লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চররমণী মোহন ইউপি চেয়ারম্যান আবু ইউসুফ ছৈয়ালের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করায় মামলার সাক্ষীর বাড়িতে হামলা চালানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল দুপুর দেড়টার দিকে জেলা শহরের সোনালী কলোনিতে এ ঘটনা ঘটে। হামলাকারীরা সাক্ষী আবুল কালাম আজাদের বাড়ির বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাংচুর করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। আবুল কালাম পৌর ৬ নং ওয়ার্ডের মৃত বশির উদ্দিন বাবুলের ছেলে।

জানা গেছে, লক্ষ্মীপুরের মজুচৌধুরীর হাট লঞ্চ ও ফেরিঘাট চলতি অর্থবছরের জন্য ইজারা নেন ইউপি চেয়ারম্যান ছৈয়ালের ছেলে আবু সুফিয়ান ও সদর উপজেলা (পূর্ব) যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক রূপম হাওলাদার। এরপর থেকে ইউপি চেয়ারম্যানের লোকজন ঘাট থেকে নিময়বহির্ভূতভাবে চাঁদা আদায় শুরু করেন। এতে ঘাটে নৈরাজ্য সৃষ্টি হয়। এর বিরুদ্ধে যুবলীগ নেতা রূপম প্রতিবাদ করলে তার সঙ্গে বিরোধ দেখা দেয় ইউপি চেয়ারম্যান ও তার ছেলের। এসব বিষয়ে সম্প্রতি যুবলীগ নেতা রূপম বাদী হয়ে লক্ষ্মীপুর আদালতে মামলা দায়ের করেন। মামলার ২ নং সাক্ষী করা হয় আবুল কালাম আজাদ নামে একজনকে। এ ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে গতকাল দুপুরে চেয়ারম্যান ছৈয়াল ও তার ছেলে আবু সুফিয়ানের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন লোক এসে আবুল কালামের ঘরে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।

আদালতে দায়েরকৃত মামলার বাদী যুবলীগ নেতা রূপম হাওলাদার জানান, মজুচৌধুরীর হাট ঘাটে চেয়ারম্যান ছৈয়ালের লোকজন অনৈতিকভাবে অর্থ আদায় করছে। আমি এগুলোর প্রতিবাদ করায় আমাকে ঘাটে ভিড়তে দেয় না। পরে আমি আদালতে মামলা করি। তাই ক্ষিপ্ত হয়ে চেয়ারম্যান ছৈয়াল সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে মামলার সাক্ষীর বাড়িতে হামলা করেছে।

এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে ইউপি চেয়ারম্যান ছৈয়ালের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করেও তাকে পাওয়া যায়নি। এ ব্যাপারে সদর থানার এসআই আবুল কালাম বলেন, উভয় পক্ষকে থানায় বসে মীমাংসা করতে বলা হয়েছে।