কৃতি শ্যানন ও পঙ্কজ ত্রিপাঠি অভিনীত মিমি সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে স্ট্রিমিং সাইট জিও সিনেমা ও নেটফ্লিক্সে। মহামারীকালে সিনেমার জন্য এ এক অনিবার্য পরিণতি। গত ৩০ জুলাই ছবিটি মুক্তি পাওয়ার কথা থাকলেও ইন্টারনেটে ছবির প্রিন্ট ছড়িয়ে পড়ায় নির্মাতারা তড়িঘড়ি করে ২৬ তারিখেই মুক্তি দিয়ে দেন। তবে ছবির গল্প আর কৃতির অভিনয় দর্শকদের ভালো লেগেছে, আর তাই প্রাথমিক ধাক্কা কাটিয়ে ভালোই এগোচ্ছে লক্ষণ উতারকারের ছবিটি।

বলিউডের ট্রেড অ্যানালিস্টদের মত হচ্ছে, মিমি সিনেমা হলে মুক্তি পেলে প্রথম দিনটির আয় হতো অ্যাভারেজ। তবে দ্বিতীয় দিন থেকে আয় বাড়তে শুরু করত। মিমি যেহেতু পারিবারিক গল্পের ছবি এবং বিনোদনের, তাই সমাজের সব বয়স ও শ্রেণীর দর্শকই ছবিটি দেখতে আগ্রহী হতো। দ্বিতীয় সপ্তাহে গিয়ে হয়তো ছবিটি কঙ্গনা রানাওয়াতের কুইনের চেয়ে বেশি আয় করত। সব মিলিয়ে ছবিটি ৫০ কোটি রুপি আয় করে ফেলতে পারত সহজেই।

বলিউডের ট্রেড অ্যানালিস্ট তরণ আদর্শ মনে করেন, মিমি বক্স অফিসে সাফল্য পেত। তার কথায়, মিমি নির্মল বিনোদনের ছবি। ছবির গল্প ভিন্ন স্বাদের এবং বাস্তব। অন্যদিকে অভিনয়শিল্পীদের অভিনয়দক্ষতাও ছবির সাফল্যে ভূমিকা রাখত।

প্রযোজক ও বিশ্লেষক গিরিশ জোহরের মতে, মিমি বক্স অফিস আয় করত ৩৫ কোটি রুপির চেয়ে কিছু বেশি। অবশ্য অতুল মোহন গিরিশ এর চেয়ে অনেক বেশি আশাবাদী। তার মতে, মিমির আয় হতো ৭৫ থেকে ১০০ কোটি রুপি। অতুল একটা কৌতূহলোদ্দীপক যুক্তি দিয়েছেন। ছবিটি যেহেতু নারী ও মাতৃত্বকেন্দ্রিক, তাই নারীরা বেশি বেশি হলে গিয়ে ছবিটি দেখতেন এবং সেক্ষেত্রে সঙ্গে তাদের স্বামী বা সন্তানরাও থাকত। আর তাতে বাড়ত টিকিট বিক্রি।

 

সূত্র: বলিউড হাঙ্গামা