এবার সম্পূর্ণ ভিন্ন এক অভিজ্ঞতা নিয়ে হাজির হচ্ছেন তিনি। বাংলাদেশের প্রথম মাইক্রো ড্রামা সিরিজ ‘সিলভার সাদিয়া’য় কেন্দ্রীয় চরিত্রে আছেন এ অভিনেত্রী। ১৪ মে সিনেমাওয়ালার ফেসবুক পেজে মুক্তি পাচ্ছে সিরিজটি।

সাদিয়া আয়মান বলেন, ‘নিঃসন্দেহে এটা দারুণ উদ্যোগ। ছোট ছোট পর্বে সুন্দর একটি গল্প বলার নতুন অভিজ্ঞতা। ভীষণ ভালো লাগছে এমন একটি সিরিজে অভিনয় করতে পেরে।’

গত শনিবার ঢাকার একটি ক্লাবে অনুষ্ঠিত হয় সিরিজটির ভার্টিক্যাল স্ক্রিনিং। উপস্থিত ছিলেন অভিনয়শিল্পী, নির্মাতা, প্রযোজকসহ আমন্ত্রিত অতিথিরা। সন্ধ্যা ৭টায় প্রকাশ করা হয় সিরিজের ট্রেলার।

১৫ পর্বের এ সিরিজের প্রতিটি পর্বের দৈর্ঘ্য মাত্র ৩ মিনিট। সিরিজটি প্রযোজনা করেছে মায়ের দোয়া স্টুডিওজ। এটি অ্যাডকম লিমিটেডের ৩৬০ ডিগ্রি ফুল সার্ভিস কনটেন্ট-ড্রিভেন প্রজেক্ট। গ্লো অ্যান্ড লাভলি নিবেদিত সিরিজটি পরিচালনা করেছেন মিরাজ হোসেন। অভিনয়ে আরো আছেন অ্যালেন শুভ্র, ফারজানা ছবি, কামরুজ্জামান তপু প্রমুখ। এছাড়া একটি বিশেষ চরিত্রে আছেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর রাফসান দ্য ছোট ভাই।

সিলভার সাদিয়ার গল্পে উঠে এসেছে নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারের মাদরাসা পড়ুয়া এক তরুণীর জীবন, যার ভেতরে গোপনে বেড়ে উঠেছিল গেমিংয়ের প্রতি গভীর ভালোবাসা। মায়ের নীরব সমর্থনে সে ইউটিউবে লাইভস্ট্রিমিং শুরু করে এবং ধীরে ধীরে নিজের একটি দর্শকগোষ্ঠী তৈরি করে। কিন্তু সেই গোপন সত্য একসময় বাবার সামনে প্রকাশ পেলে বাধে বিপত্তি। পরিবার, সম্পর্কের টানাপড়েন আর নিজের পরিচয় খুঁজে পাওয়ার গল্প জড়িয়ে যায় একসঙ্গে।

নির্মাতা মিরাজ হোসেন বলেন, ‘ছোট পরিসরে গল্প বলার এ নতুন প্রয়াস বর্তমান দর্শকের অভ্যাসের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশের বিনোদন জগতে এক সাহসী ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ।’

প্রযোজক নাজিম ফারহান চৌধুরী বলেন, ‘সময়ের চাহিদার কারণেই বদলে যাচ্ছে গল্প বলার ধরন। নাটক, ফিল্ম এখন পর্দা থেকে হাতের মুঠোয় চলে এসেছে। মায়ের দোয়া স্টুডিওজ প্রযোজিত এ সিরিজের মাধ্যমে আমরা ভার্টিক্যাল স্টোরিটেলিংয়ের এক নতুন জগতে পা রাখছি, যেখানে সাহস, আবেগ আর নতুন ভাবনার জায়গা তৈরি হয়েছে।’

সহপ্রযোজক ও সিরিজটির ক্রিয়েটর পুলক অনিল বলেন, ‘নতুন একটি ধারণা নিয়ে কাজ করতে গিয়ে নানা চ্যালেঞ্জ এসেছে। সে চ্যালেঞ্জকে জয় করেই আমরা নতুন এক সম্ভাবনার শুরু করছি।’