চোপড়ার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন এবং আদিত্য চোপড়ার মনমতো না হওয়ায় গানটিকে আবার সাজিয়ে লিখতে বলেন। একবার দুবার করতে করতে অনেকবার প্রত্যাখ্যাত হয়েছিল গানটি। ২৪ বার সংশোধনের পর ‘মেরে খোয়াবো মে’ গানটি অনুমোদিত হয়ে সিনেমায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল। গানটি শেষ পর্যন্ত সবার পছন্দ হয়েছিল এবং এখনো সংগীতপ্রেমীদের কাছে সর্বকালের সেরা বলিউড গানগুলোর একটি বলে বিবেচিত হয়।

‘দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েঙ্গে’ সিনেমার জন্য রেকর্ড করা প্রথম গান ছিল ‘মেরে খোয়াবো মে’। বলা বাহুল্য, এটি কাজলের সেরা পারফরম্যান্সগুলোর মধ্যে একটি। গানটিতে সেরা শট দেয়ার ক্ষেত্রে অভিনেত্রী কোনো রকম ছাড় দেননি। বৃষ্টিতে নাচা থেকে শুরু করে চেহারার অসাধারণ অভিব্যক্তি, কোনো কিছুতেই যেন কমতি রাখেননি কাজল। সেজন্যই হয়তো এখনো লাখ লাখ হূদয়কে দোলা দেয় তার এ গানের পারফরম্যান্স।

 

সূত্র: পিংকভিলা