তবে অংশীজনরা চাইলে সে সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে সূচি পুনর্নির্ধারণ করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। সচিবালয়ে গতকাল সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এ কথা জানান।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা এবং রমজানের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষার তারিখ এগিয়ে এনে ৭ জানুয়ারি নির্ধারণ করা হয়েছিল। রোজার কারণে পরীক্ষা এক মাস এগিয়ে আসছে। তা না হলে আমরা তো চেয়েছিই এটা ফেব্রুয়ারির লাস্ট উইকে নিতে। এখন আবার শুনছি রোজার পরে এটা শেষ করার কথা। আমরা তো স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আলাপ করেই কাজ করছি।’
এ পরীক্ষা এগিয়ে আনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনা চলছে বলে সাংবাদিকরা তুলে ধরলে মন্ত্রী বলেন, ‘তো ঠিক আছে, পাবলিক অপিনিয়ন যদি হয়, আবারো আমরা বসতে পারি।’
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে দেশের সিংহভাগ মানুষের সম্পৃক্ততা রয়েছে এবং বর্তমান বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার জনগণের মতামতকে প্রাধান্য দিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
এহছানুল হক মিলন জানান, পরীক্ষার সম্ভাব্য সূচির আগেই সিলেবাস শেষ করা হবে। পরীক্ষার প্রস্তুতিতে ঘাটতিও হবে না। প্রধানমন্ত্রীও এ বিষয়ে অবগত আছেন। তবে পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকরা চাইলে এ সূচি আবারো পরিবর্তনের বিষয়ে বিবেচনা করবে মন্ত্রণালয়।
প্রসঙ্গত, ২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা বছরের শুরুতে জানুয়ারি মাসে আয়োজনের ঘোষণা গত ১৪ মে দিয়েছিলেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।










