গত শতকের পঞ্চাশ ও ষাট দশকের জনপ্রিয় ইউরোপীয়
অভিনেত্রী জিনা লোলোব্রিজিদা আর নেই। ইতালির সিনেমায় অভিষেক তার, পরে হলিউডে চূড়ান্ত
খ্যাতি পান। হলিউড সিনেমার স্বর্ণযুগের শেষ জীবিত তারকাদের একজন ছিলেন তিনি।
গতকাল সোমবার (১৬ জানুয়ারি) ইতালির রোমের
একটি হাসপাতালে ৯৫ বছর বয়সে মারা ব্রিজিদা। আইনজীবীর বরাত দিয়ে খবরটি প্রকাশ করেছে
বিবিসি।
অভিনয়ের পাশাপাশি ফটো সাংবাদিক ও রাজনীতিবিদ
হিসেবে পরিচিত ছিলেন জিনা। সত্তরের দশকে কিউবার নেতা ফিদেল কাস্ত্রোর সাক্ষাত্কারের
অনুমতি পান তিনি।
তরুণ বয়সে জিনা লোলোব্রিজিদা ‘সেক্স আইকন’ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেন। বিনোদন পত্রিকাগুলো তাকে ‘বিশ্বের শ্রেষ্ঠ সুন্দরী’ হিসেবে উপস্থাপন করত। এই সব অভিধার আড়ালে তার অভিনয় প্রতিভা অনেকটাই অনালোচিত রয়ে যায়।
ছবি: দ্য গার্ডিয়ান
জিনা ২৪টিরও বেশি ইউরোপীয় চলচ্চিত্রে অভিনয়
করেন। তার প্রথম ইংরেজি ছবি ১৯৫৩ সালে মুক্তি পাওয়া জন হাউস্টন পরিচালিত ‘বিট দ্য ডেভিল’। বিপরীতে ছিলেন
হামফ্রে বোগার্ট। এছাড়া ফ্রাঙ্ক সিনাত্রা, শ কনারি ও অ্যান্টনি কুইনের মতো কিংবদন্তিদের
সঙ্গেও দেখা যায় তাকে। ১৯৬১ সালে রোমান্টিক কমেডি ‘কাম সেপ্টেম্বর’-এ রক হাডসনের বিপরীতে
অভিনয় করলে তার খ্যাতি বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে।
আলোকচিত্রী হিসেবে বেশ খ্যাতিও পান জিনা।
১৯৭৩ সালে তার প্রথম আলোকচিত্রের সংকলন ‘ইতালিয়া মিয়া’প্রকাশ হয়। অন্যান্য
সংগ্রহের মধ্যে রয়েছে দ্য ফিলিপাইনস, ওয়ান্ডার অব ইনোসেন্স ও স্কাল্পচার্স।
১৯৬১ সালে গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার পান জিনা লোলোব্রিজিদা। এ ছাড়া বাফটাসহ দেশি-বিদেশি অনেক সম্মাননা পেয়েছেন। ১৯৯৩ সালে ফরাসি সরকার দেয় সর্বোচ্চ সম্মাননা লিজিয়ন অব অনার।










