দিনে দিনে বেড়ে চলছে ডিজিটাল মাধ্যমে বিনোদনের সুযোগ। সেই ডিজিটাল প্লাটফর্মকে কাজে লাগিয়ে শিশুদের জন্য শিক্ষণীয় ভিডিও তৈরি করছেন চার বন্ধু। একটি ইউটিউব চ্যানেলও খুলেছেন তারা। নাম রেখেছেন ‘মামা টিভি’। এ বছরের শুরুতে চ্যানেলটির প্রডাকশনের কাজ শুরু হয়। এরপর ২৩ এপ্রিল প্রথম ভিডিও সুকুমার রায়ের ‘আবোল তাবোল’
ইউটিউবে প্রকাশ করা হয়।
চার তরুণ হলেন সাগর নীল খান, আসিফুর রহমান, ইফতি রহমান ও বিজন খান।
আর অ্যানিমেটর হিসেবে কাজ করেছেন এহসান প্রতীক।
ভিডিওগুলোয় দেখা যাবে বাঘা, ফিশি, বিলু আর ভুমভুমকে। তাদের সুখ-দুঃখের গল্প। এ যেন চার বন্ধুর জীবনের গল্পের মেলবন্ধন। শখের বশে অ্যানিমেশন তৈরি, কিন্তু প্রত্যাশা এখন অফুরন্ত। চ্যানেলটির দ্বিতীয় ভিডিও কবি শামসুর রাহমানের ‘ট্রেন’
ছড়া নিয়ে অ্যানিমেশন। আর তৃতীয়টি ‘আয় আয় চাঁদ মামা’
ছড়া নিয়ে। অ্যানিমেশনগুলোয় তুলে ধরা হয়েছে প্রকৃতির নির্মল রূপকে।
ছোটদের জন্য তৈরি করা অ্যানিমেশনগুলোর বেশির ভাগই বিদেশের। যেখানে ইংরেজি ছড়া ও সংলাপের প্রাধান্যই বেশি। এদিক থেকে এ প্রজন্মের কাছে দেশের লেখক-সাহিত্যিকদের কবিতা, ছড়া অ্যানিমেশনের মাধ্যমে তুলে ধরার প্রয়াস বেশ কম। দেশবরেণ্য কবি-সাহিত্যিকদের কবিতা, ছড়া বর্তমান প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতেই এ ইউটিউব চ্যানেলের যাত্রা। চ্যানেলটিতে প্রতিনিয়ত সংযোজন হবে নতুন নতুন ভিডিও। দেশের অ্যানিমেশন শিল্পকে আরো এগিয়ে নিতে চান চ্যানেলটির উদ্যোক্তারা।
এ বিষয়ে কথা হয় চার তরুণের সঙ্গে। তারা বলেন, ‘আমরা বিভিন্ন পেশায় নিযুক্ত। করোনা আসার পর চারজন মিলে শিশুদের জন্য কিছু করার সিদ্ধান্ত নিই। এ চিন্তা থেকে প্রথমে
ছড়া ও গল্প মিলে কার্টুন তৈরি করি। ছড়াগুলোর সঙ্গে আমরা নিজেরা একটা করে গল্প যোগ করেছি।’
শিগগিরই আরেকটি ভিডিও আসতে চলেছে বলে জানালেন তারা। এবারের ভিডিও কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘তাল গাছ’
ছড়াটি নিয়ে।
কেমন সাড়া পাচ্ছেন? ‘আমাদের যাত্রার খুব বেশি দিন হয়নি। মোটামুটি সাড়া পাচ্ছি। খুব ভালো সাড়া পাওয়ার জন্য অন্তত এক বছর তো লাগেই। আরো কনটেন্ট বাড়াতে হবে। এখন আমরা বর্ণমালা নিয়ে কিছু কাজ করছি।’










