‘গাঙ্গুবাঈ কাঠিওয়াড়ি’র সাফল্যের প্রায় এক বছর কেটে গেলেও নতুন কোনো ছবির ঘোষণা দেননি সঞ্জয় লীলা বানসালি। ধারণা করা হচ্ছিল, তার পরবর্তী মিশন হতে যাচ্ছে অতি প্রত্যাশিত ‘বৈজু বাওরা’। কিন্তু বিপুল বাজেটের চাপে নাকি সেই ছবি আটকে গেছে।  

মাঝে অবশ্য ‘হিরামন্ডি’ নামের ওয়েব সিরিজের কাজ করেছেন নির্মাতা। তারকাবহুল সেই নির্মাণে আছে মণীষা কৈরালা, সোনাক্ষী সিনহা, রিচা চাড্ডা ও অদিতি রাও হায়দারি। তবে সিরিজটির মুক্তি নিয়ে আপাতত কোনো আপডেট নেই।

এর মাঝেই ‘বৈজু বাওরা’ নির্মাণের তোড়জোর শুরু করেছিলেন সঞ্জয় লীলা বানসালি। সিনেমাটি ১৯৫২ সালের একই নামের ক্লাসিকের রিমেক।

একাধিক প্রতিবেদন অনুসারে, প্রধান চরিত্রে রণবীর সিংয়ের সঙ্গে বানসালির পছন্দ আলিয়া ভাট। এছাড়া অন্যতম দুটি চরিত্রের জন্য নয়নতারা ও কিয়ারা আদভানির সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি।

নতুন যে খবর শোনা গেল, নির্মাতার প্রস্তাবিত বাজেটে খুশি নয় স্টুডিও। কারণ ৩৫০ কোটি রুপির দানবীয় বাজেটে ‘বৈজু বাওরা’ নির্মাণ করতে চাইছেন তিনি। স্টুডিও এত বড় বাজেট দিতে না পারায় সিনেমাটি আপাতত স্থগিত হয়েছে।

অবশ্য আরেকটি সূত্রের বরাত দিয়ে ম্যানসএক্সপি বলছে, বাজেটের জন্য আটকে গেলেও এটি ঘটনা নয়। অতিপ্রতিক্ষীত এপিক মিউজিক্যালটির দেরির অন্য একটি কারণ রয়েছে। এরই মাঝে নাকি আরো একটি সিনেমার পরিকল্পনা এগিয়ে নিয়েছেন সঞ্জয় লীলা বানসালি।

বছর দু-এক আগে সালমান খান ও আলিয়া ভাটকে জুটি করে ‘ইনশাল্লাহ’ নামের সিনেমার ঘোষণা দেন এ নির্মাতা। কিন্তু শেষ মুহূর্তে সালমানের সঙ্গে জটিলতায় প্রজেক্টটি থমকে যায়। এরপর ওই সিনেমার সেট নষ্ট না করেই নির্মাণ করেন ‘গাঙ্গুবাই’। এখন আবার ‘ইনশাল্লাহ’র দিকে নজর বানসালি। এ চিত্রনাট্য নাকি খানিকটা বদলে শাহরুখ খানকে পাঠিয়েছেন তিনি। এখন কিং খান রাজি থাকলে ‘দেবদাস’-এর পর আবারো তারা একসঙ্গে কাজ করবেন।

অবশ্য এখনো আনু্ষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি। সঞ্জয় লীলা বানসালির পরবর্তী প্রজেক্ট নিয়ে এটুকুই জানা গেছে যে আগামী মার্চের মধ্যে ঘোষণা আসবে ও মে নাগাদ শুটিং ফ্লোরে যাবে।