ফলে অনুষ্ঠানটি ২০২৮ সাল পর্যন্ত টেলিভিশনের দিনের সময়ের ধারাবাহিক অনুষ্ঠানের তালিকায় থাকছে। নতুন এ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে এর সপ্তম ও অষ্টম মৌসুম নিশ্চিত হয়েছে। এ অনুষ্ঠানের প্রযোজনা ও পরিবেশনা প্রতিষ্ঠান সিবিএস মিডিয়া ভেঞ্চারস সম্প্রতি আনুষ্ঠানিকভাবে এ ঘোষণা দেয়।
বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের টেলিভিশন টক শোভিত্তিক অনেক অনুষ্ঠান অনিশ্চয়তার মুখে রয়েছে। কিছু জনপ্রিয় অনুষ্ঠান এরই মধ্যে বন্ধ হয়ে যাওয়ার পথে। গভীর রাতের বহুল আলোচিত অনুষ্ঠান ‘স্টিফেন কোলবার্টের লেট শো’ আগামী মে মাসে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। একইভাবে দিনের সময়ের পরিচিত অনুষ্ঠান ‘কেলি ক্লার্কসন শো’ এবং ‘শেরি’ চলতি বছরের শেষ নাগাদ তাদের সম্প্রচার শেষ করতে যাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে ‘ড্রিউ ব্যারিমোর শো’-এর নবায়নকে টেলিভিশন জগতে একটি ইতিবাচক খবর হিসেবে দেখা হচ্ছে। সম্প্রতি দিনের সময়ের আরেকটি অনুষ্ঠান ‘জেনিফার হাডসন শো’ও নতুন মৌসুমের জন্য অনুমোদন পেয়েছে।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস ও শিকাগোর মতো গুরুত্বপূর্ণ শহরের সম্প্রচার কেন্দ্রগুলোয় অনুষ্ঠানটির প্রচার অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি বিভিন্ন আঞ্চলিক সম্প্রচার কেন্দ্রেও এটি দেখানো হবে। সিয়াটল, মিনিয়াপোলিস, ক্লিভল্যান্ড, শার্লট, বাল্টিমোর, কানসাস সিটি ও সিনসিনাটির মতো শহরে এ অনুষ্ঠানের প্রচারের সময় আরো সুবিধাজনক করা হয়েছে।
বর্তমানে অনুষ্ঠানটি গড়ে প্রায় ১৬ লাখ দর্শক পাচ্ছে, যা এর ইতিহাসে সর্বোচ্চ দর্শক সংখ্যা। সাম্প্রতিক সময়ে এতে দীর্ঘ টক শোভিত্তিক সাক্ষাৎকারের নতুন ধারা চালু হয়েছে। এসব সাক্ষাৎকারের সংক্ষিপ্ত সংস্করণ টেলিভিশনে প্রচার করা হয় এবং বিস্তৃত সংস্করণ প্রকাশ করা হয় ভিডিও-ভিত্তিক অনলাইন মাধ্যমে।
অনুষ্ঠানের সঞ্চালক ও নির্বাহী প্রযোজক ড্রিউ ব্যারিমোর জানান, মানুষের গল্প, অভিজ্ঞতা ও জীবনের নানা দিক সম্পর্কে জানার আগ্রহ থেকেই এ অনুষ্ঠান এগিয়ে চলছে। দর্শকের সঙ্গে এ আন্তরিক আলাপের যাত্রা আরো কয়েক বছর চালিয়ে যেতে পারা তার কাছে এক বিশেষ আনন্দের বিষয়।
সূত্র: ভ্যারাইটি









