চলচ্চিত্র নির্মাতা গ্রেটা গারউইগের সাফল্যের মুকুটে যুক্ত হলো নতুন পালক। কান চলচ্চিত্র উৎসবের পরবর্তী আসরে জুরিপ্রধান নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। বিষয়টি বেশ আশ্চর্যজনক। কেননা গ্রেটা কখনো কানে তার সিনেমা প্রদর্শন করেননি। তবে ২০১৭ সালে কান উৎসবে অংশ নিয়েছিলেন। সে বছর নোয়া বামবাক তার ‘দ্য মেয়েরোউইটজ স্টোরিজ’ প্রদর্শন করেছিলেন কানে। তার সঙ্গে সেখানে হাজির ছিলেন গ্রেটা গারউইগ। কানে সাধারণত অংশ না নেয়া নির্মাতাদের জুরি করা হয় না। যেমন এর আগের জুরিপ্রধান রুবেন অস্টল্যান্ড ছিলেন দুবারের পাম ডি’অর বিজেতা।
কানের জুরিপ্রধান নির্বাচিত হওয়া নিয়ে নিজের বিবৃতিতে গ্রেটা বলেন, ‘আমি সিনেমা ভালোবাসি। সিনেমা নির্মাণ ভালোবাসার পাশাপাশি সিনেমার কাছে যাওয়া ও সিনেমা নিয়ে কথা বলতেও ভালোবাসি। কান উৎসবে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে নানা ধরনের সিনেমা আসে। অন্ধকার একটা কক্ষে বসে সে সিনেমাগুলো দেখার পাশাপাশি নতুন স্বাদের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার একটা সুযোগ আমি পাচ্ছি। এ নিয়ে আমি উচ্ছ্বসিত। পাশাপাশি কান উৎসবের মতো একটি ঐতিহ্যবাহী চলচ্চিত্র উৎসবের সঙ্গে যুক্ত হতে পারা সম্মানের।’
কান চলচ্চিত্র উৎসবে গ্রেটার যুক্ত হওয়ার বিষয়টি আরো একটি কারণে বিশেষ। তিনিই প্রথম মার্কিন নারী নির্মাতা হিসেবে কানের জুরি প্রেসিডেন্ট হলেন। এছাড়া সোফিয়া লোরেনের পর কানের জুরি প্রেসিডেন্ট হিসেবে তিনিই কনিষ্ঠ নারী। ১৯৬৬ সালে সোফিয়া লোরেন ৩১ বছর বয়সে এ দায়িত্ব পালন করেন।
গ্রেটা গারউইগকে এ দায়িত্ব দেয়ার প্রসঙ্গে কান উৎসবের প্রধান আইরিস নবলচ বলেন, ‘এ দায়িত্ব দেয়ার জন্য গ্রেটাকেই আমাদের সবচেয়ে যোগ্য বলে মনে হয়েছে। তার হাতে সিনেমা একটি নতুন ধারার ও স্টাইল পেয়েছে। তিনি আসলে একটি নতুন যুগ বা নতুন যুগের সিনেমার অন্যতম প্রধান নির্মাতা। মানবিকতার পাশে তার সিনেমায় থাকে সময়ানুগ নানা বিষয়। সহজ করে বললে তিনি সিনেমার একটি নতুন ধারার প্রতিনিধি।’
মূলত গ্রেটা গারউইগ এ বছর তার বারবি দিয়ে সিনেমা জগতে বিশেষ প্রভাব ফেলেছেন। সে কারণেই তিনি প্রশংসিত হচ্ছেন এবং তার সিনেমার নতুন স্টাইলকেও গুরুত্ব দিয়ে দেখেছে কান কর্তৃপক্ষ। সব মিলিয়ে গ্রেটাকেই পছন্দ করেছেন তারা।
সূত্র: ভ্যারাইটি










