শ্রুতি হাসান অভিনয় করেছেন প্রশান্ত নীল পরিচালিত ‘সালার’-এ। সিনেমাটিতে নানা রকম অস্ত্র, হত্যার রাজনীতি, সহিংসতা ও নৃশংসতা আছে। মজার ব্যাপার, শ্রুতি মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করেন। নানা সময় তিনি মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে ব্যক্তিগত সংগ্রামের কথা জানিয়েছেন। এছাড়া এ নিয়ে তিনি তার দর্শক ও সাধারণ মানুষকে সচেতন করেন। এ অভিনেত্রী সালারের মতো ভায়োলেন্ট সিনেমায় অভিনয় ও দর্শকের ওপর সিনেমার ভায়োলেন্সের প্রভাব সম্পর্কে মনে করেন দর্শক নিজের পছন্দসই সিনেমাই দেখে। তিনি মনে করেন, ট্রেলার দেখেই দর্শক বুঝতে পারে সিনেমায় কী আছে এবং সে আদৌ সিনেমাটি দেখবে কিনা।
ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে শ্রুতি বলেন, ‘আমি মনে করি, সিনেমা, সংগীত, ভিন্ন ধরনের টেলিভিশন শো ও বিচিত্র বিষয়ে রচিত বই আছে আমাদের সামনে। এর কোনোটি নৃশংসতা নিয়ে কাজ করে, কোনোটিতে তা থাকে না। আমি মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করি আর সেখান থেকেই দর্শককে বলব যে তার জানা উচিত, সে কী দেখছে বা দেখবে।’
বিষয়টি দর্শক কেমন করে বুঝবে তা-ও ব্যাখ্যা করেন শ্রুতি। তিনি বলেন, ‘টিজারেই সিনেমা সম্পর্কে একটা ধারণা পাওয়া যায়। সেখান থেকেই আপনি বুঝতে পারবেন কনটেন্টটি আপনার জন্য কিনা। একজন দর্শক তো তার নিজের মানসিক অবস্থা জানে। সে বুঝবে, কনটেন্টটি তার দেখা উচিত কিনা। কেউ হয়তো দ্রুতগতির অ্যাকশন পছন্দ করে। কেউ পছন্দ করে থ্রিলার আর কেউ ড্রামা। আসলে দর্শক নিজেই ঠিক করে সে কী দেখবে।’
সালারে শ্রুতি হাসানের চরিত্রের নাম আদ্যা। সিনেমার প্রথম পর্বে তার চরিত্র খুব বড় নয়। সে খানসার নামক জায়গার গল্পটা শুনে এবং কোনোভাবে সেখানে গিয়ে পৌঁছায়। তবে শ্রুতি জানাচ্ছেন, পুরো গল্পে তার চরিত্রটির বিশেষ গুরুত্ব আছে। সালার ছাড়াও শ্রুতিকে এ বছর আরো তিনটি সিনেমায় দেখা গেছে। এগুলো হলো ভীর সিংহ রেড্ডি, হাই নান্না ও ওয়ালতেয়ার ভিরাইয়া। তার পরবর্তী সিনেমার নাম ‘ডাকাইত’। এ তেলেগু সিনেমা হিন্দিতেও মুক্তি পাবে। এ সিনেমায় তিনি আদিভি সেশের সঙ্গে অভিনয় করছেন।
সিনেমাটি নিয়ে শ্রুতি বলেন, ‘আদির সঙ্গে কাজ করা বেশ মজার। আসলে ডাকাইতের পুরো টিমই অসাধারণ। আমাদের পরিচালক শানেইল, প্রযোজক সুপ্রিয়া সবাই খুব সহযোগিতা করেছে কাজে। তাই শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা দারুণ।’
সূত্র: দি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস










