লক্ষ্মীপুরে পৌর শিশুপার্ক ও গো-হাট ইজারায় অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। গতকাল বিকাল ৩টায় নিয়মানুযায়ী দরপত্রগুলো খোলা হয়। এতে নিয়ম রক্ষার্থে তিনটি করে ছয়টি আবেদন দেখিয়ে পছন্দের ঠিকাদারদের ইজারা দুটি পাইয়ে দেয়ার অভিযোগ ক্ষুব্ধ ঠিকাদারদের। নিয়মানুযায়ী সর্বোচ্চ দরদাতাকে ইজারা দেয়ার কথা থাকলেও অন্য ঠিকাদারদের দরপত্র ক্রয় কিংবা দাখিল করতে দেয়া হয়নি। এতে পৌরসভা বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আহরণ থেকে বঞ্চিত হয়েছে। দরপত্রে অংশগ্রহণ করতে না পারায় ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন তারা। তাই দ্রুত ইজারা দুটি বাতিল করে পুনরায় দরপত্র আহ্বানের দাবি বঞ্চিত ঠিকাদারদের।
সংশ্লিষ্ট ইজারা কমিটি সূত্রে জানা যায়, বিকালে দরপত্র খোলা হলে পৌর গো-হাট আগামী ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত শাহাদাৎ হোসেন মঞ্জু নামে এক ঠিকাদারকে এবং একই মেয়াদে পৌর শিশুপার্কটি মাকছুদুল আলম নামে আরেক ঠিকাদারকে ইজারা দেয়া হয়েছে। সর্বোচ্চ দরদাতাকে প্রতিষ্ঠান দুটি ইজারা দেয়ার কথা থাকলেও কত টাকার দর-দামে দুজন ঠিকাদারকে ইজারা দেয়া হয়েছে তা জানাতে পারেননি ইজারা কমিটির সদস্য সচিব।
এদিকে বিকাল ৩টায় পৌরসভার ইজারা দুটির দরপত্রগুলো খোলা হলেও সন্ধ্যা নাগাদ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জমা দেয়া দরপত্র আবেদনগুলো সংশ্লিষ্ট পৌরসভায় নেয়া হয়নি বলে পৌরসভার হিসাবরক্ষক মো. মঞ্জু জানান।
লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ইজারা কমিটির সদস্য সচিব ও প্রকৌশলী আবুল বাসার প্রথমে জানান, নিয়মানুযায়ী দরপত্রগুলো খোলা হয়েছে। সর্বোচ্চ দরদাতা দুজনকে দুটি ইজারা দেয়া হয়েছে। কিন্তু সর্বোচ্চ দরদাতা কত টাকা রাজস্বের বিনিময়ে ইজারা নিয়েছেন এমন প্রশ্ন করা হলে কোনো উত্তর দিতে পারেননি তিনি। এক পর্যায়ে তিনি জানান, এখনো ইজারা হস্তান্তর করা হয়নি, ইজারা কমিটির সভার সিদ্ধান্তের পর জানানো হবে।
লক্ষ্মীপুর পৌরসভার নবনির্বাচিত মেয়র মোজাম্মেল হায়দার মাসুম ভূইয়া অনিয়মের বিষয় অস্বীকার করে বলেন, সর্বোচ্চ দুজন দরদাতাকে লক্ষ্মীপুর পৌর শিশুপার্ক ও গো-হাট ইজারা দেয়া হয়েছে। যারা ইজারা নিতে পারেননি তারা এমন মিথ্যা অভিযোগ করছেন বলে জানান তিনি।










